ইজরায়েল ভোট: ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু?
Benjamin Netanyahu: দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোটকে ধাক্কা দিয়েছে সাম্প্রতিক নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা।
ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোটকে ধাক্কা দিয়েছে সাম্প্রতিক নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা। তবে বিরোধীরা এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত দিলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তারা নিশ্চিত করতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। প্রাক্তন সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বে বিরোধী শিবির নতুন সরকার গঠনের দাবি তুললেও আরব দলগুলির সমর্থন ছাড়া সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হতে পারে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জনমতের ইঙ্গিত দিলেও তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনই নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা, তার পর গাজায় যুদ্ধ, লেবানন ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন এবং নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনের ভবিষ্যৎ নির্বাচনের কেন্দ্রে রয়েছে। ইজরায়েলের মানুষ কার্যত বিচার করেছেন, আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব কার হাতে থাকা উচিত।
নেতানিয়াহু প্রায় ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে ইজরায়েলের ক্ষমতায় রয়েছেন। তাঁর সমর্থকদের কাছে তিনি দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় অভিজ্ঞ নেতা। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, তাঁর নেতৃত্বে দেশ আরও বিভক্ত হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে এবং গাজার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়েছে। এই দুই বিপরীত রাজনৈতিক অবস্থানের সংঘাতই এবারের নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
ইজরায়েলের সংসদ নেসেটে মোট ১২০টি আসন রয়েছে। সরকার গড়তে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট এবং আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির—কোনো পক্ষই এককভাবে সেই সংখ্যায় পৌঁছতে পারেনি।
সমীক্ষার প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর লিকুদ দল প্রায় ২৭টি আসন পেতে পারে। অন্য দিকে, নেতানিয়াহুর বিরোধী দলগুলি মিলিয়ে প্রায় ৫১টি আসন পেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলি পেতে পারে প্রায় ১৮টি আসন। যদিও সমীক্ষার এই হিসাব চূড়ান্ত ফল নয়। অনুপস্থিত ভোট এবং অন্যান্য ভোট গণনার পর আসনসংখ্যায় পরিবর্তন হতে পারে।
এই ফলাফল থেকে স্পষ্ট, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক শক্তি কমলেও তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানো সহজ হবে না। কারণ, বিরোধী শিবিরে এমন একাধিক দল রয়েছে, যাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রশ্নে তারা একজোট হলেও সরকার গঠনের পর কোন নীতি অনুসরণ করবে, তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে।
আইজেনকট অবশ্য বুথফেরত সমীক্ষার ফল সামনে আসার পর পরিবর্তনের পক্ষে জনমত তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ইজরায়েলের মানুষ আগামী দিনের নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের মত জানিয়েছেন। তিনি নতুন সরকার গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন এবং দেশের মানুষের জন্য আশার নতুন যুগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা।
ইজরায়েলের এই নির্বাচনকে নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনের মূল্যায়ন হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইজরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। হামলায় প্রায় ১২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে পণবন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য এলাকাতেও। গাজা, লেবানন ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত ইজরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
নেতানিয়াহুর সমর্থকদের দাবি, কঠিন সময়ে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তিনি ইজরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করছেন বলে তাঁদের বক্তব্য। তাঁদের কাছে নেতানিয়াহু এমন এক নেতা, যিনি দেশের নিরাপত্তা এবং ইহুদি পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Israel-Palestine conflict: এক সপ্তাহ ধরে হাত ভেঙে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন নাজাল। এতদিন ধরে বারবার চিকিৎসার জন্য অনুরোধ করেও মেলেনি ফল।
কিন্তু বিরোধীদের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু হামাসের হামলার পর নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় এড়িয়ে গিয়েছেন। গাজায় যুদ্ধ এবং পণবন্দিদের মুক্তির প্রশ্নেও তাঁর সরকারের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার স্বার্থে নেতানিয়াহু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করেছেন। যদিও এই অভিযোগ নেতানিয়াহু সমর্থকেরা মানেন না। তাঁর বিরুদ্ধে চলা দুর্নীতির মামলাও নির্বাচনী বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইজরায়েলের নির্বাচনে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা। দেশের অধিকাংশ যোগ্য নাগরিককে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে হয়। কিন্তু অতি-ধর্মীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে।
বিরোধীদের অভিযোগ, দেশের নিরাপত্তা যখন ক্রমাগত সংঘাতের মধ্যে রয়েছে, তখন একাংশের জন্য সামরিক পরিষেবায় ছাড় এবং অন্যদের উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপানো ন্যায়সঙ্গত নয়। আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির এই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ইজরায়েলের ভাবমূর্তি উন্নত করার কথাও বলেছে তারা।
