নাৎসি জার্মানি থেকে FTII–SRFTI: ফিল্ম স্কুল কেন ক্ষমতার চোখে এত গুরুত্বপূর্ণ?
History of Film school's against Fasicsm: ১৯৩৩ সালে নাৎসিরা ভাঙচুর করেছিল বার্লিনের ফিল্ম স্কুল টনফিল্মশুলে। ১৯৩৫ সালে মুসোলিনি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন ইতালির ফিল্ম স্কুল সিএসসি। ২০১৫ সালে ভারতে পুনের এফটিআইআইতে মোদী সরকারের নিয়োগ বিষয়ক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৩৯ দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। ২০২৬-এ কলকাতার এসআরএফটিআইতে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ইট-পাথরের হামলা সেই ইতিহাসকেই পুনরাবৃত্ত করল। হামলার পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের উদ্দেশ্য আজও একই, স্বাধীন সাংস্কৃতিক চর্চাকে নিয়ন্ত্রণ করা। যদিও ইতিহাস বলে, ফিল্ম স্কুল কেবল একটি ভবন নয়, একটি ধারণা, একটি মতাদর্শিক বলয়।
ইতিহাসের পাতায় ফিল্ম স্কুলগুলি কখনওই স্রেফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না, এগুলি ছিল রাষ্ট্রের নিজের গল্প বলার কারিগর তৈরির কারখানা। ফ্যাসিবাদী শাসকরা এই সত্যটি যুগে যুগে ভালোভাবেই বুঝেছেন। জার্মানির নাৎসি শাসকরা ১৯৩৩ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই স্বাধীন চলচ্চিত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি ধ্বংস করতে শুরু করে; ইতালির ফ্যাসিস্টরা আরও ধূর্তভাবে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে ফিল্ম স্কুল দখল করে। ফ্রান্সে ভিশি সরকারও একই পথে হেঁটেছিল। ২০২৬ সালে, কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI)-এর বুকে শিক্...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








