সয়াবিনকে ‘সেরা প্রোটিন’ বানাল কারা এবং কেন?
Soybean myth: সয়াবিনকে দীর্ঘদিন ধরে ‘সেরা’ প্রোটিন হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু এই ধারণার আড়ালে রয়েছে ঔপনিবেশিক খাদ্যনীতি, কর্পোরেট স্বার্থ এবং বৈশ্বিক বাজারের প্রভাব। কীভাবে দেশজ খাদ্যসংস্কৃতি, ডাল, মাছ ও সরিষার তেলের জায়গা দখল করেছে সয়াবিন?
সয়াবিনকে একটি সার্বজনীন, বিজ্ঞানসম্মত ও নৈতিকভাবে নিরপেক্ষ প্রোটিন-উৎস হিসেবে উপস্থাপনের আড়ালে ঔপনিবেশিক ক্ষমতা, জ্ঞান ও সত্তার যে স্থায়ী কাঠামো সক্রিয়, তা ভারত ও বঙ্গদেশের ইতিহাস, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সমাজতত্ত্ব এবং নব্য-ঔপনিবেশিক অর্থনীতির ভেতর দিয়ে পর্যালোচনা করা যায়। সয়াবিন-প্রোটিনের মিথ কেবল পুষ্টি-সংক্রান্ত ভ্রান্তি নয়; এটি একটি আধিপত্যবাদী পরিকাঠামো, যা স্থানীয় প্রোটিন-বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করে, রাষ্ট্র–কর্পোরেট মৈত্রী বজায় রাখে, খাদ্যসংস্কৃতিতে প্রতীকী সহিংসতা চালায় এবং আন্তর্জাতিক আহরণী অর্...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








