প্রমথেশ বড়ুয়া: তিনি কি দেবদাসকে বানিয়েছিলেন, নাকি নিজেই ছিলেন দেবদাস?
Pramathesh Chandra Barua: সমাজতাত্ত্বিক ও মনোবিশ্লেষক আশীষ নন্দী তাঁর An Ambiguous Journey to the City বইয়ের “The City as the Invitation to an Antique Death” অধ্যায়ে দেখিয়েছেন, প্রমথেশ বড়ুয়া কেবল একজন অভিনেতা বা নির্দেশকই ছিলেন না; বরং তিনি হয়ে উঠেছিলেন গ্রাম থেকে নগরে বহুকথিত আখ্যানের নায়কের যাত্রাপথের বেদনার একটি রূপক। যেন বড়ুয়ার নিজের জীবন আর তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি পরস্পরকে গ্রাস করে একাকার হয়ে গিয়েছিল।
১৯৫১ সালের ২৯ নভেম্বর। শীতের সকালে কলকাতার রাস্তায় নেমে এল এক অদ্ভুত শোকমিছিল। কফিনে শায়িত একজন ভগ্নদেহী মানুষ, যাঁর চোখের পাতা চিরতরে বুজে এসেছে মাত্র একচল্লিশ বছর বয়সে। তাঁর অলৌকিক টানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নেমে এলেন রাস্তায়—কারো চোখে জল, কারো ঠোঁটে ফিসফিস, ‘এই সেই দেবদাস’। সত্যিই যেন শরৎচন্দ্রের অমর উপন্যাসের শেষ দৃশ্য বাস্তবে ফিরে এল: প্রিয়তমার গ্রামের সীমানায় পৌঁছনোর আগেই নায়কের মৃত্যু, আর দূর থেকে ভেসে আসছে ‘দেবদাস’-এর প্রতি পার্বতীর আর্তি। ইহজগতের দেবদাস শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন এই নগরীর...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







