
বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। এই ভোটে মোট ১,৪৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটার ৩ কোটি ২২ লক্ষ ১৩ হাজার ৭৯৮ জন। ১০০ বছরের বেশি বয়স, এমন ভোটার রয়েছেন ৩,২৪৩ জন। ভোটগ্রহণের জন্য তৈরি ৪১ হাজার ১টি বুথে মোতায়েন রয়েছে ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৩৮,২৯৭ রাজ্য পুলিশ। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি। ভোটারদের সুবিধার্থে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের দিন কোনো সমস্যা হলে নিচে দেওয়া নম্বরে ফোন করে জানানো যাবে: ৮৪২০২৭২১০১, ৮৪২০২৭২৩৪৩ এবং ল্যান্ডলাইন নম্বর: (০৩৩) ২৩৬৭১১১৭।
এক নজরে
বিজেপিকে ক্ষমতায় আনছে বুথফেরত সমীক্ষা| আদপে গ্রহণযোগ্য?
যে সমস্ত বুথফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে, তার অধিকাংশেই বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, এই ধরনের সমীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার পূর্বাভাস দিয়েছিল একাধিক বুথফেরত সমীক্ষা, যা পরে ভুল প্রমাণিত হয়। ২০২৪-এ এবিপি সি ভোটার-এর বুথফেরত সমীক্ষা বলেছিল বিজেপি (২৩-২৭), তৃণমূল (১৩-১৭) এবং বাম কংগ্রেস (১-৩) আসন পাবে। ইন্ডিয়া টুডে অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া বলেছিল, বিজেপি (২৬-৩১), তৃণমূল ১৩-১৭, বাম-কংগ্রেস (০-২) আসন পাবে। এবং নিউজ ২৪ টুডেজ চাণক্য-র বুথফেরত সমীক্ষা জানিয়েছিল, ২৪ আসন পাবে বিজেপি, তৃণমূল পাবে ১৭ আসন এবং অন্যান্য-রা পাবে ১টি আসন।
সাধারণত বুথফেরত সমীক্ষা তখনই তুলনামূলকভাবে সঠিক হয়, যখন ভোটারদের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট একমুখী প্রবণতা বা ‘ওয়েভ’ কাজ করে— যেখানে ফলাফলে তিন থেকে পাঁচ শতাংশের তারতম্য থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটদানের পেছনে রয়েছে বহুমাত্রিক কারণ— কেউ ভোটাধিকার রক্ষার প্রশ্নে, কেউ নারী সুরক্ষার ইস্যুতে, কেউ বা মতুয়া পরিচয়ের নিরাপত্তাহীনতা থেকে ভোট দিয়েছেন। ফলে ভোটারের আচরণে একরৈখিক প্রবণতার বদলে বিচিত্র সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে। এই প্রেক্ষিতে বুথফেরত সমীক্ষার ফলাফল নিয়ে সংশয় থাকা স্বাভাবিক, বিশেষত যখন এই সমীক্ষাগুলিতে ব্যবহৃত নমুনার পরিমাণ বা পদ্ধতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয় না। তাই এমন জটিল নির্বাচনী আবহে বুথফেরত সমীক্ষার উপর নির্ভরতা নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১.৩১ শতাংশ, পূর্ব বর্ধমানেই সবচেয়ে বেশি ভোটদান
ভোটদান চলছে এখনও। প্রথম দফার ভোটে ভোটদানের হার ছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত এই দফায় ভোট পড়েছে ৯১.৩১ শতাংশ। সবচেইয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানেই। সবচেয়ে কম ভোট পরেছে দক্ষিণ কলকাতায়।
দুই দফা মিলিয়ে রাজ্যে ভোটের হার ৯২.৯৩ শতাংশ
২০২১ সালের তুলনায় এ বার প্রায় ৫১ লক্ষ ভোটার কম থাকলেও ভোটদানের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। বরং কম ভোটার সত্ত্বেও ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা অংশগ্রহণের দিক থেকে উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এখনও প্রকাশ পায়নি, তবে রাত ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভোটের হার পৌঁছেছে ৯২.৬৩ শতাংশে। দুই দফা মিলিয়ে রাজ্যে ভোটের হার ৯২.৯৩ শতাংশ।
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৯৬.৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে হাড়োয়া-য়
