ভূমিকম্পে নদী শুকোল, গ্রাম ছাড়লেন কারিগররা: আজরাখপুর যেভাবে বাঁচিয়ে রাখল ৪০০ বছরের শিল্পকে
Ajrakh block printing: ১৯৯০-এর দশকের শুরু থেকেই শুকিয়ে যেতে থাকে সরন নদী। নিয়মিত বহমান জল ছাড়া কাপড়ে স্বাভাবিক রং ফোটানো কঠিন হয়ে পড়ায় গ্রামবাসীরা কূপ খনন করেছিল। লকূপের জলে অতিরিক্ত মাত্রায় লোহা থাকার কারণে কাপড়ে রঙের কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা আনা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ফলে ফিকে হতে থাকে প্রাকৃতিক ও ভেষজ রঙের এই ঐতিহ্যবাহী আজরাখ শিল্প। জীবিকার সন্ধানে এক সময় গ্রামের বহু মানুষ ভিন্ন পেশা বেছে নিয়ে দেশের নানা প্রান্তে পাড়ি দিতে বাধ্য হন।
২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি, সকাল ৮টা ৫০ মিনিট। তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল গুজরাটের কচ্ছ জেলা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৯। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল ভাচাউ তালুকের ভূজ শহর সংলগ্ন চোবারি গ্রাম। এই ভূমিকম্পে শুধু জীবন আর সম্পত্তির ক্ষতি হয়নি, পরিবেশের উপরেও নেমে এসেছিল বড় বিপর্যয়। আঞ্জার তালুকের ধামাডকা গ্রামের সরন গঙ্গা নদীর কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছিল এই ভূমিকম্প।
এই গ্রামের মুসলিম খত্রী পরিবারগুলি সরন নদীর জলের ভরসাতেই বংশপরম্পরায় বাঁচিয়ে রেখেছিল ঐতিহ্যবাহী আজরাখ ব্লক প্রিন্টিং শিল্প। তবে জীব...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে









