অতিমারীর পরেও প্রেক্ষাগৃহ পূর্ণ! বাংলা থিয়েটারে 'স্টার' নয়, 'কনটেন্ট'-ই আসল রাজা

ঋদ্ধি সেন বলছেন, "প্রথমত, মানুষ বাংলা থিয়েটার দেখে না, এই কথাটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। অতিমারীর পরবর্তীকালে অন্যান্য শিল্পমাধ্যম (মূলত সিনেমা) একটা সংকটের মুখোমুখি, মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে চাইছে না, বা দ্বিধা করছে।"

Rajarshi Dhara
৪ মিনিট
অতিমারীর পরেও প্রেক্ষাগৃহ পূর্ণ! বাংলা থিয়েটারে 'স্টার' নয়, 'কনটেন্ট'-ই আসল রাজা

বাংলা থিয়েটার অনেকটা ঈশ্বরগুপ্তর কবিতার মতো, বা নতুন প্রকাশ পাওয়া লিটল ম্যাগাজিনের মতো, বা মোবাইলের ব্লু-টুথ ডিভাইসের মতো, বা কফিহাউজের ‘নো স্মোকিং’ বোর্ডটার মতো। আছে, সবাই জানে, কিন্তু কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দেখতে যায় না।

বাংলা থিয়েটার সম্পর্কে মানুষের সাধারণ ধারণাটা অনেকটা এইরকমই। পেশাদারি থিয়েটার অবলুপ্তির পর বাংলায় যে চর্চা গত সাড়ে তিন দশক ধরে হয়ে চলেছে ('বহুরূপী' থেকে ধরলে সাত দশক), তাকে কোনও এক বিশেষ (ও অজ্ঞাত) কারণে 'গ্ৰুপ থিয়েটার' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রুপ থিয়েটারের মূল পরিপোষক সরকারি গ্রান্ট আর এতে থিয়েটারের থেকেও প্রধান কাজ ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান' করে তার ছবি তোলা। এই বিশেষ প্রকার শিল্পমাধ্যমের শিল্পগত মানের অবনমনের কারণেই দর্শকদের মধ্যে এইরকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়েছে বলে মনে করা যেতে পারে।

অভিনয় ভালো হোক বা না হোক, নির্মাণশৈলীতে অভিনবত্ব থাকুক বা না থাকুক, দর্শক দেখুক বা না দেখুক, ঠিক সময় ডকুমেন্টেশন করে দিল্লিতে পাঠিয়ে স্যালারি গ্র্যান্টের টাকাটা বের করা এই থিয়েটারের প্রধান লক্ষ্য। তারপর কাঁধে ঝোলাব্যাগ ঝুলিয়ে ‘সমাজের জন্য থিয়েটার, বোধের জন্য থিয়েটার’ ইত্যাদি বুলি আওড়ানোই নাট্যজীবিদের প্রধানতম কাজ।

কিছুদিনের আগে জয়রাজ ভট্টাচার্য একটি সেমিনারে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, থিয়েটার সরকারি অনুদানে পুষ্ট, যে থিয়েটারকে প্রায় সরকার কিনে রেখে দিয়েছে বলা যায়, সেই থিয়েটার কী করে সরকারের নীতির বিরোধিতা করবে বা anti establishment-এর কথা বলবে বলে মনে করা যায়? সত্যিই মনে করা যায় না। তাই গুণগত চর্চা আর নৈতিকতা, দু'টি দিক থেকেই ক্ষয়ে যেতে যেতে বাংলা থিয়েটারের আজ এইরকম অবস্থা বলে আপাতভাবে মনে করা যায়। এরপরেও যখন কোনও‌ বিদগ্ধ প্রবীণ অভিনেতা আক্ষেপ করে বলেন - "নতুন জেনারেশন এখন কেবল মাল্টিপ্লেক্সে যায়, থিয়েটার আর কেউ দেখে না", তখন তার দায় কেবলমাত্র দর্শকদের হয় না, নির্মাতাদেরও হয়, এটা মনে রাখা দরকার।

তবে এখানে একটা 'কিন্তু' থেকে যায়, এতক্ষণ যে আলোচনা হলো, তা একটি দিকের। অন্যদিকের চিত্রটি কিন্তু অনেকটাই আলাদা।

দর্শক বা মূলত নতুন প্রজন্ম থিয়েটার দেখে না, এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। কোভিড-উত্তরকালে, ২০২২ সালের কলকাতায় দাঁড়িয়ে তো নয়ই। ২০২২-এর সবথেকে সত্যি কথাটি হলো, 'Content isn't king, it's the kingdom', আর থিয়েটারের ক্ষেত্রে যদি তার সঙ্গে নির্মাণ আর অভিনয়ের শ্রেষ্ঠত্ব যুক্ত হয়, তাহলে তা অপ্রতিরোধ‍্য হতে বাধ্য।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আর কতদিন সরকারের তৈরি করা ভেলকি আর ভয়ের ফাঁদে পা দেব আমরা?

যদি যুদ্ধবিগ্রহ জৈবিক প্রয়োজনীয়তা না হয়ে নেহাৎ মানুষের তৈরি পন্থা হয়ে থাকে, তবে এর পিছনের কারণকে চিনে নেওয়ার এটাই আদর্শ সময়।

গত মে মাসে প্রথম মঞ্চস্থ হয় 'স্বপ্নসন্ধানী'-র নতুন নাটক ‘হ্যামলেট’। বিগত বেশ কিছু বছরে বাংলায় কোনও নাটক এতটা সাড়া ফেলেছে বলে মনে হয় না। আপাতভাবে চেনা কনটেন্টকে নতুন মাত্রায় উপস্থাপনা, চমকপ্রদ ফর্ম (গিমিকপূর্ণ নয় কিন্তু), অনন্য অভিনয়রীতি যে একটা নাটককে কোন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ‘হ্যামলেট’। সত্যি বলতে, এই নাটক মূলত বাংলা ভাষায় হলেও এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের থিয়েটারের দাবিদার। বাংলা থিয়েটারের এই তথাকথিত আকালের দিনে যে নাটক নতুন করে অক্সিজেনের সঞ্চার করছে, তার এই ব্যাপক সাফল্যের খতিয়ান জানতে যোগাযোগ করা হয় নাটকের যুবরাজ 'হ্যামলেট'-এর অভিনেতা ঋদ্ধি সেনের সঙ্গে (যাঁর অভিনয়ও এই নাটকে সন্দেহাতীতভাবে প্রশংসিত)।

ঋদ্ধি এই প্রসঙ্গকে দু'টি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পর্যালোচনা করেন। ঋদ্ধি বলছেন, "প্রথমত, মানুষ বাংলা থিয়েটার দেখে না, এই কথাটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। অতিমারীর পরবর্তীকালে অন্যান্য শিল্পমাধ্যম (মূলত সিনেমা) একটা সংকটের মুখোমুখি, মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে চাইছে না, বা দ্বিধা করছে। তারা ভাবছে, কিছুদিনের মধ্যে বাড়িতে অনলাইনে দেখতে পাওয়া যাবে, এই 'অনলাইন' মাধ্যমটার সঙ্গে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই অনলাইনের জঙ্গলের মধ্যে থিয়েটার মানুষকে একটা রিফ্রেশিং জায়গা দিয়েছে, কারণ থিয়েটারের তো লাইভ ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। থিয়েটার দেখতে গেলে হলে এসে দেখতে হবে, এটা থিয়েটারের একটা বড় জোরের জায়গা, অন্য কোনওভাবে থিয়েটার দেখা সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন বাড়িতে বন্দি থাকার পর, প্রাক-কোভিডকালে মানুষ যেমন ছ’টা-সাড়ে ছ’টার সময় থিয়েটার দেখতে আসত, সেই অভ্যেসটায় ফিরে যেতে চাইছে। তার রেজাল্ট যে এতটা হবে সত্যি ভাবা যায়নি। 'স্বপ্নসন্ধানী' মাঝে অনেকদিন জ্ঞান মঞ্চে অভিনয় করত, আবার বহুদিন পর সরকারি মঞ্চে ফিরেছে 'স্বপ্নসন্ধানী', গিরিশ-মধুসূদন-অ্যাকাডেমি মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৬টি শো হয়েছে, (যার মধ্যে দু'টি আমন্ত্রিত), যে ছ-টি’ই হাউজফুল শো। মধুসূদন মঞ্চে উইক ডে, বৃহস্পতিবার শো করার পরেও প্রায় ১১০০ ক্যাপাসিটির অডিটোরিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ ছিল, অ্যাকাডেমিতে মর্নিং শো-তেও হাউজ ফুল ছিল। হ্যামলেটের হাত ধরে একটি নতুন জিনিস ঘটেছে, নতুন জেনারেশন, যারা থিয়েটার দেখে না বলে একটা অপবাদ ছিল, তারাও প্রচুর পরিমানে হ্যামলেট দেখতে এসেছে। এমনও অনেকে এসেছে, যারা জীবনে প্রথমবার থিয়েটার দেখছে, এবং সেটা ‘হ্যামলেট’।"

'হ‍্যামলেট' নাটকের দৃশ্যে ঋদ্ধি সেন, কৌশিক সেন ও রেশমি সেন

সঙ্গে ঋদ্ধি দ্বিতীয় একটি আঙ্গিক জুড়ছেন, "একটা তর্ক আছে যে, স্বপ্নসন্ধানী একটি নামী দল, অভিনেতাদের বা পরিচালকদের থিয়েটারের বাইরেও একটা পরিচয় আছে, তাই কি বেশি দর্শক দেখতে আসছে? বা অভিনেতারা সিনেমা ও থিয়েটার একসঙ্গে করে বলে কি দর্শক বেশি হয়? এর উত্তর- না! 'স্বপ্নসন্ধানী'-র বয়স যখন ২৭, বা ২৫, বা ২০ বছর, (এখন 'স্বপ্নসন্ধানী' ৩০ পূর্ণ করেছে) তখন দিনের পর দিন এমন দেখা গেছে যে, হল একদম ফাঁকা গেছে। ‘অশ্বত্থামা’ নাটকে দেখা গেছে যে, সামনে ২৫ জন দর্শক বসে আছে। বা একসময় যখন ‘সুজাতা সদন’-এ অভিনয় হচ্ছে নিয়মিত, তখন সামনে ১৫ জন বা ২২ জন বসে আছে। থিয়েটারে তথাকথিত 'স্টার তত্ত্ব’ থাকার পরেও এই দিন দেখা গেছে। সুতরাং, অভিনেতারা সিনেমাতেও অভিনয় করে বলে বা একটি নাট্য দল অনেকদিন অভিনয় করছে বলেই যে শো হাউজফুল হবে, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। নাটক মঞ্চসফল হওয়ার নেপথ্যে মূলত কাজ করে নাটকটির গুণ, সেটি কতটা যথাযথভাবে উপস্থাপিত করা যাচ্ছে ও তা দর্শকদের মনে কতটা গভীরে দাগ কাটছে, সেই ব্যাপারগুলো। 'হ্যামলেট' নাটকটা এতটা হনেস্টি-র সঙ্গে উপস্থাপিত হয়েছে, যা মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছে, এই কারণেই এত কম সময়ে 'হ্যামলেট' এতটা সাফল্য পেয়েছে।"

সম্পূর্ণ আলোচনা থেকে এই চিত্র পরিষ্কার, থিয়েটারের দর্শককে অসচেতন ভাবার কোনও কারণ নেই। তাঁরা এখনও কনটেন্টের ওপর জোর দিয়েই নাটক দেখতে যাওয়া বা না-যাওয়া নির্ধারণ করেন। কনটেন্ট ভালো হলে দর্শক হলমুখী হতে বাধ্য।

লিখেছেন
Rajarshi Dhara
Rajarshi Dhara
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।