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার সবচেয়ে বেশি হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রে, ভোটের হার ৯৬.৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ৮৪.৩৬ শতাংশ। ভবানীপুরে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৬.৪৩ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৯২.৩৬ শতাংশ।
দিনের শেষে
কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে অশান্তির অভিযোগ উঠলেও মোটের উপর প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও নির্বিঘ্নেই মিটছে ভোট। বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও কোনো বড় রকমের অশান্তির খবর মেলেনি। কিছু জায়গায় গন্ডগোলের ঘটনা ঘটলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের চেষ্টায় কিছু ক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকও হয়েছে।
ভোট দিলেন মমতা
নিজের কেন্দ্রে ভোটদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবাধ ভোটের নামে অত্যাচার চলেছে দিনভর। বুধবার বিকেল ৪টের পর ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে এসে এমনই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়েছে, বলেও তাঁর অভিযোগ। মারধর করা হয়েছে মহিলা এবং শিশুদের। নির্বাচন কমিশনের নাম না করেই মমতা প্রশ্ন তোলেন, এটা কি অবাধ শন্তিপূর্ণ নির্বাচন? তাঁর কথায়, তিনি জীবনে এমন দেখেননি। তা সত্ত্বেও তৃণমূলই জিতবে। তাঁর কথায়, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতবেন তিনি।

বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাড়বাড়ন্ত!
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন চলছে। বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ ভোটারদের উপর আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে ভোটারদের চড় মারার অভিযোগ উঠেছে। বাগদায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য-সহ কয়েকজনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
লুঙ্গি পরে ভোট দেওয়া যাবে না! অগত্যা নাতির প্যান্ট পরে ভোটদান বৃদ্ধের
উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা বিধানসভার বেড়গুম ১ নম্বর পঞ্চায়েতের কুঁচলিয়ায় লুঙ্গি পরে ভোট দিতে গিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। অভিযোগ উঠেছে, কেন তিনি লুঙ্গি পরে এসেছেন? এই প্রশ্ন তুলে বৃদ্ধ ভোটার আবদুল রউফ মণ্ডলকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অগত্যা ওই বৃদ্ধ নাতির একটি প্যান্ট জোগাড় করে সেটি পরে ফের ভোট দিয়েছেন সেই বৃদ্ধ। এই একই ঘটনা আরও বেশ কিছু স্থানীয়ের সঙ্গে ঘটেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের
বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর বলেন, “এই বুথটি আমাদের, গত ৩৪ বছর ধরে এখানে তৃণমূল হারেনি। এই বুথটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর আসার পর এখানে সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানরা এসে ভোটারদের মারধর শুরু করে... অন্তত ৭-৮ জনকে নির্মমভাবে মারা হয়েছে... শান্তনু ঠাকুরের সফরের পরেই এসব ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন এখন কোথায়?…”
অন্যদিকে ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “মমতা ঠাকুর নিজে বুথে ভোট লুঠ (রিগিং) করছিলেন। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকা খালি করে দিয়েছে এবং সবাইকে সরিয়ে দিয়েছে। এই কারণেই এখানে বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে... ২০২১ সালে মমতা ঠাকুর এবং অন্য তৃণমূল নেতারা ভোট লুঠ করেছিলেন। এবার তারা সেটা করতে পারবেন না। জওয়ানরা বুথ খালি করে দিয়ে সবাইকে ভালোমতো সরিয়ে দিয়েছে।”
ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি!
