প্রোডাকশন অফিস ছিল কালীর চায়ের দোকান, পরিচালক ছিল মণিদা
Gautam Chattopadhyay: একজন ফটোগ্রাফার (নাম লিখলাম না) উঠে এসে মণিদাকে খানিক উত্যক্ত করে। বিয়ার খেতে চায় এবং বলে, “কী একটা ফালতু ছবি করে তো পুরস্কার-টুরস্কার পাচ্ছ আর পয়সা কামাচ্ছ। তা এদিকে কিছু ছাড়ো।” এই রকম কথাবার্তা চলায় মণিদা অত্যন্ত চটে যায় এবং বলে, “ডু ইউ নো মাই লেফট হুক?”
কলকাতায় একটা বস্তির গোয়ালঘরে (এক সময় মালিকের গরু ছিল সেখানে) সে সময় পঞ্চান্ন টাকা ভাড়া আর বিদ্যুতের জন্য দশ টাকা দিয়ে থাকছি। একটা মাড়োয়ারি ভাবধারার বাঙালি মালিকের সংস্থায় কাজ করি। মাসান্তে সামান্য টাকা পেতাম। তাতে সস্তার শহর কলকাতাতেও দুবেলা খাওয়া বেশ কঠিন হতো। এদিকে অন্যথা কিছু ছিল না। করতেই হতো সেই প্রায় চাকরবাকরের কাজ। একবার কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল দেখতে গিয়ে দুদিন ডুব দেওয়াতে সেই জায়গাও আমার জন্য বন্ধ হলো। যেদিন নামমাত্র সেই মাইনদারি চলে গেল সেদিন টালিগঞ্জগামী একটা বাসে উঠেছি।...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে





