থিয়েটার কি কেবল বিনোদন, নাকি প্রতিরোধেরও ভাষা?
একদিকে রবীন্দ্রসদন বা অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস, যেগুলি এখন প্রোসেনিয়াম থিয়েটারের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে সেই একই চত্বরে অবস্থিত রানু ছায়া মঞ্চ, যা একটি উন্মুক্ত পারফরম্যান্স স্পেস হওয়া সত্ত্বেও নাগরিক নজরে প্রায় অদৃশ্য। অথচ সাম্প্রতিক ‘রিক্লেইম দ্য নাইট’ আন্দোলনের সময় এই চত্বরটিই হয়ে উঠেছিল প্রতিবাদ, গান, কবিতা ও শরীরী উপস্থিতির এক বিকল্প মঞ্চ।
ঔপনিবেশিক আধুনিকতার হাত ধরে উনিশ শতকের কলকাতায় যে নতুন নাগরিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তার অন্যতম প্রধান অঙ্গ ছিল প্রোসেনিয়াম থিয়েটার। ইউরোপীয় নাট্যমঞ্চের আদলে তৈরি এই থিয়েটার খুব দ্রুতই ইংরেজি-শিক্ষিত ভদ্রলোক সমাজের কাছে সাংস্কৃতিক আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে ওঠে। চাকচিক্যময় মঞ্চ, আলোকসজ্জা, বাস্তবধর্মী সেট আর ব্যয়বহুল টিকিট— সব মিলিয়ে থিয়েটার এক ধরনের উচ্চবিত্ত বা এলিট শিল্পরূপে প্রতিষ্ঠা পায়।
কিন্তু আভিজাত্যের এই প্রসারের সঙ্গেই বাংলার বহু প্রাচীন লোকায়ত ঐতিহ্য ধীরে ধীরে প্রান্তিক হয়ে পড়তে থাকে...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








