‘হযবরল’-এর আড়ালে কী বলেছেন সুকুমার রায়?
Hajabarala analysis: সুকুমার রায়ের সাহিত্য সৃষ্টির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছিল বিশ শতকের প্রথম দুই দশকের ঔপনিবেশিক ভারত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ভারতীয় সমাজে রাজনৈতিক অসন্তোষ দ্রুত বাড়ছিল এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ক্রমশ ব্যাপক সামাজিক ভিত্তি অর্জন করছিল। ১৯১৯ সালের রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড, অসহযোগ আন্দোলনের উত্থান এবং ঔপনিবেশিক প্রশাসনের বিভিন্ন দমনমূলক পদক্ষেপ ভারতীয় রাজনৈতিক চেতনায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
বাংলা ননসেন্স সাহিত্যের স্রষ্টা হিসেবে সুকুমার রায় মূলত শিশুসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হলেও, তাঁর রচনার অন্তর্নিহিত ব্যঙ্গ, যুক্তিবিনির্মাণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শাসন নিয়ে সংশয় তাঁকে কেবল শিশুদের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখে না। তিনি অর্থহীনতাকে নিছক হাস্যরসের উপাদান করেননি; বরং প্রচলিত যুক্তি, সামাজিক বিধি এবং ভাষার নিরঙ্কুশ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার জন্য তাকে একটি স্বতন্ত্র শৈলীতে পরিণত করেছিলেন।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিশের দশকের গোড়ায় রচিত ‘হযবরল’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি উদ্ভট ও কল্পনাপ্রবণ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








