রাখিগড়ি সভ্যতার যে ছবি উঠে এসেছিল খননের পর

এখানকার রাস্তাগুলি ছিল গ্রিড প্যাটার্নের (চৌকো ছক কাটা) এবং প্রায় ১.৯২ মিটার চওড়া। পোড়া ইটের বাড়ি, জল পাসের জন্য চমৎকার নর্দমা ব্যবস্থা, কুয়ো এবং জল ধরে রাখার জন্য বড় জলাশয় পাওয়া গিয়েছে। ঠিক যেন আজকের কোনো আধুনিক পরিকল্পিত শহর!

inscript
২ মিনিট
রাখিগড়ি সভ্যতার যে ছবি উঠে এসেছিল খননের পর

Aryan Invasion Theory is a myth. কিছু মানুষ আমাদের পরাধীন করে শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে, তোমরা সভ্য ছিলে না, বাইরে থেকে আর্যরা এসে তোমাদের শিক্ষিত করে চলে গিয়েছে। কিন্তু আজ রাখিগড়ি সভ্যতার পর প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে, Aryan Invasion Theory is a myth. ৩০ বছর আগে পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববদ্যালয়ে যা পড়ানো বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আজও সেই পাঠ্যক্রমের মধ্যে আমরা আছি।

সম্প্রতি এক বক্তৃতায় বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য রাখিগড়ির খননকার্যের প্রসঙ্গ টেনে ‘আর্য আক্রমণ তত্ত্ব’ বা Aryan Invasion Theory-কে একটি মনগড়া গল্প বা ‘মিথ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভারতীয়রা বাইরে থেকে আসা কোনো গোষ্ঠীর হাত ধরে সভ্য হয়নি, বরং এই সভ্যতা একান্তই এ দেশের নিজস্ব।

শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্যের পর অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে— কী এই রাখিগড়ি সভ্যতা? কেন এই প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যকে ভারতীয় ইতিহাসের এক মহাবিপ্লব বলা হচ্ছে?

কী এই রাখিগড়ি সভ্যতা?

সহজ কথায়, রাখিগড়ি হলো আমাদের চেনা সিন্ধু সভ্যতা বা হরপ্পা সভ্যতারই একটি অংশ। ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের হিসার জেলায় এই প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটটি অবস্থিত। এতদিন পর্যন্ত আমরা জানতাম হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোই হলো এই সভ্যতার সবচেয়ে বড় শহর। কিন্তু রাখিগড়ির আবিষ্কার সেই ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা রাখিগড়ি হলো গোটা সিন্ধু সভ্যতার বৃহত্তম নগরী। এটি হরপ্পা বা মহেঞ্জোদারোর চেয়েও আকারে অনেক বড়। ঘগ্গর-হাকরা নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই প্রাচীন শহরটি প্রমাণ করে, সিন্ধু সভ্যতা কেবল সিন্ধু নদের পারেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তার বিস্তার ছিল আরও অনেক গভীরে।

আবিষ্কার ও খনন

রাখিগড়ির ইতিহাস মাটির নিচ থেকে তুলে আনার কাজটি একদিনে হয়নি। ১৯৬৩ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক সুরজ ভান প্রথম এই ঐতিহাসিক স্থানটি চিহ্নিত করেন। তখন অবশ্য খুবই সীমিত আকারে খনন হয়েছিল। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া’ (ASI)-র অমরেন্দ্র নাথের নেতৃত্বে এখানে বড় আকারে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। এরপর ২০১২-২০১৬ এবং ২০২১ সালের পর থেকে পুনের ডেকান কলেজ ও অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় আবার খননকাজ শুরু হয়, যা আজও চলছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দমদমের ‘বুড়ো কোঠি’: ক্লাইভের বাড়ি নাকি ২৯০০ বছরের হারানো নগরীর ধ্বংসাবশেষ!

খননকার্যে প্রমাণিত হয়েছে, আজ থেকে প্রায় ২৯০০ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্ব ৯০০ অব্দে) এই স্থানে মানুষের নিয়মিত বসবাস ছিল। অর্থাৎ, জব চার্নক কলকাতা শহর আবিষ্কার করার অনেক অনেক আগে থেকেই এখানে এক উন্নত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, রাখিগড়িতে প্রাক-হরপ্পা, পূর্ণ হরপ্পা এবং উত্তর হরপ্পা— এই তিনটি স্তরেরই প্রমাণ রয়েছে। অর্থাৎ, যিশুখ্রিস্টের জন্মের প্রায় সাড়ে ছয় থেকে ছয় হাজার বছর আগে (৬৫০০-৬০০০ BCE) এই সভ্যতার সূচনা হয়েছিল এবং ২৬০০ থেকে ১৯০০ BCE-র মধ্যে এটি উন্নতির শিখরে পৌঁছেছিল।

মাটির নিচ থেকে কী কী বেরিয়ে এল?

রাখিগড়ির মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল এক অত্যন্ত আধুনিক ও সুপরিকল্পিত নগর সভ্যতা। খননকার্যের ফলে যে প্রধান জিনিসগুলি সামনে এসেছে, তা নিচে দেওয়া হলো:

  • অপূর্ব নগর পরিকল্পনা: এখানকার রাস্তাগুলি ছিল গ্রিড প্যাটার্নের (চৌকো ছক কাটা) এবং প্রায় ১.৯২ মিটার চওড়া। পোড়া ইটের বাড়ি, জল পাসের জন্য চমৎকার নর্দমা ব্যবস্থা, কুয়ো এবং জল ধরে রাখার জন্য বড় জলাশয় পাওয়া গিয়েছে। ঠিক যেন আজকের কোনো আধুনিক পরিকল্পিত শহর!

  • কারখানা ও অলংকার: এখানে মণি-মাণিক্য বা দামি পাথর কাটার বড় কারখানা (lapidary) পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া সোনা, রুপো, তামা ও ব্রোঞ্জের নানা সামগ্রী, মাটির পুতুল, সিলমোহর এবং বাটখারা উদ্ধার হয়েছে, যা উন্নত ব্যবসা-বাণিজ্যের ইঙ্গিত দেয়।

  • প্রাচীন কবরস্থান: রাখিগড়ির ‘মাউন্ড ৭’ নামের ঢিবি থেকে একটি বড় কবরস্থান পাওয়া গিয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৪৬টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহগুলির মাথা উত্তর দিকে করে শোয়ানো ছিল এবং কবরের ভিতরে তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের মৃৎপাত্র ও জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিছু নারী কঙ্কালের হাতে শাঁখের চুড়ি এবং সোনার গয়নাও দেখা গিয়েছে।

রাখিগড়ির ডিএনএ (DNA) রহস্য

রাখিগড়ি আবিষ্কারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হলো এখানকার কঙ্কালের ডিএনএ পরীক্ষা। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ‘Cell’ জার্নালে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়। বসন্ত শিন্দে, নীরজ রাই এবং হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ডেভিড রাইখের মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীরা এই গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

ভারতের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে হাজার বছরের পুরনো কঙ্কালের ডিএনএ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে একটি নারী কঙ্কাল (আইডি: I6113) থেকে সফলভাবে প্রাচীন ডিএনএ (aDNA) সংগ্রহ করতে পারেন। এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই হরপ্পাবাসীর জিন বা বংশগত উপাদান মূলত প্রাচীন দক্ষিণ এশিয়ার শিকারী-সংগ্রাহক (Hunter-gatherer) এবং ইরানীয় অঞ্চলের একটি আদিম গোষ্ঠীর মিশ্রণ। তবে এই ইরানীয় গোষ্ঠীটি মূল ইরানের কৃষকদের চেয়ে প্রায় ১২,০০০ বছর আগেই আলাদা হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ, তারা এ দেশেরই আদি বাসিন্দা।

সবচেয়ে বড় বিষয়, এই ডিএনএ-তে তথাকথিত ‘আর্য জিন’ বা সেন্ট্রাল এশিয়ান স্টেপ (Steppe) অঞ্চলের যাযাবরদের কোনো জেনেটিক মার্কার (যেমন R1a1) পাওয়া যায়নি।

এই রাখিগড়ির নারীর জিনোমের সঙ্গেই আজকের আধুনিক দক্ষিণ এশিয়ার (বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের) মানুষের জিনের সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে।

কেন এই আবিষ্কার এত বিতর্কিত ও গুরুত্বপূর্ণ?

এতদিন ধরে আমাদের স্কুল-কলেজের ইতিহাসের বইতে পড়ানো হতো যে, ভারতের আদি সভ্যতা হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো ধ্বংস হয়েছিল বাইরে থেকে আসা ‘আর্যদের’ আক্রমণে। বলা হতো, আর্যরাই বাইরে থেকে এসে ভারতকে উন্নত করেছে।

কিন্তু রাখিগড়ির এই একটিমাত্র কঙ্কালের ডিএনএ প্রমাণ করে দিল যে, হরপ্পা সভ্যতার রমরমার সময়ে (Mature Harappan period) বাইরে থেকে কোনো বড় ধরনের অভিবাসন বা আক্রমণ হয়নি। এখানকার মানুষ স্থানীয়ভাবেই চাষবাস, নগরায়ণ এবং সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়েছিল।

যদিও বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে একটিমাত্র নমুনার উপর ভিত্তি করে পুরো সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন এবং স্টেপ অঞ্চলের মানুষের আগমন হয়তো হরপ্পা সভ্যতার পতনের পর (Late Harappan period) ঘটেছিল, তাও এই আবিষ্কার ‘আর্য আক্রমণ তত্ত্ব’কে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা মূলত এই বিজ্ঞানসম্মত সত্যটিকেই তাঁদের বক্তৃতায় তুলে ধরছেন— ভারতীয় সভ্যতার প্রাচীনত্ব, মৌলিকত্ব এবং গৌরবকে প্রমাণ করার জন্য।

