‘দিমাগি নকশাল’ থেকে ‘ঘুসপেটিয়া’: মোদি যেভাবে অপরিকরণ করেন
From ‘Dimagi Naxal’ to ‘Ghuspethiya’: মোদীর ভাষণে ‘দিমাগি নকশাল’ বা ‘ঘুসপেটিয়া’-র মতো শব্দের ব্যবহার কীভাবে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি করে?
একজন মানুষ কতটা সমালোচনা করলে তিনি ‘দিমাগি নকশাল’ হয়ে যাবেন? কোনো খনি প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে? আদিবাসীদের উচ্ছেদ নিয়ে গবেষণা করলে? তীব্র সামাজিক বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুললে? মার্কসবাদ নিয়ে পড়াশোনা করলে? কোনো মাওবাদী সন্দেহভাজনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দাঁড়ালে? অথবা রাষ্ট্রের হাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকতা করলে?
স্বাধীনতার ৮০তম বছরে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভাষণের দিকে তাকালে এই প্রশ্নগুলি উঠে আসে। ভাষণের একদিকে উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা, প্রযুক্তি, ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে









