ত্রিপুরা কি বামের না রামের? সারা দেশের নজর আজ বাংলার পড়শি রাজ্যে
Tripura Election : মোট ভোটার ২৮.১৩ লাখ, প্রার্থী সংখ্যা ২৫৯, এক ঝলকে জেনে নিন ত্রিপুরা ভোটের সমস্ত খুঁটিনাটি

সকাল থেকেই শিরোনামে ত্রিপুরা। আজ সেখানে হাই ভোল্টেজ নির্বাচন। বাঙালি অধ্যুষিত বলেই ত্রিপুরার ভোটে বাংলার একটা ছাপ মিলতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে ইতিমধ্যে। বাংলার উন্নয়ন মডেলকে সামনে রেখেই এবারে ত্রিপুরায় ভোট লড়ছে তৃণমূল। অপরদিকে রয়েছে লাল এবং গেরুয়া শিবিরও। ভোট প্রক্রিয়াকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে যাবতীয় ব্যবস্থা বজায় রেখেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ৬০ আসনে ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে বলে মত রাজনৈতিক মহলের অনেকেরই। বিজেপি ও তার সহযোগী আইপিএফটির সঙ্গে বাম কংগ্রেসের জোর টক্কর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে তিপরা মোথাকে ঘিরে ভাবাবেগ।
সকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। কমিশন সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে ৩৩৩৭টি বুথে ভোট হবে। ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিভিন্ন দলের মোট ২৫৯ জন প্রার্থী। এরই মধ্যেই প্রায় ১১০০টি বুথ রয়েছে যেগুলোর ভোট নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা চলছে জোর কদমে। পাশাপাশি আরও ২৮টি বুথ রয়েছে যেগুলো অতি মাত্রায় ক্রিটিক্যাল। ভোট নিরাপত্তায় নামানো হয়েছে ৪০০ টি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের বাইরে এবং এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ত্রিপুরা পুলিশ। সব মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৮.১৩ লাখ। এর মধ্যে মহিলা ভোটের সংখ্যা ১৩.৯৮ লাখ এবং পুরুষ ভোট ১৪.১৪ লাখ।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Tripura Assembly Election 2023: রাজ্য ভাগাভাগি না করেই সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই আদিবাসীদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যবস্থা করতে চায় বামেরা।
২০১৮ এর শেষ নির্বাচনে দারুণ ফল করেছিল বিজেপি। দুই দশকের বাম শাসনের যবনিকা পতন ঘটেছিল তাদের হাত ধরেই। এবার সেই গেরুয়া বাহিনীকে টলাতে তাই জোট বেঁধেছে বাম এবং কংগ্রেস শিবির। অন্যদিকে, এবারই প্রথম রাজ্য স্তরে ভোট লড়ছে তৃণমূল। এর আগে গত পুরসভা ভোট প্রথম নিজের অস্বিত্ব জানান দিয়েছিল তারা। সেখানেই মিলেছিল দারুণ ফল। প্রথমবার প্রতিযোগিতায় নেমেই মোট ৬০টি আসনের মধ্যে ২৮ টি আসন দখল করেছিল তারা। ফলে এবারে এই ত্রিপুরা ভীত হয়ে চলেছে ত্রিমুখী সংগ্রাম বলাই বাহুল্য। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে বিকেল অবধি।
হাইভোল্টজ এই ভোটের ফলাফল আগামী ২ মার্চ। ত্রিমুখী লড়াইয়ে এবার কোন দিকের পাল্লায় ভার বেশি হতে চলেছে সেই উত্তর দিতে পারবে সময়। গত বারের মতো এবারেও কি নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে পারবে বিজেপি? নাকি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধাতেই হবে জাদু, আবারও পুরনো গৌরব ফিরে পাবে বামেরা! নাকি এই সব অঙ্ক মিথ্যে করে দেবে তৃণমূলের ভোট ব্যাংক? পুরোভোটের হিসেবে আরও খানিকটা শান দিয়ে তারাই কি এবার উঠে আসতে পারে ক্ষমতায়? এই সব প্রশ্নের জট পেকেছে ইতিমধ্যেই। আপাতত গোটা দেশ আজ তাকিয়ে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার দিকেই।