ভোটের দিনে ফের আলোচনায় ডায়মন্ড হারবারের ফলতা। ফলতায় ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলল বিজেপি। ফলতার কয়েকটি বুথের ইভিএমে নাকি ‘টেপ’ লাগানো রয়েছে। সেই ছবি পোস্ট করে আবার ওই বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ফলতার এই ঘটনা নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।
ক্যাম্প অফিসের চেয়ার টেবিল ভাঙার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে!
হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার ২৭, ২৮ এবং ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের পর এবার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ফরওয়ার্ড ব্লক, বিজেপি এবং তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৫৫ ও ২৫৯ নম্বর বুথে ক্যাম্প অফিসের চেয়ার টেবিল ভাঙার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। দলীয় পতাকা এবং ভোটার তালিকা ফেলে দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ ফরওয়ার্ড ব্লক, বিজেপি এবং তৃণমূলের।
প্রার্থীর সামনে ‘আক্রান্ত’ বিজেপি কর্মীরা!
বুথের সামনে হুমকির প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রার্থীর সামনে ‘আক্রান্ত’ হলেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। নদিয়ার নবদ্বীপের বাবলারি এলাকার ঘটনা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৩ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দু’জনকে আটক পুলিশের।
দুপুর ৩ টের মধ্যে রাজ্যে ভোট পড়ল ৭৮.৬৮ শতাংশ, ভোটদানে এগিয়ে পূর্ব বর্ধমান
রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোটে দুপুর ৩ টের মধ্যে, মোট ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটদানে এখনও এগিয়ে পূর্ব বর্ধমান, ভোটের হার ৮৩.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে দক্ষিণ কলকাতায়, ভোটের হার ৭৫.৩৮ শতাংশ। গলসি বিধানসভা কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে। সেখানে ভোটের হার ৮৫.১১ শতাংশ।
বাসন্তীতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উদ্দেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
ফের উত্তেজনা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ৭৬ নম্বর বুথে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে 'জয় বাংলা' স্লোগান তৃণমূলের। অভিযোগ, ভোটারদের হেনস্তা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজা গাজীর বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি হয়। এর প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয় এলাকা। তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে দুই যুবককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু তৃণমূলের। অন্য দিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকুলতলায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের শিবির ভাঙচুরের।
সপরিবার ভোট দিলেন ফিরহাদ হাকিম
চেতলা গার্লসে ভোট দিলেন সপরিবার মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ভোটদান করে সপরিবারে ছবি দিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট মেয়রের। ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী তল্লাশি চালায় বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবনীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
শরবত খাইয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, নির্বাচন কমিশনে নালিশ আইএসএফ প্রার্থীর
বসিরহাট উত্তরের আমলানি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৭৬ ও ২৭৭ নম্বর বুথে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বুথের বাইরে ভোটারদের মিষ্টি শরবত পান করিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ। ভোট দিতে আসা ও ফেরার পথে ভোটারদের হাতে শরবত তুলে দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা। ভোটারদের প্রভাবিত করার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দ্রুত নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের।
তৃণমূল কর্মীরা ভোটারদের প্রভাবিত করছে: সোমা ঠাকুর
বাগদা বিধানসভার ২৬৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলল বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর। সোমা ঠাকুরের অভিযোগ, তিনি সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে ঘুরছেন, ২৬৪ নম্বর বুথে ভোটারদের প্রভাবিত করার খবর পান। তৃণমূল কর্মীরা ভোটারদের তৃণমূলে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করছে। এরপর বুথে এসে পরিদর্শন করেন তিনি।
ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল সদস্য
মিনাখাঁ বিধানসভার হাড়োয়া থানার অন্তর্গত কুলটির ৭৪ নম্বর বুথে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রউফ মোল্লা। ভোট চলাকালীন তিনি ভোটারদের হুমকি দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে হাড়োয়া থানার পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে: লাভলী মৈত্র
সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্র ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাভূষণ বিদ্যাপীঠের ১৪৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন তিনি। লাভলী মৈত্র বলেন, তিনি প্রথমবার নিজেকে ভোট দিলেন। তবে বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাওয়ায়, তাঁরা ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেও দাবি তোলেন তৃণমূল প্রার্থী। আজকের পর বিজেপির আর কোনো জায়গা থাকবে না, বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মিনাখাঁ বিধানসভার একাধিক বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের দলীয় ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ
মিনাখাঁ বিধানসভার বকজুড়ির মাজমপুর ১৭ নম্বর বুথ, মিনাখাঁ বিধানসভার ৪০ নম্বর বুথ এবং হাড়োয়া ব্লকের শালিপুর অঞ্চলের তালবেরিয়া বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের দলীয় ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বুথের ১০০ মিটারের বাইরে থাকা দলীয় ক্যাম্পগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী আকস্মিক তাণ্ডব চালায়। ক্যাম্পের উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকায় সেগুলি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর। ভোটারদের ভয় দেখাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
দ্বিতীয় দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা
জয় হিন্দ ভবনের সামনের রাস্তা দখল করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, ভবানীপুর ভদ্রলোকদের জায়গা, ছোটলোকদের নয়। যাঁরা এগুলো করছেন ভালোই করছেন, আমার ভোট আরও বাড়বে। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, শুভেন্দুই ভোটারদের উস্কেছেন।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায় বাতিল ৪৬ টি লোকাল ট্রেন
রাজ্যে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোট। এর মধ্যেই ২৯ এপ্রিল দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায় ট্রেন বিভ্রাটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। বুধবার নির্বাচনের দিনেই কোনো আগাম বিশেষ সতর্কতা ছাড়াই বাতিল করা হয়েছে ২৩ জোড়া ইএমইউ (EMU) লোকাল ট্রেন। ফলে ভোটার থেকে শুরু করে কর্মব্যস্ত নিত্যযাত্রী-- সকলকেই চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
দুপুর ১ টার হিসেবে ৬১.১১ শতাংশ ভোট, এখনও এগিয়ে পূর্ব বর্ধমান
রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে দুপুর ১ টার মধ্যে মোট ভোট পড়েছে ৬১.১১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে, ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট দক্ষিণ কলকাতায়, এখানে ভোটের হার ৫৭.৭৩ শতাংশ। এ যাবত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে গলসি বিধানসভায়, ভোটের হার ৭০.৪৮ শতাংশ।

ভবানীপুরে হুলুস্থূল, জোর দৌড় শুভেন্দুর
তৃণমূল-বিজেপি মুখোমুখি সংঘাতে জড়াল কালীঘাটে। ৭৩ নং ওয়ার্ডে মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। দু'পক্ষই স্লোগান দিতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
বুথে ভুয়ো এজেন্ট বসানো ঘিরে উত্তেজনা আইএসএফ-তৃণমূলের!
হুগলির খানাকুলের রাজহাটি-১ পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুরের ১৪৭ নম্বর বুথে ভুয়ো এজেন্ট বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। বুথের সামনেই হাতাহাতি আইএসএফ-তৃণমূলের। আইএসএফের পোলিং এজেন্টের ফর্ম নকল করে তৃণমূল তাদের এজেন্ট বসিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আইএসএফ। অভিযোগ, আইএসএফের এজেন্টকে রাত থেকে ভয় দেখিয়ে বুথে আসতে দেওয়া হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে বুথে গিয়ে ওই এজেন্টকে বার করে দেন খানাকুলের আইএসএফের প্রার্থী।
ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি বিজেপির!
দু’দিন ধরেই শিরোনাম জুড়ে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নাম। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ দেখা গিয়েছে। ভোটের দিন প্রথম চার ঘণ্টার মধ্যেই পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠল বিজেপির পক্ষ থেকে।
ভাঙড়ে এনআইএ!
