বারের স্বাদ এবার বাড়িতেই! কীভাবে বানাবেন বাহারি স্বাদের ককটেল

Festive Cocktail : উইকেন্ড জমে উঠুক সুস্বাদু ককটেলে

Kankana Mukherjee
২ মিনিট
বারের স্বাদ এবার বাড়িতেই! কীভাবে বানাবেন বাহারি স্বাদের ককটেল

আজ বছরের শেষ দিন। উৎসবের মেজাজ। আনকোরা বছরকে স্বাগত জানাতে পাড়ায় পাড়ায় জমজমাট আসর। খাওয়া দাওয়া, হুল্লোড় আর তার সঙ্গে পানীয়ের ফোয়ারা, একটা শেষ আর একটা শুরুর সন্ধিক্ষণ নিয়েই এতো উত্তাপ। গতকাল রাত থেকেই শহর এবং শহরতলির ‘লিকার শপ’ গুলোয় লম্বা লাইন, কথাই আবার অনলাইন ডেলিভারির ধুম। কিন্তু রেস্তোঁরা অথবা বারের দরজা ঠেলে ভিতরে যেতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না যেসব বাঙালি, তাদের ঘরোয়া আমোদ আহ্লাদে বাড়তি স্বাদ এনে দিতে পারে ককটেল... তাও আবার যদি হয় ঘরেই বানানো, তবে তো কোনও কোথায় নেই! ওখানেই বাজিমাত! বাড়িতে বসেই সুস্বাদু ককটেলের স্বাদ পেতে বেশ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন।

ককটেল তৈরির প্রধান বিষয় হল উপকরণগুলির সঠিক পরিমাণ। তাই প্রথম থেকেই পরিমাপের দিকে যথাযথ নজর রাখতে হবে। কোনোটা কম, কোনোটা বেশি হয়ে গেলেই গোলমাল হয়ে যেতে পারে স্বাদ। এমনকী ককটেল তৈরির পির তাকে সাজিয়ে পরিবেশন করার মধ্যেও লুকিয়ে থাকে আলাদা রসায়ন। তাই উৎসবের মরশুমে এক গ্লাস জমাটি স্বাদের ককটেল বানিয়ে নিতে নজর থাকুক এই প্রতিবেদনে।

চিলি-লেমন ককটেল :

উপকরণ - ৭-৮ টুকরো বরফ কুচি, ২ চা চামচ লেমন জুস, হাফ কাপ সোডা ওয়াটার, ১ চা চামচ বীট লবণ, ২টি চেরা কাঁচা লংকা, সামান্য কালোজিরা, ৪টি স্লাইস শশার টুকরো, ৪ চা চামচ সুগার সিরাপ, ১টি লেবুর রিং

চিলি-লেমন ককটেল

প্রণালী - প্রথমেই একটি কাঁচের গ্লাসে কয়েক কুঁচি বরফ নিতে হবে। এরপর প্রথমে গ্লাসে ২ চা চামচ লেবুর রস, হাফ কাপ পরিমাণ সোডা এবং স্বাদমতো বীট লবণ মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে নিতে হবে। এরপর তার মধ্যে একে একে সুগারসিরাপ, চেরা কাঁচালঙ্কা, কালোজিরা ইত্যাদি উপকরণগুলি দিয়ে দিতে হবে। আবারও ভালো করে শেক করে শশার স্লাইস গ্লাসের চার দিকে দিতে হবে৷ সব শেষে গ্লাসের ধারে লেবুর চাকা ও বাহারি স্ট্র দিয়ে ঐ পানীয় সাজিয়ে দিলেই তৈরী সুস্বদে হেল্দি চিলি লেমন ককটেল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১৩৫ বছর ধরে নেশার জল বেচছে কোকাকোলা? কীভাবে জন্ম নিল এই পানীয়, অবাক করবে যে ইতিহাস

History of Coca-Cola: নেশায় বুঁদ জন হুইস্কিতে সোডা মেশানোর পরিবর্তে কোকা আর কোলা বাদামের মিশ্রণে সোডা মিশিয়ে গ্লাসে চুমুক দেন। ব্যাস প্রথম চুমুকেই একপ্রকার ক্লিন বোল্ড হয়ে যান জন পেম্বারটন।

ব্ল্যাকবেরি ব্রাম্বল

উপকরণ-

বেরির জন্য: ২ কাপ ব্ল্যাকবেরি, ২ কাপ গুঁড়ো চিনি, ১ কাপ জল , ১টি দারচিনি কাঠি, ২টি লবঙ্গ৷

ব্রাম্বলের জন্য : ৬ আউন্স জিন , ২টি লেবুর রস , ২ আউন্স বেরি সিরাপ এবং ক্লাব সোডা৷

ব্ল্যাকবেরি ব্রাম্বল

প্রণালী - প্রথমে একটি ছোট পাত্রে বেরি , চিনি , জল , দারচিনি কাঠি , লবঙ্গ ঢেলে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিতে হবে৷ এবার ককটেল শেকারে একে একে জিন , লেবুর রস , বেরির সিরাপ মিশিয়ে ভালো করে শেক করে, একটি ছাঁকনির সাহায্যে পানীয়টি ছেঁকে নিতে হবে৷ এরপর গ্লাসে ঢেলে ইচ্ছেমতো সাজিয়ে পরিবেশন করলেই রেডি ব্ল্যাকবেরি ব্রাম্বল ককটেল।

এসপ্রেসো রাম :

উপকরণ - ৫০ মিলিলিটার হোয়াইট উইন্টার হাগস, ২৫ মিলি স্ট্রং কফি অথবা এসপ্রেসোর শট, ১৫ মিলি সুগার সিরাপ, ৩ -৪ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স, বরফ কুঁচি

এসপ্রেসো রাম

প্রণালী - ঝাঁকান, ছাঁকুন আর খান, ককটেলের এ তো সহজ উপায়। এক্ষেত্রেও তাই। প্রথমেই একটি ককটেল শেকারে হোয়াইট উইন্টার হাগস, স্ট্রং কফি, সুগার সিরাপ এবং কয়েক কুঁচি বরফ কুচি দিয়ে খুব ভালো করে শেক করে নিতে হবে। এরপর তাতে কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে আবারও খানিকটা নেড়ে নিয়ে একটি ঠাণ্ডা মার্টিনি গ্লাসে ছেঁকে নিলেই তৈরি এসপ্রেসো রাম ককটেল। ওপর থেকে কয়েকটা কফির বিন দিতে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ স্বাদের ককটেল।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।