বিষ্ণুপুরের পাশেই আর এক মন্দিরভূমি, অথচ ইতিহাসের পাতায় পুরুলিয়া এত উপেক্ষিত কেন?
Purulia temple architecture: এত কম পরিসরে এতগুলি মন্দির দেশ তথা বিদেশেও বিরল। বেগলারের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এখানে মোট ২২টি মন্দির ছিল। অথচ এত বড় একটি মন্দিরক্ষেত্র চিরতরে হারিয়ে গেল আধুনিক মানুষের আগ্রাসী মনোভাবের জন্য। ১৯৫৫-৫৬ সালে ডিভিসির পাঞ্চেৎ জলাধার নির্মাণের সময় কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করেই জলের অতলে নিমজ্জিত করা হলো মন্দিরক্ষেত্রটিকে।
মল্লরাজাদের রাজধানী বিষ্ণুপুর ‘মন্দির নগরী’র আখ্যা পেলেও বরাবর উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে তার পার্শ্ববর্তী পুরুলিয়া জেলা। অথচ বাংলার মন্দির স্থাপত্যের এক সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এই জেলায়।
পুরুলিয়ায় অবস্থিত কয়েকটি মন্দির নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন কর্নেল ই. টি. ডালটন। ১৮৬৪-৬৫ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘Notes on a Tour in Manbhoom’ গ্রন্থে আড়ষা থানার অন্তর্গত দেউলঘাটার মন্দিরের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। ইটের তৈরি তিনটি মন্দিরের নিখুঁত গড়ন বিস্মিত করেছিল ডালটনকে। মন্দিরগুলির নির্মাণকাল মূ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








