শেষ জীবনে কেন সাঁওতালদের মধ্যেই আশ্রয় খুঁজেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর?
Ishwar Chandra Vidyasagar: ইহজাগতিকতা, কাণ্ডজ্ঞান ধুতি-চাদরের বিদ্যাসাগরকে ভদ্রলোকের সীমা থেকে বিমুক্ত করেছিল। স্বাভাবিক সহজ দেহবোধের অধিকারী বিদ্যাসাগর শেষ জীবনে অনায়াসে সাঁওতাল-সমাজের অন্তর্গত হয়েছিলেন।
বিদ্যাসাগরকে বাঙালি ভদ্রলোকেরা শ্রদ্ধা করেন। সমালোচনাও। সেই শ্রদ্ধা আর সমালোচনা ভদ্রজনের স্বার্থকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। বিদ্যাসাগর নিজেও ভদ্রলোক শ্রেণির মানুষ। ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কলিকাতা কমলালয় গ্রন্থে যাঁদের দরিদ্র ভদ্রলোক বলে চিহ্নিত করেছিলেন বিদ্যাসাগরের পিতা সেই শ্রেণির মানুষ। পুত্র ঈশ্বর পড়াশোনা করে যাতে যথেষ্ট উপার্জন করতে পারেন সে বিষয়ে ঠাকুরদাসের নজর ছিল তীক্ষ্ণ। পুত্রকে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করেছিলেন কাণ্ডজ্ঞান ও বাস্তব বিবেচনাবোধ থেকেই। হিন্দু কলেজের পড়ুয়ারা সামাজিক বিধি-নিষেধ তোয়াক...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








