মান্টোর মেয়েরা: দেবী-ডাইনি কোনোটাই নন, রক্তমাংসের মানুষ
দেশভাগ মান্টোর সাহিত্যে নারীর উপর নেমে আসা চরমতম লাঞ্ছনার নাম। কিন্তু মান্টো কেবল ধর্ষণের বর্ণনা দেননি, তিনি লিখেছেন সেই নারী মনের ভাঙনের কথা। 'খোল দো' গল্পে সাকিনার চরিত্রটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ। দাঙ্গার পর যখন তার বাবা তাকে খুঁজে পায়, সাকিনা তখন প্রায় মৃত। ডাক্তার যখন বলেন "জানালা খুলে দাও" (খোল দো), সাকিনা যান্ত্রিকভাবে নিজের সালোয়ারের গিঁট খুলে দেয়।
সাদাত হাসান মান্টোর সাহিত্যে নারী কোনো বিমূর্ত ধারণা বা স্রেফ লাবণ্যের প্রতীক নয়; তারা রক্ত-মাংসের মানুষ। ঘাম আর কান্নার সমাহারে গড়া একেকটি জীবন্ত সত্তা। মান্টো যখন নারীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে কলম ধরেছেন, তখন তিনি সমাজ-নির্ধারিত ‘দেবী’ বা ‘ডাইনি’—এই দুই মেরুর বাইরের ধূসর এলাকাটিকে উন্মোচন করেছেন। তাঁর লেখার উপর বারবার অশ্লীলতার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই সব অভিযোগের জবাবে তিনি বলেছিলেন,
যদি আমার গদ্য নোংরা মনে হয়, তবে বুঝে নিন আপনাদের সমাজটাই নোংরা।
মান্টো আসলে নারীর সেই সব অনুভূতিকে শব্দ দিয়েছিলেন, যা...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








