নববর্ষ শুধু বাঙালির নয়, বিশ্বজুড়ে যেভাবে চলে বৈশাখী আবাহন

Rupa Mitra
৪ মিনিট
নববর্ষ শুধু বাঙালির নয়, বিশ্বজুড়ে যেভাবে চলে বৈশাখী আবাহন

শুভ বৈশাখ পাঠায়েছে ডাক

মেলিয়াছে ফুলসাজি

নব অনুরাগ প্রীতির সোহাগ

জানাই তোমায় আজি।

নববর্ষ, নতুন বছর এবং নতুন সালের শুভারম্ভের দিন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি পালিত হয়। কিন্তু এইদিন শুধু মাত্র বঙ্গাব্দের সূচনা বা বাঙালির বর্ষবরণ নয়। এইদিন মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস ও কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, তামিলনাড়ু, কেরল, পাঞ্জাব, আসাম, উড়িষ্যা, নেপাল, বিহার, ঝাড়খণ্ড... এই সব দেশের নববর্ষ বরণের দিন।

পশ্চিমবঙ্গ

পয়লা বৈশাখ আপামর বাঙালির অতি প্রিয় একটি দিন।বঙ্গাব্দের এই প্রথম দিনটিতে উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান পালিত হয় নানা স্থানে। সকাল বেলা স্নান করে বাড়িতে পূজার্চনা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলি গনেশপুজোর মধ্য দিয়ে দিন শুরু করেন।এই দিন থেকে ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসার হিসেবের নতুন খাতার উদ্বোধন করেন, অনেকেই একে 'হালখাতা' বলে থাকেন। এই দিনে বাড়িতে বাড়িতে এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে মিষ্টিমুখ করানো হয়।এই দিন বাঙালি তার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে (ধুতি, পাঞ্জাবি ও শাড়ি) সেজে ওঠে।পাঞ্জাব

পাঞ্জাবে নববর্ষকে বৈশাখী বলা হয়। সাধারণভাবে ১৩ এপ্রিল বা ১৪ এপ্রিল দিনগুলোকে হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ সৌর নববর্ষ হিসেবে পালন করেন। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিনে নগরকীর্তন করেন, বিভিন্ন সামাজিকতা ও উৎসবের মধ্য দিয়ে এই পার্বণ পালিত হয়। পাঞ্জাব অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ইতিহাস-প্রসিদ্ধ ঘটনাগুলোও পালন করা হয় এই সময়। যেমন, ১৮০১ সালের ১২ এপ্রিল রঞ্জিত সিং শিখ সাম্রাজ্যের মহারাজা ঘোষিত হন, এই বৈশাখেই ঘটে কুখ্যাত জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনা, এই এপ্রিলেই দশম গুরু 'গুরুগোবিন্দ সিং' (১৬৯৯) 'খালসা' জন্মকে চিহ্নিত করেন। 'বৈশাখী' প্রধানত একটি শিখ উৎসব। অনেকেই এইদিন ঝিলম, কাবেরী ও গঙ্গা নদীতে স্নান করে পবিত্র হন।

কেরল ও কর্নাটক

কেরল ও কর্নাটকে বৈশাখ মাসের প্রথম দিনটি নববর্ষ হিসেবে পালন করা হয়। এখানে এই উৎসবটিকে বলা হয়, 'ভিষু'। এই দিনে স্থানীয় মানুষ বিভিন্ন ধরনের আনন্দ ও উৎসবের আয়োজন করেন। কেরল ও কর্নাটকে এই উৎসব পালনের রীতির মধ্যে প্রচুর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। যদিও কেরলের জাতীয় উৎসব 'ওনাম', কিন্তু ভিষু উৎসবেও উৎসবের জোয়ারে ভাসে সকলে।

উড়িষ্যা

নববর্ষ দিনটি উড়িষ্যাবাসীর কাছে, 'পান সংক্রান্তি' নামে খ্যাত। নতুন বস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উৎকলবাসী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করে থাকেন।

আসাম

নববর্ষকে আসামে বলা হয়, 'বেহাগ বিহু'। আসামের নানান স্থানে মেলা বসে এবং পশ্চিমবঙ্গের মতোই ব্যবসায়ীরা হালখাতা, পূজার্চনা,ও কুশল বিনিময় করে থাকেন।মিষ্টিমুখের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।

তামিলনাড়ু

তামিলনাড়ুতে নববর্ষকে বলা হয় 'পুথান্দু বা পুঠান্ডু'। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে এদের অনুষ্ঠানের প্রচুর সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।এখানে ১৪ এপ্রিল নতুন বছর পালন হয়। নানারকম পিঠা, পায়েস, মিষ্টি, পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করেন। বিনোদন হিসেবে এখানে বিভিন্ন খেলাধুলো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। খেলাধুলোর মধ্যে গরুর দৌড় ও কাদা ছোড়াছুড়ি খেলা উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশ

