গাজার মৃতদেহ থেকে হৃদপিণ্ড, যকৃত সত্যিই সরিয়ে নিচ্ছে ইজরায়েল? কারণ জানলে শিউরে উঠবেন

Israel-Hamas War: এরই মধ্যে আবার ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর এক অভিযোগ করেছে ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপ। তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনি শরীরগুলি থেকে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চুরি যাচ্ছে অহরহ।

Sohini Das
৩ মিনিট
গাজার মৃতদেহ থেকে হৃদপিণ্ড, যকৃত সত্যিই সরিয়ে নিচ্ছে ইজরায়েল? কারণ জানলে শিউরে উঠবেন

রকেটের পর রকেট, গুলির পর গুলিতে গোটা দেশটাকে এমনিতেই ছারখার করে দিয়েছে ইজরায়েল। গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজারে। তার মধ্যে একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে গাজার শিশুরা। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের মধ্যে পড়ে জখম হয়েছেন অন্তত ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি। যুদ্ধের আশি দিন কেটে গেলেও আগ্রাসন কমাতে নারাজ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকার। এরই মধ্যে ইজরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে উঠল আরও ভয়ানক অভিযোগ। যুদ্ধে নিহতদের শরীর থেকে নাকি অঙ্গ পাচার করছে ইজরায়েল? সম্প্রতি এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে গাজার ইউরো- মেডিটারেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপ।

গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালিয়েছিল প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তার পরেই হামাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধঘোষণা করে দেয় ইজরায়েল। গাজায় বন্ধ করে দেওয়া হয় জল,খাবার এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবা। একের পর এক এলাকায় চলতে থাকে রকেট হামলা। গির্জা, হাসপাতাল থেকে স্কুল, কোনও কিছুই বাদ যায়নি ইজরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থেকে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু। গোটা বিশ্বের অধিকাংশ দেশের যুদ্ধবিরতির দাবিই কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। বরং মুহুর্মুহু বাড়িয়ে গিয়েছে হামলার প্রাবাল্য। নিশানা করা হয়েছে একাধিক শরণার্থী শিবিরকে। ইজরায়েলের লাগাতার হামলার মুখে কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে গাজা। শুধু গাজাই নয়, ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক ও প্যালেস্টাইনের একাধিক এলাকায় আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি সেনা।

এরই মধ্যে আবার ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর এক অভিযোগ দায়ের করেছে গাজায় কাজ করা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপ। তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনি শরীরগুলি থেকে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চুরি যাচ্ছে অহরহ। গাজায় উপস্থিত বেশ কয়েকজন চিকিৎসক সম্প্রতি বেশ কয়েকটি যুদ্ধে নিহত শরীর পরীক্ষানিরিক্ষা করেছে। স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাটি জানিয়েছে যে তারা এ বিষয়টি গোটাটাই ডকুমেন্টেড করেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে উত্তর গাজার আল শিফা ও ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালগুলি থেকে একগুচ্ছ ফিলিস্তিনি মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করছে ইজরায়েলি সেনা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দিল্লির ইজরায়েলি দূতাবাসে 'হামলা' ঘিরে আতঙ্ক! কোন রহস্য পতাকা মোড়া ওই চিঠিতে?

Explosion near Israel embassy in New Delhi: ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভের তরফে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে একটি নির্দেশিকা। সতর্ক করা হয়েছে ভারতে বসবাসকারী ইজরায়েলিদের।

মেডিক্যাল ওই বিশেষজ্ঞ দল জানিয়েছে, পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ওই সব মৃতদেহগুলি থেকে হাপিস হয়ে গিয়েছে যকৃত, কিডনি, হৃদপিণ্ডের মতো একাধিক অঙ্গ। শুধু কি তাই, কানের ককলিয়ার ও চোখের কর্নিয়া পর্যন্ত হাপিস হয়ে গিয়েছে মৃতদেহগুলি থেকে। ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপের তরফে দাবি করা হয়েছে, ফিলিস্তিনি মৃতদেহ থেকে যে অঙ্গচুরির মতো গুরুতর অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা, তার প্রমাণ তারা হাতে হাতে পেয়েছে। শুধু হাসপাতাল থেকেই যে মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে তা-ই নয়, এমনকী গণকবর খুঁড়ে মৃতদেহ তুলে এনে সেখান থেকে অস্ত্রোপচার করে চুরি করে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।

