ইরান-আমেরিকার ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ: আগেই ছিল সেই ইঙ্গিত?

Iran-US Peace Talks: ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার বৈঠকেও কেন ভেঙে গেল ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনা? ইউরেনিয়াম ইস্যু, নিষেধাজ্ঞা নাকি আঞ্চলিক প্রভাব—কোন মতভেদ সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াল?

Tanvia Barua
৫ মিনিট
ইরান-আমেরিকার ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ: আগেই ছিল সেই ইঙ্গিত?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি থামানোর জন্য পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এই দীর্ঘ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল, দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত কমিয়ে একটি স্থায়ী সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে দু'পক্ষের মধ্যে মৌলিক মতপার্থক্য এতটাই গভীর হয়ে ওঠে যে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

অর্থাৎ ইসলামাবাদে বহু প্রত্যাশিত ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনা শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি ছাড়াই ভেঙে গেল। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কূটনৈতিক তৎপরতা এবং যুদ্ধবিরতির আশার মাঝেও এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে।

এই আলোচনাটি ছিল সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগগুলির একটি।

এই বৈঠকের পেছনে ছিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও আমেরিকা একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল পরবর্তী বৃহত্তর শান্তি চুক্তির পথ তৈরি করা। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগানো গেল না।

আলোচনার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল দুই দেশের মূল দাবিগুলির মধ্যে গভীর অমিল। আমেরিকার প্রধান শর্ত ছিল, ইরানকে পুরোপুরি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা থাকবে না। অন্যদিকে ইরান এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। তাদের মতে, এটি তাদের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার উপর হস্তক্ষেপ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি ঠিক কতটা জখম?

Mojtaba Khamenei Injury Update: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি ঠিক কতটা জখম? বিমান হামলার পর তাঁর মুখ বিকৃত হওয়ার দাবি কি সত্যি? পা হারানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব? কেন এখনও প্রকাশ্যে আসছেন না তিনি?

ইরানের পক্ষ থেকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি সামনে আনা হয়েছিল। তারা চেয়েছিল যুদ্ধ চলাকালীন ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, এবং তাদের জমে থাকা সম্পদ মুক্ত করা হোক। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালী নিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়েও তারা আপস করতে রাজি ছিল না।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন,  যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ বা আপসহীন শর্তগুলি আলোচনায় পরিষ্কার করে তুলে ধরেছিল। তবে তাঁর কথায়, ইরান সেই শর্ত মানতে রাজি হয়নি, ফলে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, ইরানের প্রতিক্রিয়াও ছিল তীক্ষ্ণ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত 'অতিরিক্ত ও অবাস্তব দাবি' থেকে সরে আসা। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, তেহরান ওয়াশিংটনের শর্তগুলিকে একতরফা চাপ হিসেবেই দেখছে।

এই দুই বিপরীত অবস্থানের কারণে আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। কিছু ছোটখাটো বিষয়ে সামান্য বোঝাপড়া হলেও মূল বিষয়গুলি—পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা এবং অঞ্চলে প্রভাব—এই জায়গাগুলিতে কোনোট ঐক্যমত তৈরি হয়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রত্যাবর্তন: ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

Iran US ceasefire: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তার গুরুত্ব বাড়িয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিবর্তিত অবস্থান ভারতের জন্য কি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে? দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাচ্ছে, নাকি এটি সাময়িক কূটনৈতিক সমীকরণ—এই প্রশ্নই এখন মূল আলোচনায় উঠে আসেছে।

এই বৈঠকটি আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি ছিল বহু দশকের মধ্যে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি আলোচনা। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক প্রায় শত্রুতাপূর্ণই থেকেছে। তাই এই বৈঠককে অনেকেই ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছিলেন। পাকিস্তানের ভূমিকা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় ইসলামাবাদই দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদানের সেতু হিসেবে কাজ করেছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল এবং আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়ায় পাকিস্তানের এই প্রচেষ্টা আপাতত অসম্পূর্ণই থেকে গেল।

ইরান যে সহজে আপস করবে না, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাকচি যে প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানে পৌঁছন, তার নাম রাখা হয় 'মিনাব ১৬৮'। ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে মার্কিন হামলার ঘটনাকে স্মরণ করেই এই নামকরণ। হামলায় ১৭৫ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছিল।

প্রতিনিধিদলের বিমানের আসনে সেই শিশুদের ছবি, স্কুল ব্যাগ ও জুতো রাখা হয়। যেন বোঝানো হচ্ছিল, এই আলোচনা শুধুমাত্র কূটনৈতিক স্বার্থের জন্য নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানবিক বেদনা এবং ন্যায়বিচারের দাবি। নিহত শিশুদের স্মৃতিকে সঙ্গী করেই যেন আলোচনার টেবিলে বসতে এসেছিল ইরান। গালিবাফ নিজেও বলেন, এই শিশুরাই তাঁর সহযাত্রী। এই বক্তব্য কেবল আবেগ নয়, বরং একটি রাজনৈতিক বার্তা। ইরান স্পষ্ট করে দেয়, তারা আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত, কিন্তু কোনোভাবেই দুর্বল অবস্থানে নয়। সম্মান বজায় রেখে, সমানভাবে চোখে চোখ রেখে কথা বলাই তাদের লক্ষ্য, যা বর্তমান ইরানের অবস্থানকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

তবে এখন সবচেয়ে বড় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে। যে অস্থায়ী শান্তি বজায় ছিল, সেটি এখন ভেঙে পড়ার মুখে। যদি নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়, তাহলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, বিশেষ করে তেলের বাজারেও আবারও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এই পথ দিয়ে যায়। ইরান যদি এই পথ বন্ধ রাখে বা নিয়ন্ত্রণ কড়াকড়ি করে, তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে।

তবে এই ব্যর্থতা সত্ত্বেও কূটনৈতিক দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। দুই পক্ষই ভবিষ্যতে আলোচনার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে। পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, আলোচনা শেষ হওয়ার পর কূটনৈতিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে। সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত ইসলামাবাদ ছাড়েন ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একইসঙ্গে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

ইসলামাবাদের এই আলোচনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তব ফল দিতে পারেনি। বরং এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে মতপার্থক্য কতটা গভীর এবং সমাধানের পথ কতটা জটিল।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

US Midterm Elections: আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ট্রাম্পের নীতি—রিপাবলিকানদের ভরাডুবির পাঁচটি মূল কারণ কী কী?

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।