WB Electoral Roll : নির্বাচন কমিশনের অভূতপূর্ব নির্বাচনী তালিকা সংশোধন এবার বঙ্গেও

West Bengal Election : ভারতের নির্বাচন কমিশন রাজ্যের আধিকারিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনী তালিকার বিতর্কিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হবে শীঘ্রই।

Nitin Sethi
৪ মিনিট
WB Electoral Roll : নির্বাচন কমিশনের অভূতপূর্ব নির্বাচনী তালিকা সংশোধন এবার বঙ্গেও

(দ্য রিপোর্টার্স কালেক্টিভের পরামর্শক্রমে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ এবং বিতরণ করছে ইনস্ক্রিপ্ট।)

আয়ুশী কর, নীতিন শেঠি : পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী তালিকার সংশোধন কাজ এমাসেই শুরু হতে পারে বলে রাজ্যের আধিকারিকদের জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণকারী দু-জন রাজ্য আধিকারিক স্বতন্ত্রভাবে দ্য রিপোর্টার্স কালেক্টিভকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নির্দেশ আগামী দু-সপ্তাহের মধ্যেই আসতে পারে। বলাই বাহুল্য, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্যপ্রদানের অনুমোদন নেই— এই মর্মে তাঁরা নামপ্রকাশ থেকে বিরত থেকেছেন।

"ভার্চুয়াল সভায় আমাদের এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে লিখিত নির্দেশ শীঘ্রই আসবে," বলছেন ওই দুই আধিকারিকের একজন।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বিহারে শুরু হয়েছে ২৪ জুন। এই সংশোধন প্রক্রিয়ায় একদম গোড়া থেকে ভোটারদের তথ্য যাচাই করা হবে। বিহারে, ইসিআই সমাজের আলাদা আলাদা শ্রেণিভুক্ত ভোটারদের জন্য আলাদা আলাদা নথিপত্রের যাচাই বাধ্যতামূলক করেছে—এ ঘটনা ভারতের নির্বাচনী রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে কখনও ঘটেনি। কমিশনের তরফে এই কাজের জন্যে মাত্র তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জোর দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের নাগরিকত্বও যাচাই করতে হবে। নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার প্রমাণের জন্য বৈধ বলে বিবেচিত নথির সংখ্যা সীমিত করা হয়েছে।

"পশ্চিমবঙ্গে বিহারের মতোই, নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের নথিপত্রের প্রমাণ চাইবে কিনা এখনও জানি না। কিন্তু এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে, সমস্যা গুরুতর আকার ধারণ করবে," দ্য কালেক্টিভকে বলেন দ্বিতীয় আধিকারিক।

তাঁর কথায়, "এই কাজের জন্যে আমরা হয়তো বিহারের চেয়ে একটু বেশি সময় পাব। কারণ অক্টোবর আমাদের পুজোর মাস।"

তবে বিহারের মতোই পশ্চিমবঙ্গও বেকায়দায় পড়তে পারে। এ রাজ্যে সাম্প্রতিক অতীতে নির্বাচনী তালিকার পূর্ণাঙ্গ সংশোধন হয়েছে। এখন কমিশনের নির্দেশ এলে সেই সংশোধিত তালিকা বাতিল করে আবার নতুন করে তৈরি করতে হবে। এই কর্মযজ্ঞ এমন সময় সম্পন্ন হবে যখন নির্বাচন দোড়গোড়ায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন্দ্রের শিক্ষানীতি রাজ্যে চালু না হতে দিলেই সমস্যা মিটে যাবে?

National Education Policy 2020: এই শিক্ষানীতি সেই পরিবেশকে নিশ্চিত করতে চায় যেখানে শাসক, এলিট সম্প্রদায় দেশের বৌদ্ধিক ক্ষেত্রগুলোতে রাজত্ব করবে এবং অন্ত্যজ তথা প্রান্তিক পরিবারের ছেলে মেয়ের সস্তা শ্রমের জোগানে পরিণত হওয়াকে তাদের ভবিতব্য বলে মেনে নেবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মে মাসের আগেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন।

"যদিও আমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি, তবে কথাবার্তা শুনে যা মনে হচ্ছে, আমরা এই কাজের জন্যে খুবই কম সময় পাব। আইন অনুযায়ী, নিবিড় সংশোধন মানে একদম নতুনভাবে ভোটাদের নাম নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া", বলছেন সংশ্লিষ্ট রাজ্য-প্রতিনিধি।

ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে নির্বাচন বিহারের পরেই বাংলাকে বেছে নিতে পারে, এই আশঙ্কা থেকে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সুপ্রিম কোর্টে এই অভূতপূর্ব বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিহারে সশোধন প্রক্রিয়া শুরু হতেই পিটিশান দাখিল করেন আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা-ও।

পাশাপাশি, জাতীয় কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও নির্বাচন কমিশনের এই হঠাৎ নির্বাচনী তালিকা সংশোধনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন দায়ের করেছে। রাজনৈতিক দলগুলি ছাড়াও, নির্বাচন পর্যবেক্ষক নাগরিক সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রাইটসও এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতে আবেদন করে। আজ, ১০ জুলাই সকলের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট।

কেন বিতর্ক?

