শাস্ত্র বলে নিরামিষাশী হতে?
ঋগ্বেদে আমরা যজ্ঞকেন্দ্রিক এক সমাজের ছবি পাই। সেখানে ঘি, দুধ ও সোমরসের পাশাপাশি পশুবলির স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। বহু ঋগ্বৈদিক যজ্ঞে পশুবলি ছিল একটি স্বীকৃত আচার। অর্থাৎ, আমাদের প্রাচীনতম বেদেই আমিষ আহারকে ‘অধর্ম’ বলে বাতিল করা হয়নি। বরং তৎকালীন জীবনব্যবস্থা ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সেই সময়ের খাদ্যসংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। ঋগ্বেদে (১.১৬২ সূক্ত) যজ্ঞে পশুবলির বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়।
হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির অন্যতম কৌশল হলো শাস্ত্রের দোহাই দিয়ে নিজস্ব মতাদর্শকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু শাস্ত্র পাঠের ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। বেদ, উপনিষদ কিংবা পুরাণ—কোনোটিই মানুষের খাদ্যাভ্যাসকে একক কোনো ছাঁচে বাঁধার চেষ্টা করেনি। বরং শাস্ত্রসমূহ মানুষের জীবনযাপনকে সময়, দেশ এবং শারীরিক প্রয়োজন অনুযায়ী বিবেচনার কথাই বলেছে।
ঋগ্বেদে আমরা যজ্ঞকেন্দ্রিক এক সমাজের ছবি পাই। সেখানে ঘি, দুধ ও সোমরসের পাশাপাশি পশুবলির স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। বহু ঋগ্বৈদিক যজ্ঞে পশুবলি ছিল একটি স্বীকৃত আচার। অ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






