আদিনা মসজিদে মন্দিরের চিহ্ন নাকি ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা?
Mosque Architecture of Pre-Mughal Bengal গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্নতাত্ত্বিক জে. ডি. বেগলার আদিনা মসজিদের স্থানে প্রায় পাঁচ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেছিলেন, কিন্তু সেখানে কোনো প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের ভিত্তি আবিষ্কৃত হয়নি। আবার স্থানীয় কিছু জনশ্রুতি ও পরবর্তী কয়েকজন লেখকের মতে, রাজা গণেশ আদিনা মসজিদকে কাছারিবাড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।
মালদার পাণ্ডুয়ায় অবস্থিত আদিনা মসজিদ ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জোগান দেওয়া হচ্ছে। সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই মধ্যযুগীয় স্থাপত্যকে কেন্দ্র করে উঠছে মন্দির-মসজিদ বিতর্ক। সাধক হযরত মখদুম শায়খ আলাউল হক পাণ্ডভির দরগাহকে কেন্দ্র করে শহরটি 'হজরত পাণ্ডুয়া' নামে বিশেষ পরিচিত লাভ করে। সেই অঞ্চলের আদিনা মসজিদ কি কোনো প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছিল? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে আসছে। ইতিহাস গবেষকদের মতে ঐতিহাসিক গুরুত্ব দিয়ে ইতিহাসের বিচার করতে হয় আবেগ দিয়ে নয়...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