রাখিগড়ি আমাদের শিখিয়েছে, ভারতের ইতিহাস ধার করা কোনো ইতিহাস নয়; মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা আমাদের শিকড়টি অত্যন্ত শক্ত এবং সম্পূর্ণ নিজস্ব।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সুকুমার রায়ের সঙ্গে চার্লি চ্যাপলিনের ভীষণ মিল পাই: স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

Sukumar Ray Literature: কেউ যদি অনেক বড় বয়সেও ছোট থাকতে চায়— যেমন আমি বলি যে আমার বয়স বাড়েনি— আর যদি নিজের বয়সটাকে একই জায়গায় ধরে রাখতে ইচ্ছে করে, তবে মনে হয় সুকুমার রায়ের সমগ্র তাঁর সারাজীবন বিছানার পাশে গীতবিতানের মতোই চিরসঙ্গী হয়ে থাকতে পারে।

বাংলার দেশি খাসির মাংস থেকে চিংড়ি শুঁটকি, জিআই তকমার অপেক্ষায় কোন কোন খাবার?

GI Tag Registration: বাংলার দেশি খাসির মাংস, ইলিশের বিভিন্ন পণ্য ও চিংড়ি শুঁটকি জিআই স্বীকৃতি পেতে চলেছে। আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার আশা। কিন্তু জিআই তকমা কী এবং এই স্বীকৃতি পেলে বাংলার উৎপাদকদের কী লাভ হবে?

দীপাবলির আগে সোনা কিনবেন? কী বলছে বাজার?

Gold Price: দীপাবলির আগে সোনার দাম ২০% কমার পরও বড় জুয়েলাররা সোনা কিনছেন না কেন? এখনই কি সোনা কেনার সেরা সময়, নাকি দাম আরও কমবে?

ভারতীয় সিঙ্গল মল্টের উত্থান: যেভাবে বিশ্ববাজারে বাড়ছে দেশি হুইস্কির কদর

Indian single malt whisky: CIABC এবং বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি রিপোর্টের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে ২০২৫ সালে ভারতীয় ‘Made in India’ সিঙ্গেল মল্টের ডোমেস্টিক বিক্রি প্রায় ৫ লাখ কেস ছুঁয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।

ফ্লিপকার্টের চারটি অর্ডারেই এক মাসের নেটফ্লিক্স, নতুন অফারে কতটা লাভ সংস্থার?

Netflix Flipkart partnership: ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই যৌথ পথচলার কথা জানানো হয়। এর ফলে যোগ্য ফ্লিপকার্ট প্লাস সদস্যরা প্রতি মাসে ২৯৯ টাকা বা তার বেশি দামের চারটি নির্দিষ্ট অর্ডার করলে এক মাসের নেটফ্লিক্স মোবাইল সাবস্ক্রিপশন পেতে পারেন। এই সুবিধা ফ্লিপকার্ট, ফ্লিপকার্ট গ্রোসারি ও ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর কেনাকাটায় প্রযোজ্য।

মানুষের শরীরে ইতিহাসের দাগ এঁকেছিলেন যোগেন চৌধুরী

Jogen Chowdhury artist: কিছু শিল্পীর মৃত্যু হয়, অথচ তাঁদের শিল্পের ভিতর দিয়ে সময় কথা বলে যায়। যোগেন চৌধুরী সেই বিরল শিল্পীদেরই একজন।

‘ইতিহাসকে হিন্দু রাষ্ট্রের হাতিয়ার বানানো হচ্ছে’: রোমিলা থাপারের জরুরি সতর্কবার্তা

Sitaram yechury memorial lecture by romila thapar: ৯৪ বছর বয়সি ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার, দ্বিতীয় সীতারাম ইয়েচুরি স্মারক বক্তৃতায় দেখালেন, হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসচর্চা আসলে ঔপনিবেশিক মিথের উত্তরাধিকার। জেমস মিলের যুগবিভাজন থেকে ‘আর্য’ তত্ত্ব, হলদিঘাটের যুদ্ধের প্রকৃত অসাম্প্রদায়িক চরিত্র থেকে প্রাচীন ভারতের ইতিহাসবোধ, সবই তাঁর বক্তৃতায়, প্রমাণসহ উপস্থিত হলো।

মেষ নয়, হায়াডিস? ভ্যান গগের ‘স্টারি নাইট’ নিয়ে কী বলছে নতুন গবেষণা?

The Starry Night mystery: এর আগে দীর্ঘকাল ধরে ধারণা করা হতো যে ভ্যান গগের আঁকা ছবিটির উপরের অংশটি মেষ রাশির কোনো তারামণ্ডল। তবে, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত 'দ্য অ্যাকচুয়াল স্কাই অফ ভ্যান গগস স্টারি নাইট: এ মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিঅকনস্ট্রাকশন' নামক গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, ভ্যান গগের ছবির কেন্দ্রীয় পাঁচ তারার বিন্যাস মেষ রাশির সঙ্গে নয়, বরং হায়াডিস নক্ষত্রপুঞ্জের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মেলে।