আবারও ফিরেছে 'কালাপানি'! সরকারের বিরুদ্ধে কথা মানেই হাজতবাস, একেই বলে আজাদি

জনতার দ্বারা নির্বাচিত স্বাধীন দেশের স্বাধীন সরকার। তাহলে আজও এই দেশে কেন গলা তুলে ক্ষমতাকে সত্যি কথাটা শোনাবেন না সাংবাদিকরা? কেন ভারভারা রাওদের দমন করা হবে?

tiasa gupta
৫ মিনিট
আবারও ফিরেছে 'কালাপানি'! সরকারের বিরুদ্ধে কথা মানেই হাজতবাস, একেই বলে আজাদি

ব্রিটিশ শাসনে 'কালাপানি’ দেখেছে দেশ। কালাকানুন আজ অতীত। সত্যি?

স্বাধীনতার পর ৭৫ বছর পার করেছে দেশ। আজ দেশে স্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকার। জনতার দ্বারা নির্বাচিত স্বাধীন দেশের স্বাধীন সরকার। তাহলে আজও এই দেশে কেন গলা তুলে ক্ষমতাকে সত্যি কথাটা শোনাবেন না সাংবাদিকরা? কেন ভারভারা রাওদের দমন করা হবে? দেখানো হবে জেলের পথ? এরপর কালা কানুনের সঙ্গে তুলনা আসা কি অবান্তর? স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব পালন করছে দেশ। দেশাত্মবোধ জাগ্রত করার এই চেষ্টা খারাপ কী? কিন্তু দেশের বিবেক জেগে উঠলে, তা দমন করার নির্লজ্জ প্রয়াস দেখতে হবে! স্বাধীনতার এত বছর পরে এমন দিন দেখার ছিল? মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সাংবাদিক-নাট্যকর্মীদের অর্ধনগ্ন করে হেনস্থা করে। এই ঘটনা শুধুমাত্র একটা দেশকে কলঙ্কিত করে না, বরং একটা সুস্থ সমাজের বিবেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। দেশের অন্তর দিয়ে বয়ে যাওয়া চোরাস্রোত বহন করছে কত সাংবাদিক আর সমাজকর্মীর হেনস্থার যন্ত্রণা! স্বাধীনতার ৭৫ কি তাহলে ক্যালেন্ডারের কতগুলি পাতা উল্টে যাওয়া? দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তোলার পাশাপাশি সমাজের চোখ খুলবে না এইসব ঘটনা-পরম্পরা?

সাংবাদিক-নাট্যকর্মীদের অর্ধনগ্ন করে হেনস্থা

খুব বেশিদিন আগের ঘটনা নয়। এই বছরের এপ্রিল এমনই এক নির্লজ্জ ঘটনার জন্ম দেয়। একদল সাংবাদিক ও নাট্যকর্মীকে জামাকাপড় খুলিয়ে অন্তর্বাস পরিয়ে মধ্যপ্রদেশের এক পুলিশ স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এই ছবি সামনে আসতেই উত্তাল হয় সোশ্যাল মিডিয়া। ওই ছবিতে সনাক্ত করা গিয়েছে, এক স্থানীয় সাংবাদিক তথা ইউটিউবারকে। অভিযোগ, তাঁকে হেনস্থা করা হয়, মারধর করা হয়, পুলিশকর্মীদের দ্বারা তাঁর জামাকাপড় খোলানো হয়। সাংবাদিকের অপরাধ তিনি স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে করা প্রতিবাদের খবর করতে গিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, ওই সাংবাদিক সিদ্ধি জেলার নাট্যকর্মী নীরজ কুন্দারের গ্রেফতারের খবর করতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক কেদারনাথ শুক্লা এবং তাঁর ছেলে গুরু দত্ত সম্পর্কে ভুয়ো ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন।

তিহার জেলে বন্দি ছিলেন মহম্মদ জুবের

অল্ট নিউজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবের। তাঁর বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার কয়েকটি অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে কাটাতে হয় তিহার জেলে। সুপ্রিম কোর্টে সেই সবক'টি মামলাতেই জামিন পেলেও মহম্মদ জুবেরকে জেলের ভাত হজম করতে হয়েছে। পরে আদালত এইসমস্ত মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, একটি অদ্ভুত বৃত্তের মধ্যে পড়ে গিয়েছে প্রশাসন। সেই বৃত্তের মধ্য থেকেই একটি কেসে মুক্তি পেলে সঙ্গে সঙ্গে অন্য আরও একটি কেসে জামিন আটকে দেওয়া হচ্ছে, মহম্মদ জুবেরের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার একাধিক অভিযোগ ছিল। ভুয়া খবরের সত্যতা জানানো এবং সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত ধর্ম পালন করায় তাঁকে কি দেখানো হয় জেলের পথ?