ভাঙড়ে ফের এনআইএ! দ্বিতীয় দফার ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘটকপুকুর এলাকায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দলকে দেখা গিয়েছে। ভাঙড়ে বিস্ফোরণ মামলা এবং বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দুটি পৃথক মামলার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনায় আগেই এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১১ টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৩৯. ৯৭ শতাংশ, এগিয়ে সেই পূর্ব বর্ধমান
রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল ১১ টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৩৯.৯৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। এখানে ৪৪.৫০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন সকাল ১১ টার মধ্যে। দক্ষিণ কলকাতায় সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে, ভোটের হার ৩৬.৭৮ শতাংশ।
বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা!
বাসন্তী ৭৬ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা! বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার বুথ পরিদর্শনে গেলে অতর্কিতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর গাড়ি। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর আগ্নেয়াস্ত্রও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেনি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাটি কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
নওশাদকে ঘিরে বিক্ষোভ!
ভাঙড় বিধানসভার সাঁইহাটি এলাকায় ভোটের আবহে উত্তেজনা। এলাকায় পৌঁছতেই আইএসএফ চেয়ারম্যান, ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা বলে অভিযোগ। বিদায়ী বিধায়ককে দেখেই স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ক্ষোভে ফেটে পড়েন নওশাদ। তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি থাকার পরও ইচ্ছাকৃত ভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন তৃণমূল কর্মীরা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন রয়েছে বাহিনী।
ভিভিপ্যাট সমস্যা খতিয়ে দেখতে সিপিএমের নির্বাচনী এজেন্টকে বাধা!
হুগলির গোঘাট বিধানসভায় ৬২ নম্বর বুথে ভোট শুরু হওয়ার আগেই ভিভিপ্যাট মেশিন বিকল হয়ে যায়। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে রাইগ্রামের বুথে ভিভিপ্যাট সমস্যা খতিয়ে দেখতে গিয়ে সিপিএমের নির্বাচনী এজেন্টকে বাধার মুখে পড়তে হয়। এই সমস্যার কারণে যথাসময়ে ভোট শুরু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে অনেকেই অসুস্থ বোধ করেন।
বৃষ্টি মাথায় ভোট দিতে রাস্তায় মানুষ, ভোট শতাংশ প্রথম দফার কাছাকাছিই
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ প্রথম দফায় সকাল ৯ টার মধ্যে ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সকাল ৯ টার মধ্যে ভোট পড়েছে ১৮.৩৯ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ভোটের হার ২০.৮৬ শতাংশ। ভোটের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হুগলিতেও। সবচেয়ে কম ভোটের হার দক্ষিণ কলকাতায়, শতাংশের হিসেবে ১৬.৮১ শতাংশ।
ইভিএম খারাপ হওয়ার উত্তেজিত ভোটাররা, লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর
বালি বিধানসভা কেন্দ্রের ডন বসকো, লিলুয়া সোহনলাল বিদ্যালয়ে ইভিএম খারাপ হওয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়েন ভোটাররা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল এজেন্ট জখম হয়েছেন। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী। আটক করা হয়েছে দু’জনকে। ১৫২, ১৫৩ এবং ১৫৪ নম্বর বুথেও গন্ডগোল।
সকাল ৯ টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ
সকাল ৯ টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি পূর্ব বর্ধমানে। এছাড়া হুগলি ২০.১৬%, হাওড়া ১৭.৭৬%, উত্তর কলকাতা ১৭.২৮%, কলকাতা দক্ষিণ ১৬.৮১%, নদিয়া ১৮.৫০%, উত্তর চব্ৱিশ পরগনা ১৭.৮১%, পূর্ব বর্ধমান ২০.৮৬%, দক্ষিণ চব্ৱিশ পরগনা ১৭.২৫% ভোট পড়েছে।
নদিয়ার চাপড়ায় বিজেপি এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা
সকাল সকাল নদিয়ার চাপড়া বিধানসভার হাটরা এলাকায় ৫৩ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট মোশারেফ হোসেনকে বুথে ঢোকার সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্য দিকে, তৃণমূলের লোকজন মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি প্রার্থী সৈকত সরকার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় নিশ্চিত: শুভেন্দু আধিকারী
নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, "এখনই কোনো পূর্বাভাস দেওয়া খুব তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। আমি শুধু সবাইকে অনুরোধ করছি বাইরে এসে ভোট দিন। আগের নির্বাচনগুলিতে সকালে ভোটের হার এতটা বেশি ছিল না, যতটা এখন দেখা যাচ্ছে। আমি আশা করছি প্রথম দুই ঘণ্টায় প্রায় ২০ শতাংশ ভোট পড়বে... আমি এইমাত্র বজরং বলীর আশীর্বাদ নিয়েছি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় নিশ্চিত... আমি বিশেষ করে সনাতনী হিন্দুদের বলছি, আপনারা যদি নিজেদের জমিতেই উদ্বাস্তু হতে না চান, তবে বিপুল সংখ্যায় বেরিয়ে এসে ভোট দিন। এটাই আপনাদের শেষ সুযোগ..."
