জরুরি অবস্থায় আরএসএসের ইন্দিরা গান্ধীর কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা ছিল
তবে জনসংঘের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, মাধোককে দল থেকে বহিষ্কার করার এই কঠিন কাজটা সঙ্ঘের তৎকালীন প্রধান এম এস গোলওয়ালকরের সমর্থন না থাকলে আদবানি কখনও একা করতে পারতেন না।
বলরাজ মাধোকের রাজনৈতিক প্রতিরোধ এবং লালকৃষ্ণ আদবানি ও অটল বিহারী বাজপেয়ির বিরুদ্ধে তাঁর আনা গুরুতর অভিযোগগুলি ভারতীয় জনসংঘের অভ্যন্তরীণ স্বৈরতন্ত্রকে প্রকাশ্যে এনেছিল। সঙ্ঘের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে মাধোকের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত তাঁকে দল থেকে ছিটকে দিলেও, তা দলের ভিতরের এক গভীর আদর্শগত ফাটলকে স্পষ্ট করে দেয়।
৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে লেখা একটি চিঠিতে মাধোক সরাসরি আদবানিকে লিখছেন যে, দলের সম্পাদকেরাই আসলে সমস্ত ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। যেহেতু তাঁরা সঙ্ঘের সরাসরি লোক এবং রাজনৈতিক চালচলন ভালো বোঝেন, তাই...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








