১৯৩৭ হোক বা ২০২৬, কেন বন্দে মাতরম ঘিরে একই বিতর্ক বারবার ফিরে আসে?
Vande Mataram history: কংগ্রেসের ভিতরেও এ নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। সুভাষচন্দ্র বসু চেয়েছিলেন পুরো গানটিই বহাল থাকুক। অন্যদিকে জওহরলাল নেহরু বুঝতে পারছিলেন, এই গানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ফাটল ধরলে তা সার্বিক স্বাধীনতা আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সমাধানের খোঁজে সুভাষ ও নেহরু উভয়েই চিঠি লেখেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
নয়াদিল্লির চব্বিশ আকবর রোডের কংগ্রেস সদর দফতরে ১৫ অগাস্টের সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর সমবেত কণ্ঠে শুরু হয়েছিল গান, ‘বন্দে মাতরম্, সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্’। কিন্তু পরিবেশনার ঠিক দুটি স্তবক শেষ হতেই সুর থেমে যায়। সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা সোনিয়া গান্ধীকে হাত নেড়ে কিছু একটা ইশারা করতে দেখা যায়। ব্যস, সেখান থেকেই দেশজুড়ে তৈরি হয় এক নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয় যে কংগ্রেস জাতীয় গান পুরোটা গাইতে চায়নি এবং সোনিয়া গান্ধী মাঝপথেই তা থামিয়ে দিয়েছেন। কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিয়ে ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