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল নববর্ষ উদযাপন করা হয়।বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে এই দিনটি নির্ধারিত করা হয়েছে। এইদিন বাংলাদেশে হালখাতা অনুষ্ঠিত হয়। এই দিন বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্য হলো, পান্তাভাত খাওয়া। পশ্চিমবঙ্গের মতোই শুভেচ্ছা বিনিময় হয় 'শুভ নববর্ষ' বলে।প্রতি বছর এই দিন বাংলাদেশে 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'-র আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই শোভাযাত্রাকে, 'মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করেছে। ১৯৬৭ সাল থেকে 'ছায়ানট' নামের এক বিখ্যাত গানের দল প্রতি বছর বর্ষবরণ করে আসছে রমনা বটমূলে।

মায়ানমার

মায়ানমারের নববর্ষকে স্থানীয়ভাবে 'থিংইয়ান' নামে ডাকা হয়ে থাকে। বার্মিজ ভাষায় এর অর্থ 'পরিবর্তন' বা 'এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর'। নববর্ষের দিনটি সৌর এবং চন্দ্রপঞ্জিকার গণনা অনুসারে স্থির করা হয়। থিংইয়ানের দিন মায়ানমারজুড়ে জল-উৎসব (পানি উৎসব) হয়। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো ও পবিত্র জল-উৎসব (পানি উৎসব)। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পালন হচ্ছে এই উৎসব। দেশের মানুষের বিশ্বাস, যত বেশি জলের ধারা শরীর স্পর্শ করবে,তত বেশি দুঃখকষ্ট দূর হবে এবং শান্তি আসবে জীবনে।

থাইল্যান্ড

থাইল্যান্ডের 'সংক্রান' উৎসবটি বহু প্রাচীন। সংক্রান শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ভাষা সংক্রান্তি থেকে। এই সময় দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ান সিয়ামিজ গোত্রের মানুষই সাধারণত ধর্মীয় রীতি মেনে এই উৎসব পালন করেন। এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ পানি উৎসব।

শ্রীলঙ্কা

সিংহল বা শ্রীলঙ্কায় নববর্ষকে 'আলুথ আবুরুদ্ধা' বলা হয়। এই দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৪ এপ্রিল নববর্ষ উদযাপন করা হয়, কিন্তু উৎসব চলে এক সপ্তাহ ধরে। সৌর পঞ্জিকা অনুসারে উৎসব পালিত হয়, কিন্তু নতুন চাঁদের হিসেবে দিন নির্ধারিত হয়। উৎসবে নানা রকম মিষ্টি, পিঠে, পায়েস, ক্ষীর ইত্যাদি বানানো হয়। বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, গরুর দৌড়, ডিম ছুড়ে দেওয়া খেলা (হাওয়ায় ডিম ছুঁয়ে দিয়ে লুফে নিতে হয়), এছাড়া ফসলি মাঠে কাদা মাখামাখি খেলা।

কম্বোডিয়া

কম্বোডিয়াতে ১৪ এপ্রিল নতুন বছরকে বরণ করা হয়। স্থানীয় ভাষায় এর নাম 'খেমার'।এই দিনে স্থানীয় ভাষায় কম্বোডিয়ানরা বলেন 'চউল সানাম থামাই', অর্থাৎ নতুন বছরে প্রবেশ করা। উৎসবের শুরু হয় বৌদ্ধবিহারে সকালবেলায় ধর্মীয় আচার পালনের মধ্য দিয়ে। এরপর প্যাগোডা বা বৌদ্ধমন্দির চত্বরে ঐতিহ্যবাহী নৃত্যের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় অধিবাসীরা। গেমার নববর্ষে নানা ধরনের খেলা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এদের একটি বিশেষ খেলা, 'দড়ি টানাটানি'। বাচ্চা, বুড়ো, নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই অংশগ্রহণ করেন এবং আনন্দময় হয়ে ওঠে পরিবেশ।

নেপাল

নেপালে ১৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক বর্ষ পঞ্জিকা 'বিক্রম সাম্বাত'-এর প্রথম দিন। প্রাচীন হিন্দু রীতি অনুসারে সৌর

পঞ্জিকার ভিত্তিতে ১৪ এপ্রিল সাধারণত এই উৎসব পালিত হয়। এটি নেপালের একটি সার্বজনীন উৎসব। সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয় এদিন।পারিবারিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও নানা অনুষ্ঠান, ভাল-মন্দ খাওয়াদাওয়া, নানা ধরনের ক্রীড়ার মধ্য দিয়ে নেপালের মানুষ এই দিনটি পালন করেন।

লাওস

লাওসের সৌরপঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখের প্রথম দিনটি, অর্থাৎ ১ বৈশাখ নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে পালন করা হয়। স্থানীয় ভাবে এর নাম 'সংক্রান' বা 'পি-মেই'। এর অর্থ হলো, নতুন সংক্রান্তি বা নতুন বছর। এই দিনটির স্মরণে সারা দেশে তিনদিন ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয় নববর্ষবরণ।

ভারতের তথা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে নতুন বছর উদযাপন হয়।নিজস্ব ঘরানা ও সাংস্কৃতি বজায় রেখে রে তার উৎসব পালন করে। নতুন বছরে পৃথিবী সুস্থ ও সুন্দর থাকুক এই কামনা।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

লিখেছেন
Rupa Mitra
Rupa Mitra
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।