আজও কেন দরকার মে দিবস?
মে দিবসের ইতিহাস শুরু হয় উনিশ শতকের শেষভাগে, শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। তখন পুঁজিপতিরা অধিক মুনাফার লোভে শ্রমিকদের দিয়ে দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করাতেন। কাজের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর, মজুরি ছিল নামমাত্র এবং শ্রমিকদের কোনো মৌলিক অধিকারই ছিল না।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, সভ্যতার রথ টেনে নিয়ে চলে যে ব্রাত্য সাধারণ মানুষ, তারাই ইতিহাসের প্রকৃত নির্মাতা। তাঁর ‘আরোগ্য’ কাব্যগ্রন্থের ‘ওরা কাজ করে’ কবিতায় তিনি লিখেছেন:
ওরা কাজ করে
লৌহবাঁধা পথে অনলনিশ্বাসী রথে,
ধূলিধূসরিত ধূমাবৃত
কলকারখানার চিমনিগুলি
ওদের কীর্ণ ধূলি।
এই কবিতাটি কবিগুরুর শেষ পর্যায়ের বাস্তবধর্মী রচনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কারখানার ধোঁয়া আর ধুলোয় কালো হয়ে যাওয়া শ্রমিকের অক্লান্ত পর...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে





