হিংসাই শেষ কথা নয়! স্বাধীনতার ইতিহাসকে অন্য চোখে দেখাবে 'দিল্লি চলো'

Theatre Review: 'নাট‍্য আনন'-এর 'দিল্লি চলো' প্রসঙ্গে কী বলছেন অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়?

Rajarshi Dhara
৪ মিনিট
হিংসাই শেষ কথা নয়! স্বাধীনতার ইতিহাসকে অন্য চোখে দেখাবে 'দিল্লি চলো'

'শ্রীমদ্ভগবদগীতা'-য় কৃষ্ণর প্রবচন ছিল, “অহিংসা পরম ধর্ম, ধর্মহিংসা তদৈব চ”। ভারত কিছু বছর আগে পর্যন্ত শ্লোকের প্রথম অংশের ওপর বেশি গুরুত্ব দিলেও সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতি শ্লোকের দ্বিতীয় অংশকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়।

কিন্তু ধর্মহিংসা বা হিংসার ধর্ম, এই বিতর্কিত বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই ভাবতে ক্ষেত্রে ‘ধর্ম' টা কিন্তু খুব গোলমেলে। ধর্ম মানেই তা সরাসরি ধর্মীয় বা 'Religious' না-ও হতে পারে। মানুষের নিজের কাজও ধর্ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যদি তার সঙ্গে হিংসা জড়িয়ে থাকে, তবে উক্ত শ্লোকের কোন অংশটি বেছে নিতে হবে? হিংসা আর অহিংসার এই ভেদরেখাটা কি অনন্তকাল ধরে খুবই সূক্ষ্ম ও আবছা একটি পর্দার আড়ালে রয়েছে?

খুব প্রকটভাবে না হলেও, প্রচ্ছন্নভাবে উৎপল দত্তর ‘দিল্লি চলো’ নাটকের বিভিন্ন পরতে পরতে মিশে আছে এই প্রশ্নগুলিই। সম্প্রতি 'অশোকনগর নাট্য আনন' চন্দন সেনের নির্দেশনায় এই নাটকের সফল মঞ্চায়ন ঘটিয়েছে। নাটকটি দেখার পর তার মূল বক্তব্যর ও প্রোপাগান্ডার জায়গাটি তো বটেই, তার সঙ্গে বারবার ভাবাতে পারে এই প্রচ্ছন্ন প্রশ্নগুলিও।

সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটারের মঞ্চে বারবার প্রাসঙ্গিকতার সঙ্গে ফিরে এসেছেন উৎপল দত্ত। তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ‘তিতুমীর’, ‘ব্যারিকেড’ ও আরও বিভিন্ন নাটক ক্রমাগত মঞ্চস্থ হওয়া। তবে ‘দিল্লি চলো’ সেই বৃত্তের মধ্যে থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কিছুটা ভিন্ন। ভিন্ন এর নির্মাণে, ভিন্ন এর বিষয় উপস্থাপনায়, ভিন্ন এর আখ্যানে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অতিমারীর পরেও প্রেক্ষাগৃহ পূর্ণ! বাংলা থিয়েটারে 'স্টার' নয়, 'কনটেন্ট'-ই আসল রাজা

ঋদ্ধি সেন বলছেন, "প্রথমত, মানুষ বাংলা থিয়েটার দেখে না, এই কথাটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। অতিমারীর পরবর্তীকালে অন্যান্য শিল্পমাধ্যম (মূলত সিনেমা) একটা সংকটের মুখোমুখি, মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে চাইছে না, বা দ্বিধা করছে।"

উৎপল দত্ত

'নাট্য আনন'-এর এই প্রযোজনার বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। যার মধ্যে অবশ্যই থাকবে আর্থার বেনানের চরিত্রে চন্দন সেনের মঞ্চে বাঘের মতো বিচরণ ও প্রদ্যুৎ মজুমদারের চরিত্রে শাক্য রায়ের শিকারীর মতো ক্ষিপ্রতা। তবে এই নাটকের দু'টি চরিত্র ও নাটকে তাঁদের অভিঘাত নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে হয়। একটি চরিত্র স্বামী সর্বানন্দ (পঞ্চানন বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়) ও দ্বিতীয়টি আজিজুল হক (ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়)।