তবে বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, শুধুমাত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই অঙ্গচুরির ব্যাপারটি প্রমাণ করা কঠিন। কারণ মৃত্যুর আগেও একাধিক দেহের অস্ত্রোপচার হয়েছে গাজার হাসপাতালগুলিতে। তেমনটাই জানাচ্ছেন গাজার ওই সব হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তাছাড়া গাজায় যে ধরনের বিধ্বংসী হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল, তাতে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলিও পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার অবস্থায় নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ছিন্নভিন্ন স্তন, গুঁড়িয়ে গিয়েছে কোমর! হামাসের কবলে যেমন ছিলেন ইজরায়েলি বন্দিরা

Hamas-Israel Conflict: অক্টোবর যে ধ্বংসলীলা ইজরায়েলে চালিয়েছিল হামাসরা, তাতে অসংখ্য মহিলার মৃতদেহ মিলেছিল, যাঁদের শরীরে ভয়ঙ্কর যৌন লালসা পূরণের চিহ্ন দেখা গিয়েছে।

আজ থেকে নয়, ইজরায়েলের বিরুদ্ধ এই ধরনের অঙ্গচুরির অভিযোগ আজকের নয়। বহু বছর ধরেই ফিলিস্তিনি মৃতদেহগুলি থেকে বেআইনি ভাবে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করে আসছে। ইজরায়েলি চিকিৎসক মেরা ওয়েইস তাঁর 'ওভার দ্য ডেড বডিজ' বইতে দাবি করেছিলেন, ১৯৯৬ ও ২০০২ সালের মধ্যে মৃত ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অঙ্গগুলির মধ্যে বেশ কিছু ইজরায়েলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে। কিছু ইজরায়েলি রোগীদের শরীরে প্রতিস্থাপিত হয়েছে। অবশ্য় এর নেপথ্যে রয়েছে একটি ইহুদি আইনও। তাদের আইন অঙ্গ প্রতিস্থাপন ও মৃতদেহ থেকে অঙ্গ সংগ্রহের অনুমতি দেয়।

২০১৪ সালেও একই অভিযোগ উঠেছিল ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। ইজরায়েলের টেলিভিশনের একটি বিতর্কিত তদন্তে উচ্চপদস্থ এক কর্তা স্বীকারও করে নিয়েছিলেন সেই অভিযোগ। জানা গিয়েছিল, মৃত ফিলিস্তিনি ও আফ্রিকান কর্মীদের মৃতদেহ থেকে চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল ইজরায়েলিদের চিকিৎসার জন্য। পুড়ে যাওয়া জখম সেনাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছিল শরীরের ওই অংশ। ইজরায়েলি স্কিন ব্যাঙ্কের কর্ণধার জানিয়েছেন, সে দেশে মানব ত্বকের সঞ্চয় পৌঁছেছে ১৭ বর্গমিটারে। ইজরায়েলি জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে ত্বক ইতিমধ্যেই সঞ্চয় করা রয়েছে সেখানে।

মার্কিন সিএনএন নেটওয়ার্কের ২০০৮ সালের একটি তদন্ত অনুসারে, বেআইনি মানব অঙ্গ বাণিজ্যের বিরাট বড় কেন্দ্র ইজরায়েল। ইউরো-মেড মনিটর গ্রুপ বারংবার ইজরায়েলকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। যুদ্ধে নিহতদের মৃতদেহের সম্মান ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে। ১৯৪৯ সালের চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনে যুদ্ধে মৃতদের মর্যাদা-রক্ষার কথা তোলা হয়েছিল। যদিও সেই বিষয়টি অনুমোদন করেনি ইজরায়েল।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির অভিযোগ, গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযানে নিহত কয়েক ডজন ফিলিস্তিনিদের দেহাবশেষ নিজেদের কাছে জমিয়ে রেখেছে নেতানিয়াহুর দেশ। তার মধ্যে কিছুটা রেড ক্রস আন্তর্জাতির কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হলেও পুরোপুরি হয়নি বলেই অভিযোগ। আর এ নতুন কথা নয়। এভাবে ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ জমিয়ে রাখার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে ইজরায়েল। আর ইজরায়েল-গাজা এই সঙ্কটের মধ্যে যা প্রবল উদ্বেগের ও লজ্জাজনক বলেই মনে করছে বিশ্বের তাবড় মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।