প্রণয় রায়ের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৭৫ বছরে একটি মাত্র আইন, ‘অমৃতকালে’ও পরিযায়ী শ্রমিকদের পায়ে পরাধীনতার বেড়ি

সময় এগিয়েছে, নিজের দেশে তত বেশি করে দাসত্বের শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ে গিয়েছে মজুর/শ্রমিক শ্রেণি। মুক্তিসুধা কী বস্তু জানেনই না তাঁরা, বরং নিজের লোকেদের হাতেই বঞ্চিত রয়ে গিয়েছে।

সিবিআইকে ব‍্যবহার করে শাসক লাল চোখ দেখায় প্রণয় রায়কেও। সরকারের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় কি এই ব্যবস্থা? এনডিটিভি-র প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায় ও তাঁর স্ত্রী রাধিকার বাড়ি ও কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে সিবিআই কর্তারা এই অভিযান চালায় বলে খবর।

সূত্র জানিয়েছে, এনডিটিভি-র কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়নি। ইংরেজি ও হিন্দি ভাষার এই টেলিভিশন চ্যানেলটির অর্থদাতা প্রতিষ্ঠান আরআরপিআর হোল্ডিং লিমিটেডে সিবিআই কর্মকর্তারা অভিযান চালান। তাঁরা এই প্রতিষ্ঠানটির দিল্লি, দেরাদুন ও উত্তরাখণ্ডর চারটি কার্যালয়েও তল্লাশি চালিয়েছে।

এদিকে এনডিটিভি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘পুরনো ভিত্তিহীন মিথ্যা অভিযোগের’ ভিত্তিতে একটি ‘সর্বাত্মক হয়রানি’ করা হয়েছে তাঁদের। তাঁরা এমন ‘চরম হয়রানিমূলক’ অভিযানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। সংবাদমাধ্যম লড়াই করবে, এটাই তো স্বাভাবিক; তবে সরকার আবারও সেই সিবিআই জুজু ব্যবহারের নজির তৈরি করল সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।

বুখারির হত্যা, কাশ্মীর নিরাপদ নয়

কাশ্মীরে খবর করতে গিয়ে পুলিশ ও আধা সেনার হেনস্থার মুখে পড়েছেন কত সাংবাদিক! অনেকে বছরের পর বছর জেলে বন্দি! বুখারির মতো অনেককে প্রাণও দিতে হয়েছে ভূস্বর্গের বুকে। ২০১৮ সাল। কোনও এক বৃহস্পতিবার সন্ধেয় সাংবাদিক সুজাত বুখারির হত্যা। 'রাইজিং কাশ্মীর'-এর এই সম্পাদক সন্ধেয় অফিস থেকে বেরিয়েছিলেন একটি ইফতার পার্টিতে যোগ দেওয়ার জন্য। তখনই আততায়ীর অতর্কিত গুলিতে লুটিয়ে পড়ে তাঁর রক্তাক্ত শরীর।

কাশ্মীর যে সাংবাদিকদের জন্য মোটেও ‘সেফ’ নয়, তা নিশ্চিত করতে বুখারি-হত্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার ছিল না। এ যেন নিরাপত্তাহীনতার দিকে আর একবার আলো ফেলে মনে করিয়ে দেওয়া, মুখ খুলো না। কলম তুলো না। আওয়াজ উঠিও না। তা হলেই বাকিদের মতো ঝাঁঝরা হতে হবে বুলেটে।

ভারতে 'ফ্রিডম অফ প্রেস' কোথায় দাঁড়িয়ে? এই নিয়ে পরিসংখ্যান লজ্জায় মুখ লুকোতে বলতে পারে এই দেশকে। সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বাকস্বাধীনতার আন্তর্জাতিক সূচকে আরও অবনতি হলো ভারতের। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসে 'রিপোর্টস উইদাফট বর্ডার্স’ সংগঠনের তরফে প্রকাশিত ২০২২ সালের রিপোর্ট ও সূচক অনুযায়ী এখন ১৫০তম স্থানে রয়েছে ভারত। ২০১১ সালের সূচকে ভারতের স্থান ছিল ১৪২তম। এ তো গেল স্বাধীন দেশের স্বাধীন সাংবাদিকদের হাল-হকিকত। এবার দেখা যাক, এখানে কেমন আছেন সমাজের বিবেক সেইসব মানুষ, যাঁরা ক্ষমতাকে সত্যিটা শোনানোর চেষ্টা করেন।