জব্বর প্যাটেলের ‘ইন্ডিয়ান থিয়েটার’ তথ‍্যচিত্রে এবং নিজের কথায় ও লেখায় উৎপল দত্ত বারবার উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি একজন প্রোপাগান্ডিস। সেই প্রোপাগান্ডা ‘দিল্লি চলো’-তেও সমানভাবে আছে, বরং বেশি করেই আছে। কারণ এটি সাধারণ মঞ্চনাটক হিসেবে তিনি রচনা করেননি, রচনা করেছিলেন যাত্রা হিসেবে। সেখানে বক্তব‍্য কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই ‘আন্ডারলাইন’ করা, বেশ কিছুটা প্রকট। নাটকের ঘটনাপ্রবাহ নিজস্ব গতিতেই চলে। উল্লেখ্য যা, শেষ দৃশ্যে একটা স্লোগানধর্মী বক্তব্য পাওয়া যায়, যার সার হলো, ‘সশস্ত্র গেরিলা আন্দোলন ছাড়া মুক্তি নেই’। উৎপল দত্ত বারবার জোর দিয়েছেন 'লার্জার দ‍্যান লাইফ'-এর ধারণায়। তার সঙ্গেই মিশেছে তাঁর রাজনৈতিক চেতনা। কিন্তু শুধুই তা নয়, এই নাটকের একটি অংশে আছে স্ববিরোধ, একটা যৌক্তিক ফাঁক, যে ফাঁক বা স্ববিরোধ সম্পাদক ও নির্দেশক চন্দন সেন সচেতনভাবে রেখে দিয়েছেন প্রযোজনাতেও।

নাটকে আজাদ হিন্দ ফৌজের কিছু গেরিলা এক বিশেষ কাজে এসে স্বামী সর্বানন্দর দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়। স্বামী সর্বানন্দ একসময় সশস্ত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি এক সময় বুঝতে পারেন হিংসা দিয়ে কিছুই লাভ করা যায় না। স্বামীজি বলেন, হিংসায় হিংসার জন্ম দেয়, যে একদিন তলোয়ার ধরে, একদিন সেই তলোয়ারই তাকে আঘাত দেয়। এই বাধা পেয়ে বৃহত্তর প্রেক্ষিতে সফল হওয়ার জন্য গেরিলারা স্বামীজিকে হত্যা করতে বাধ্য হয়। কিন্তু এই ঘটনা দেখে গেরিলা আজিজুল হক প্রচণ্ড আঘাত পায় ও ব্রেন ফিভারে আক্রান্ত হয়। সে জনসমক্ষে, এমনকী, ইংরেজ সেনানায়কের সামনেও স্বামী সর্বানন্দর খুন ও হিংসার দ্বারা হিংসার জন্ম হওয়ার কথা বলতে থাকে। একসময় তার কীর্তিতে নাজেহাল তার সঙ্গী গেরিলাদের হাতেই আজিজুলের মৃত্যু হয়। এখন প্রশ্ন, নাটকের মূল সুর যদি সশস্ত্র গেরিলার মাধ্যমে মুক্তির কথাই হয়, তাহলে আজিজুল চরিত্রটির তাৎপর্য বা প্রয়োজনীয়তা কোথায় এই নাটকে?

এই বিষয় নিয়ে নাটকের আজিজুল, অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় কী বলছেন?

ঋতব্রতর বক্তব্য, "প্রথমত এইরকম মানসিক দুর্বলতা যার, তাকে এইরকম একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ গেরিলা অপারেশনে কেন পাঠানো হলো, সে সম্পর্কে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। এবার যদি ধরেও নিই আজিজুল কোনও এক বিশেষ কাজে (ডিনামাইট সেট করা) অত্যন্ত দক্ষ, তাই তাকে নেওয়া হয়েছে, তাহলেও প্রশ্ন থাকে যে, যুদ্ধের যাত্রাপথে সে কি কোনও মৃত্যু দেখেনি? অবশ্যই দেখেছে। তাহলে স্বামী সর্বানন্দর মৃত্যুতে আজিজুলের এরকম প্রতিক্রিয়া কেন? এইখানেই উৎপল দত্ত theatrical license ব্যবহার করেছিলেন। নাটকটির কাহিনিসূত্র মোহাম্মদ জামান কিয়ানির (যে চরিত্রটি নাটকেও আছে) একটি বই থেকে নেওয়া হলেও নাটকটির আখ্যান সম্পূর্ণরূপে উৎপল দত্তর মস্তিস্কপ্রসূত। এইটা ধরে নেওয়া যায়, নাটকের এই স্ববিরোধের মধ্য দিয়ে এবং এই দু'টি চরিত্রের মধ্যে দিয়ে উৎপলবাবু বোঝাতে চেয়েছিলেন, সশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা এলেও কোনও একটি বিন্দুতে গিয়ে হিংসা থামাতে হয়। এই অবস্থানটিই নাটকের এই অংশে চিহ্নিত করেছিলেন উৎপলবাবু।"

গত কিছু মাস ধরে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি নিয়ে যে উগ্র ‘মহোৎসব’ চলছে, সেই প্রবাহে গা না ভাসিয়ে 'নাট্য আনন' দেশকে যে প্রণাম জানাল এই নাটকের মাধ্যমে, তা যেমন যথাযথ, তেমনই অর্থবহও। যে নাটকের প্রেক্ষাপট স্বাধীনতা-পূর্ব ভারত, রচনাকাল আনুমানিক সাতের দশক, সেই নাটক আজও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক- তা প্রতি মুহূর্তে বোঝায় ‘দিল্লি চলো’ নাট্য প্রযোজনা।

আজ 'অ্যাকাডেমি'-তে সন্ধে সাড়ে ৬টায় রয়েছে এই প্রযোজনা

লিখেছেন
Rajarshi Dhara
Rajarshi Dhara
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেতকী কুশারী ডাইসনের গবেষণায় রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা: কবির দেখা রঙের পৃথিবীটা কেমন ছিল?

Ketaki Kushari Dyson about Rabindranath Tagore color blindness: ডাইসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ‘রঙের রবীন্দ্রনাথ’-এর ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তরুণ বয়সে তাঁর নিজের দৃষ্টিশক্তি গুরুতর সংকটের মুখে পড়েছিল। ডাইসনের নিজের বিবরণ অনুযায়ী ১৯৫৯-৬০ সালে তাঁর চোখে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার হয়।

‘ভারতের সঙ্গে খাপ খায় না ধর্মনিরপেক্ষতা’: মোহন ভাগবতের দাবি কতটা সত্য?

Mohan bhagwat's anti secularism: উজ্জয়নীর যুব ধর্ম সংসদে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা পশ্চিমা ধারণা, ভারতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর সঙ্গে এটি খাপ খায় না। সত্যিই কি তাই? মোহন ভাগবতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর যুক্তি এবং আরএসএসের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে অবস্থানের প্রেক্ষিতে নিবেদিতা মেননের ‘মিসডিরেকশন’ তত্ত্ব কী প্রশ্ন তুলছে?

পাতে মাছ, হাতে ‘সনাতনী’ সার্টিফিকেট, কোনটা চায় বাঙালি?

