একটি বানান ভুলেই শেষ নাগরিক পরিচয়?
ইতালীয় দার্শনিক জর্জিও আগামবেন এই অবস্থাকে একটি বৃহত্তর দার্শনিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করেন। ইতিহাসে এমন মানুষের অস্তিত্ব সবসময়ই ছিল, যাদের রাষ্ট্র পুরোপুরি তাড়িয়ে দেয়নি, আবার নাগরিক হিসেবে গ্রহণও করেনি। তাদের বলা হয় ‘হোমো স্যাক্যার’ (Homo Sacer)— অর্থাৎ এক ধরনের 'বাতিল মানুষ'।
উত্তর কলকাতার এক ছাপোষা পাড়ায় থাকেন ছাপ্পান্ন বছর বয়সি শ্যামল মণ্ডল (নাম পরিবর্তিত)। গত প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তাঁর সকাল শুরু হয় পাড়ার চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে। চায়ের কাপের সঙ্গে থাকে খবরের কাগজ। রাজ্য-রাজনীতি নিয়ে খোঁজ রাখেন, তর্কে মাতেন। ভোটের দিন এলে সকাল সকাল লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন—এটাই তাঁর কাছে নাগরিক হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। তিনি জানেন—এই দেশ তাঁর, এই রাজ্য তাঁর, আর ভোট দেওয়া তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার।
কিন্তু একদিন সবকিছু বদলে গেল।
পাড়ার এক ছেলে বিএলও (BLO)। সেই প্রথম খবরটা দিল— “দাদা,...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