'ভীমা কোরেগাঁও’ প্রশ্ন তোলে মানবাধিকার নিয়ে

ভীমা কোরেগাঁও হিংসা মামলায় বারবার প্রশ্ন উঠেছে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে। প্রশ্ন উঠেছে মানবাধিকার নিয়ে। রাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করা সমাজকর্মী, প্রতিবাদীদের শহুরে নকশালের তকমা দিয়ে জেলে পুরে রাখার অপর নাম যেন এই মামলা। মিথ্যে মামলায় বিনা বিচারে বুদ্ধিজীবীদের জেলে ফেলে রাখার উদাহরণ ভীমা কোরেগাঁও হিংসা মামলা। বছরের পর বছর চলছে মামলা, এখনও দোষী সাব্যস্ত করা গেল না কোনও অভিযুক্তকে। অথচ তত্ত্বের পর তত্ত্ব তুলে ধরে আটক রাখা হচ্ছে অভিযুক্তদের।

ভীমা কোরেগাঁও হিংসার মামলা নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখে কেন্দ্র। ২০১৮-র ১ জানুয়ারি ভীমা কোরেগাঁওয়ে দলিতদের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, মাওবাদীদের মদতে হিংসার পরিকল্পনা করেন সমাজকর্মীরা। নির্বিচারে গ্রেফতার করা হয় সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট জনদের। ভারভারা রাও থেকে শুরু করে সুধা ভরদ্বাজ, ফাদার স্ট্যান স্বামী-সহ বহু বিশিষ্ট জনকে গ্রেফতার করা হয় সেসময়। গ্রেফতার হওয়া ১৬ জনকে আরবান নকশালের তকমা দেওয়া হয়। মামলা চলাকালীন কার্যত বিনা চিকিৎসায় জেলে মারা যান ফাদার স্ট্যান স্বামী। বারবার অভিযুক্তদের জামিনের আবেদন আদালতে খারিজ হলেও, তিন বছরে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। প্রতিবাদীদের কণ্ঠরোধে কার্যত তাঁদের জেলে ফেলে রাখা হয়। মানবাধিকারের বিষয়টিও অগ্রাহ্য করার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি এই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আইনজীবী ও সমাজকর্মী সুধা ভরদ্বাজ। তাঁর জামিন বম্বে হাই কোর্ট মঞ্জুর করলেও, তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ। সব মিলিয়ে সমাজের প্রতিবাদীদের কণ্ঠস্বর রোধেই যেন শহুরে নকশালের তকমা লাগিয়ে জেলবন্দি করার কৌশল নেয় কেন্দ্র। তিন বছর পর ২০২১ সালে শর্তাধীন জামিন পেয়েছিলেন অসুস্থ কবি ভারভারা রাও। তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছিল বম্বে হাই কোর্ট। কবিকে দু'টি শর্তে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল। পরে অবশ্য তাঁর জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সমাজের বিবেক কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী– এই মানুষকে যে সরকার জেলের দরজা দেখায়, তা কি আদতে ব্রিটিশ রাজের দমনপীড়নের সঙ্গে তুলনীয় নয়?

পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার তিস্তা শীতলাবাদ

গুলবার্গ সোসাইটি হত্যাকাণ্ডে নিহত কংগ্রেস সাংসদ এহসান জাফরির স্ত্রী জাকিয়া জাফরি এবং সমাজকর্মী তিস্তা শীতলাবাদ সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। সেই মামলার মূল কথা ছিল ২০০২-এর গুজরাত দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদিকে দেওয়া ক্লিনচিট খারিজ করুক আদালত। এরপর তিস্তার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা এবং আমেদাবাদ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এআইআর। গুজরাতের জঙ্গিদমন শাখার হাতে গ্রেফতার হন তিস্তা। আদালতে তিনি বলেন, পরোয়ানা ছাড়া তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এবং তাঁকে নাকি গ্রেফতারের পর মারধর করা হয়েছে। তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রসংঘও।

বলাই বাহুল্য, মিলিটারি জুন্টা কিংবা স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যের অধিকার বলে কিছু হয় না। শাসক সমালোচনা কিংবা গণবিতর্ক সহ্য করে না। সাংবাদিকরা সাহসী হলে, সমাজকর্মী, বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদী হলে, তাঁদের জেলে পচতে হবে? এটাই আমার দেশ?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২৩ দিনের অনশন থেকে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন, রাজপথই নেহা বোরার হয়ে ওঠার সাক্ষী

Neha Bora: ২৩ দিন ধরে অনশন করে যেমন তিনি সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছিলেন, তেমনই সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

বরফের গভীরে নিউট্রিনোর খোঁজ: মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে এবারের পদার্থবিদ্যায় নোবেল

IceCube Neutrino Observatory: অ্যান্টার্কটিকার বরফের গভীরে কীভাবে কাজ করে আইসকিউব টেলিস্কোপ? কীভাবে অদৃশ্য নিউট্রিনো কণার সংকেত ধরে কৃষ্ণগহ্বর, ব্ল্যাজার এবং মহাবিশ্বের গভীর রহস্য উন্মোচন করছেন বিজ্ঞানীরা?