Dhirendra Shastri fish meat controversy: বিতর্কের সূত্রপাত বাগেশ্বর ধামের ধর্মগুরু ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে। তিনি সম্প্রতি বাংলায় এসে দুর্গাপুজোর সময় হিন্দু বাঙালিদের মাছ-মাংস না খাওয়ার আহ্বান জানান। আমিষাশী হিন্দু বাঙালিদের ‘পাখণ্ডী’ বিশেষণ উপহার দেন।

ছবির পরিকল্পনা থেকে পলিফোনিক সুর: মণিদার যে কাজগুলি শেষ পর্যন্ত হলো না

Gautam Chattopadhyay: একদিন মণিদা বলল, ‘চল তো, জয়ন্ত বোসের বাড়ি যাব। ওকে দিয়ে ছবিতে একটা পলিফোনিক আবহ সংগীত তৈরি করাব।’ তখন আমরা দূরদর্শনের জন্য ‘মহুয়া সুন্দরী’ তৈরি করছি—ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় লোকপালা।

এক রাজকন্যার স্মৃতি যেভাবে হয়ে উঠল রাঢ় বাংলার মেয়েদের নিজস্ব উৎসব

Bhadu Festival: অবিভক্ত মানভূম জেলার পঞ্চকোটের রাজা নীলমণি সিংহদেবের অপরূপা কন্যা ভদ্রেশ্বরী দেবীর অনূঢ়া অবস্থায় অকালে মৃত্যু ঘটে। রাজকন্যার এই আকস্মিক প্রয়াণে রাজার সঙ্গে প্রজাসাধারণও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। কন্যার স্মৃতি অমলিন রাখতে শোকার্ত রাজা রাজ্যজুড়ে এক বিশেষ উৎসব পালনের নির্দেশ দেন।

আলো দিয়ে অন্ধকার দেখাতেন, ব্যঙ্গ দিয়ে সমাজের মুখোশ খুলে দিতেন গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Gaganendranath Tagore: আধুনিক ভারতীয় শিল্পের প্রেক্ষাপটে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান বুঝতে হলে তাঁকে কেবল ‘ঠাকুরবাড়ির মানুষ’ হিসেবে দেখলে চলবে না; বিচার করতে হবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও আধুনিক শিল্পী হিসেবে।

বুদ্ধের হাত, বিশ্বকর্মার যন্ত্র! ইলোরার ১০ নম্বর গুহায় আসলে কে বসে আছেন?

The caste history of vishwakarma's: ইলোরার 'সুতারের ঝোপড়ি' থেকে আধুনিক কারিগরের কর্মশালা, বিশ্বকর্মার হাজার বছরের যাত্রা আজও অব্যাহত। ইলোরার দশ নম্বর গুহায় বুদ্ধের মূর্তিকে ভক্তরা ডাকেন বিশ্বকর্মা বলে, যিনি কারিগরদের পূর্বপুরুষ, দেবতাদের স্থপতি। ঋগ্বেদের 'সর্বকর্তা' থেকে পুরাণের 'দেবশিল্পী', ব্রাহ্মণত্বের দাবি থেকে ওবিসি সংরক্ষণ—বিজয়া রামাস্বামী, জ্যান ব্রাউয়ার ও কিরিন নারায়ণের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে, বিশ্বকর্মাদের ঘিরে গড়ে ওঠা বর্ণবাদ, কারিগরি ও ক্ষমতাকাঠামোর জটিল ইতিহাস।

লেপচাদের দার্জিলিং যেভাবে হয়ে উঠল ব্রিটিশদের শৈলশহর

Darjeeling history: ভারতের প্রথম ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ (জিআই) ট্যাগ প্রাপ্ত পণ্য বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’। অথচ এই চা গাছ কিন্তু দার্জিলিং-এর ‘ভূমিপুত্র’ নয়। সাহেবরা নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে শান দিতেই এখানকার আদি বাস্তুতন্ত্রের খোলনলচে বদলে দিয়েছিল। দেশীয় বনভূমি ধ্বংস করে পাইন আর চা রোপণের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল আধুনিক পর্যটন মানচিত্রের এই ‘খাদের ধারের দার্জিলিং’।