এই বিষয়গুলি ইজরায়েলের সমাজে বিদ্যমান বিভাজনকে সামনে এনেছে। এক দিকে ধর্মীয় রক্ষণশীল দলগুলি নিজেদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে চায়। অন্য দিকে, বিরোধী শিবিরের একাংশ মনে করে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান নিয়ম থাকা প্রয়োজন।
তবে এই প্রশ্নে বিরোধী দলগুলির মধ্যে কতটা ঐকমত্য রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেতানিয়াহুকে সরানোর পর নতুন সরকার এই বিষয়গুলিতে কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে, তা নির্ভর করবে জোটের গঠন এবং সংসদে তাদের শক্তির উপর।
এবারের নির্বাচনে ইজরায়েলের আরব নাগরিকদের ভোট বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ইজরায়েলের জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ আরব নাগরিক। তাঁদের অনেকেই ১৯৪৮ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সেখানে থেকে যাওয়া প্যালেস্টাইনি জনগোষ্ঠীর উত্তরসূরি। তাঁরা ইজরায়েলের নাগরিক হলেও বৈষম্যের অভিযোগ এবং প্যালেস্টাইনি জনগণের প্রতি তাঁদের সংহতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। ৭ অক্টোবরের হামলার পর এই সন্দেহ ও অবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলে।
বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলি প্রায় ১৮টি আসন পেতে পারে। ফলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তাদের সমর্থন নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে। আইজেনকটের বিরোধী শিবিরের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের একটি সম্ভাব্য পথ হল এই দলগুলির সঙ্গে সমঝোতা করা।
কিন্তু এখানেই রয়েছে রাজনৈতিক জটিলতা। বিরোধী শিবিরের সব দল আরব দলগুলির সঙ্গে সরকার গড়তে রাজি হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্য দিকে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলির উপর নির্ভর করে সরকার গঠনের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর শিবির এই ধরনের সমঝোতাকে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে তুলে ধরতে পারে।
অন্য দিকে, আরব দলগুলির নেতারা মনে করছেন, তাঁদের ভোটকে উপেক্ষা করার সুযোগ আর নেই। ইউনাইটেড আরব লিস্টের নেতা মনসুর আব্বাসের বক্তব্য, তাঁদের দল শুধু রাজনৈতিক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকতে চায় না। নির্বাচনে পাওয়া জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা দেশের রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চান।
এই পরিস্থিতি ইজরায়েলের রাজনীতিতে একটি বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নেতানিয়াহুকে সরানোর জন্য বিরোধীরা কি নিজেদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে আরব দলগুলির সঙ্গে সমঝোতা করতে পারবে? নাকি পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা শেষ পর্যন্ত কার্যকর হবে না?
গাজায় সামরিক অভিযানের কারণে আন্তর্জাতিক স্তরে ইজরায়েলের উপর চাপ বেড়েছে। আমেরিকায় ইজরায়েলের প্রতি জনসমর্থন কমেছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। গাজায় সংঘটিত কথিত অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানাও রয়েছে। তিনি অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নেতানিয়াহুর বিরোধীরা মনে করছেন, তাঁর সরকারের নীতির কারণে ইজরায়েল আন্তর্জাতিক স্তরে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাঁদের মতে, নতুন সরকার গঠিত হলে বিদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করা এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে সরকার পরিবর্তন হলেই গাজার সংঘাত, প্যালেস্টাইনি জনগণের ভবিষ্যৎ কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলির সমাধান হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ইজরায়েলের নির্বাচনে নিরাপত্তা ও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হলেও প্যালেস্টাইনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গাজার মানবিক বিপর্যয় তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে নেতানিয়াহুর বিরোধীরা ক্ষমতায় এলেও প্যালেস্টাইন প্রশ্নে তাদের নীতি কতটা বদলাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি সেই দলনেতাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন, যাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সাধারণত সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের নেতা এই সুযোগ পান। কিন্তু লিকুদ সবচেয়ে বড় দল হলেও নেতানিয়াহুর পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ জোট গঠন সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করবে অন্য দলগুলির সমর্থনের উপর।
একইভাবে, আইজেনকটের বিরোধী শিবিরকে শুধু বেশি আসন পেলেই চলবে না। সরকার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। সেই সমর্থন জোগাড় করা সম্ভব না হলে ইজরায়েল আবার রাজনৈতিক অচলাবস্থায় পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী বছরের গোড়ার দিকে নতুন নির্বাচনও হতে পারে। ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে ইজরায়েলে পাঁচবার নির্বাচন হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, জোটের অঙ্ক না মিললে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা চলতে পারে।
এবারের নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কিন্তু সেই অসন্তোষকে সরকার পরিবর্তনে পরিণত করতে বিরোধীদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আরব দলগুলির সমর্থন, ধর্মীয় রক্ষণশীল দলগুলির অবস্থান এবং বিরোধী শিবিরের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যই শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের পথ নির্ধারণ করবে।
ইজরায়েল আগামী দিনে আরও জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় রক্ষণশীল রাজনীতির দিকে এগোবে, নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নাগরিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন পথ খুঁজবে—সেই প্রশ্নের উত্তরও নির্ভর করছে পরবর্তী সরকার গঠনের উপর।






