ইস্টবেঙ্গলের জয়ে কোমা ভেঙে চোখ মেলেছিলেন শচীনকর্তা
S D Burman's love for East Bengal: শচীনকর্তার একমাত্র পুত্র ‘পঞ্চম’ বাবার কানের কাছে চিৎকার করে উঠলেন— “বাবা… ইস্টবেঙ্গল জিতসে… পাঁচ-শূন্য!” আর তারপরই ... যে মানুষটি নির্জীব পড়েছিলেন, যাঁর স্নায়ু কোনো ডাকে সাড়া দিচ্ছিল না—তাঁর চোখের কোণ সামান্য কেঁপে উঠল। ধীরে ধীরে শচীনকর্তা তাঁর অক্ষিপট মেলে তাকালে। ব্যাস, ওইটুকুই। এর পর আর কোনোদিন তিনি চোখ খোলেননি।
"বড়ী সুনী সুনী হ্যায়, জিন্দগী যে জিন্দগী..."
মুম্বইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে ঋষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ‘মিলি’ ছবির এই সুরটি কিশোর কুমারকে গাইয়ে শোনানোর পর পরই হঠাৎ নিথর হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েছিলেন সুরের জাদুকর। স্ট্রোক। তার পর টানা কয়েকটা সপ্তাহ মুম্বইয়ের হাসপাতালের আইসিইউতে নিস্পন্দ, নির্বাক এক শরীর—কোমায় আচ্ছন্ন শচীন দেববর্মণ। পরিবার, চিকিৎসক, গুণমুগ্ধ শ্রোতা—সবার কণ্ঠই সেখানে ব্যর্থ। ত্রিপুরার ফেলে আসা দিন, কুমিল্লার নদী আর লোকগানের কোনো কথাই সেই বন্ধ চোখের পাতা নাড়াতে পারেনি।
দিনটা ছিল ১৯৭৫ সালের ৩০ ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