নির্বাচন কমিশন যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে, তা কমিশনের নির্দেশিকায় বা ম্যানুয়ালে নেই।

প্রতি বছর রাজ্যে রাজ্যে মৃত্যু, স্থানান্তর, নগরায়ণ বা নতুন ভোটারদের হিসাব রাখার জন্য ভোটার তালিকা সংশোধনের যে প্রক্রিয়া চলে, এই প্রক্রিয়া তার বিপ্রতীপে একদম পূর্ণাঙ্গ সংস্কার। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ ভোটার তালিকা নতুন করে তৈরি করে এই প্রক্রিয়ায়। কমিশন দাবি করছে, নির্বাচনী তালিকায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কারণে এই বিশেষ ধরনের সংশোধন আশু প্রয়োজ ন।

দ্য কালেক্টিভের পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, বিহারের ক্ষেত্রে কমিশনের এই যুক্তি একেবারেই সঠিক নয়। প্রতিবেদনটি এখানে পড়া যাবে।

গত বছরের বিহারে তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার পর তাতে উদ্বেগজনক কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়েনি। ওই নির্বাচনী তালিকার স্বচ্ছতার সূচক যেমন জনসংখ্যার সঙ্গে ভোটারের অনুপাত, ২০২৪, ২০২৩, ২০২২ এবং ২০২১ সালের চূড়ান্ত তালিকার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণই ছিল।

বিহারের মতো, পশ্চিমবঙ্গও নিয়মিত নির্বাচনী তালিকা সংশোধন করে আসছে। গত বছর এ রাজ্যে বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৫ সালের ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত নির্বাচনী তালিকা। বুথ-স্তরের আধিকারিকরাও নিশ্চিত করেছেন যে তারা এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন।

বিহারের খসড়া এবং চূড়ান্ত নির্বাচনী তালিকা উভয়ই নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের জানুয়ারির চূড়ান্ত তালিকা রাজ্য বা কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে খুঁজে পাওয়া যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়কে বুথ-স্তরের নাম সংযুক্তি ও বিয়োজনের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে তালিকায় নির্বাচকরা নিয়মিত আপডেট করেন। এগুলোও সর্বজনীনভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

তবে, দ্য কালেক্টিভ পশ্চিমবঙ্গের কিছু নির্বাচিত জেলার ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করেছে। সেসব নথি পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, এখন পর্যন্ত, ২০২৫ সালের জানুয়ারির তালিকাকে ইসিআই নিয়মিত আপডেটের জন্য বৈধ ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের কিছু নির্বাচিত জেলার ভোটার তালিকা"আমরা তো নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই কাজ শেষ করেছি। এখন যদি কমিশন বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নির্দেশ দেয় তাহলে বুঝতে হবে ২০২৫-এর তালিকা ত্রুটিপূর্ণ ধরে নিয়ে বাতিল করা হচ্ছে," বলছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিক।

"কেউ যুক্তি দিতে পারেন যে কয়েক দশক ধরে ধারাবাহিক ভাবে বার্ষিক পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় বিচ্যুতি ঘটেছে। তাই একটি নিবিড় সংশোধন করা প্রয়োজন। নিবিড় সংশোধন মানে প্রতিটি ভোটারকে নতুন করে নথিভুক্ত করা। কিন্তু, বিহারে যেভাবে এই কাজ করা হচ্ছে, তা মোটেও সমীচিন নয়। কেবলমাত্র কয়েক দশক পুরনো ভোটার তালিকায় থাকার কারণে একদল ভোটারকে বৈধ বলে গণ্য করা এবং বাকিদের নির্দিষ্ট নথিপত্রের ভিত্তিতে নতুন করে পরিচয় ও নাগরিকত্ব নপ্রমাণ করতে বলা যায় না," মন্তব্য দ্বিতীয় আধিকারিকের।

এই প্রতিবেদনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে প্রশ্ন পাঠানো হয়েছিল। মূল প্রতিবেদন এবং তার অনুবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। উত্তর পেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হবে।

(দ্য রিপোর্টার্স পরামর্শক্রমে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ এবং বিতরণ করছে ইনস্ক্রিপ্ট।)

লিখেছেন
Nitin Sethi
Nitin Sethi
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।