কলকাতা পুরসভার প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নেতাজি, শহরে কী কী বদলেছিলেন?
Netaji Subhas Chandra Bose: সিইও পদের জন্য বরাদ্দ মাসিক তিন হাজার টাকা বেতনের মধ্যে তিনি নিলেন মাত্র দেড় হাজার টাকা। বাকি অর্ধেক টাকা সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হলো দরিদ্র ছাত্রদের শিক্ষা ও জনকল্যাণ তহবিলে। ব্রিটিশ সাহেবদের তোয়াজ করার পুরনো রীতি নিমেষে বন্ধ হয়ে গেল এবং পুরকর্মীদের জন্য চালু হলো খাদি পোশাক। সুভাষচন্দ্র তাঁর সহকর্মীদের স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, একটি পুরসভায় নৈতিক প্রভাবই হলো কাজের আসল চালিকাশক্তি।
১৯২৪ সালের শীতকাল। আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের স্যাঁতসেঁতে অন্ধকারের মধ্যে বসে আছেন এক তরুণ রাজবন্দি। বয়স মাত্র সাতাশ। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে কড়া পাহারায় আটকে রেখেছে, কিন্তু তাঁর মন পড়ে আছে কলকাতার রাস্তায়। বন্দিদশা থেকেই দাদা শরৎচন্দ্র বসুর কাছে একের পর এক চিঠি পাঠাচ্ছেন তিনি। তাতে কোনো ব্যক্তিগত অভাব-অভিযোগ নেই, রয়েছে অদ্ভুত সব নির্দেশ। "পুরসভার লাইব্রেরি থেকে ‘মিউনিসিপ্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ সংক্রান্ত বইগুলি পাঠিয়ে দিও", "‘ক্যালকাটা মিউনিসিপ্যাল গেজেট’ আসছে না কেন?", "শহরের মদের দোকান নিয়ন্ত্রণের প্র...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