টোটো চেপে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন মহুয়া
ভোট দিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সকালে করিমপুর গার্লস হাই স্কুলে ১২০ নম্বর বুথে ভোটদান করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। সকাল সকাল টোটো চেপে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন তৃণমূল সাংসদ। ভোট দেওয়ার পর মহুয়া জানান, তিনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরে খুশি। টোটো চেপে ভোট কেন্দ্রে আসা প্রসঙ্গে মহুয়া জানান, বাইক নিষিদ্ধ করেছে কমিশন। তিনি নিজে বাইক চালাতে পারেন না। কাউকে নিয়ে আসতে হতো। নির্বাচন কমিশন তার উপর বিধিনিষেধ চাপিয়েছে। তাই টোটো চেপে ভোট দিতে এসেছেন তিনি। নির্বাচন প্রসঙ্গে মহুয়া বলেন, প্রচুর মানুষের নাম বাদ গিয়েছে, মানুষ তার প্রতিবাদে ভোট দেবেন।
শেষ দফা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট
শেষ দফা ভোট শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন, ‘‘আজ যাঁরা ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের সকলকে অনুরোধ করছি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন। এবং আমাদের গণতন্ত্রকে আরও গতিশীল করুন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের বিপুল ভাবে ভোটদান করা জরুরি।’’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুথে বুথে ঘোরা কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর
খিদিরপুর এলাকায় ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সকাল ভবানীপুরের প্রতিদ্বন্দ্বী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুথ পরিদর্শনে বার হওয়া নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করেন, "ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।"
খিদিরপুরে এলাকায় গিয়ে সন্তোষপ্রকাশ শুভেন্দু অধিকারীর
খিদিরপুর এলাকায় ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পর সন্তুষ্ট শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, খিদিরপুর এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ থাকায় ভোটদাতারাই ঢুকতে পারতেন না ভোটের সময়। নির্বাচন কমিশনের কারণে সেই পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানানো দরকার।
ভবানীপুর কেন্দ্রের বুথে বুথে সারা দিন ঘুরবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সকাল সকাল গাড়ি নিয়ে চেতলায় বেরোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর কেন্দ্রের বুথে বুথে সারা দিন ঘুরবেন বলে জানালেন তিনি। কলকাতা বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হানা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মাঝরাতে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাড়িতে ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী ছিল। বাড়িতর মহিলারা আতঙ্কিত!
অশান্তি রুখতে রাজ্যে ২ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার
বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অশান্তি রুখতে ২ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যার মধ্যে সোমবার রাতেই ধরা পড়েছেন ৮০৯ জন। অতিরিক্ত ২৬ জন পুলিশ অফিসার মোতায়েন করা হয়েছে বিভিন্ন জেলায়।














