বাংলা জয়ের আনন্দে মোদির গলার মালা কেন উঠল নিতিন নবীনের গলায়?

৪ মে সন্ধ্যার সবচেয়ে বড় চমক ছিল অন্য একটি দৃশ্য। বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন যখন এক বিশাল পুষ্পমাল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে এগিয়ে গেলেন, মোদি সেই মালা গ্রহণ না করে উল্টে নিতিনের গলাতেই পরিয়ে দিলেন। কিন্তু এখানেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন এই ব্যতিক্রমী আচরণ? কেন এক দুঁদে রাজনীতিকের হাত থেকে মালা নিয়ে তাঁকে পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

inscript
৪ মিনিট
বাংলা জয়ের আনন্দে মোদির গলার মালা কেন উঠল নিতিন নবীনের গলায়?

৪ঠা মে, ২০২৬। দিল্লির ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গের আবহাওয়ায় তখন এক অদ্ভুত আবেগ। কয়েক ঘণ্টা আগেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হয়েছে। কলকাতার রাজপথ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান—গেরুয়া ঝড়ে কার্যত উড়ে গিয়েছে সবুজ শিবির। সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন প্রথমবার জনসমক্ষে এলেন, তখন সবার নজর কেড়েছিল তাঁর পোশাক। পশ্চিমবঙ্গের জেলার সফরগুলিতে যেমন তিনি ধুতি-পাঞ্জাবি পরেছিলেন, দিল্লির বিজয়াভিষেকেও সেই একই বেশে ধরা দিলেন তিনি।

প্রথমে ধুতি-পাঞ্জাবি পরা মোদিকে দেখে মনে হলো এই বোধহয় চমক, কিন্তু সেই সন্ধ্যার সবচেয়ে বড় চমক ছিল অন্য একটি দৃশ্য। বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন যখন এক বিশাল পুষ্পমাল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে এগিয়ে গেলেন, মোদি সেই মালা গ্রহণ না করে উল্টে নিতিনের গলাতেই পরিয়ে দিলেন। কিন্তু এখানেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন এই ব্যতিক্রমী আচরণ? কেন এক দুঁদে রাজনীতিকের হাত থেকে মালা নিয়ে তাঁকে পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

কে এই নিতিন নবীন?

নিতিন নবীন সিনহা কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি বিজেপির একনিষ্ঠ ‘অর্গানাইজেশনাল মাস্টারমাইন্ড’। ১৯৮০ সালের ২৩ মে রাঁচিতে জন্মগ্রহণ করা এই নেতার রক্তেই ছিল রাজনীতি। তাঁর বাবা প্রয়াত নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহা ছিলেন বিহার বিজেপির একজন স্তম্ভ এবং বাঁকিপুর কেন্দ্রের একাধিকবারের বিধায়ক।

  • ছাত্র রাজনীতি থেকে হাতেখড়ি: অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এর মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে পা রাখা নিতিন নবীন খুব অল্প বয়সেই নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন।

  • বিহারের মাটি থেকে দিল্লির মসনদ: পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনি পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায় পথনির্মাণ ও নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি তিনি বিহার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি হিসেবেও কাজ করেছেন।

  • সবচেয়ে কম বয়সি সভাপতি: ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তিনি বিজেপির ১৬তম জাতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনিই দলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি।

কেন নিতিনকে মালা পরালেন প্রধানমন্ত্রী?

রাজনীতিতে কোনো আচরণই আকস্মিক নয়। ৪ঠা মে’র সেই সন্ধ্যায় মোদি যখন নিতিনকে মালা পরিয়ে দিলেন, সেটি ছিল মূলত একটি ‘পাবলিক রিকগনিশন’ বা কাজের স্বীকৃতি।

১. পরিশ্রমের মর্যাদা: বাংলা জয়ের জন্য গত এক বছর ধরে নিতিন নবীন প্রায় নিজের ঘরবাড়ি ভুলে বাংলার জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। প্রধানমন্ত্রী এই অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন, এই জয়ের কৃতিত্ব শুধু নেতৃত্বের নয়, বরং সেই নেপথ্য কারিগরের যে মাঠের মাটি কামড়ে পড়েছিলেন।

২. নতুন প্রজন্মের উত্থান: ৪ মে’র সেই ঘটনা ছিল প্রতীকী—যেখানে মোদি স্পষ্ট বার্তা দিলেন যে বিজেপি এখন তরুণ প্রজন্মের হাতে সুরক্ষিত। ৪৫ বছর বয়সি সভাপতির কাঁধেই যে দলের ভবিষ্যৎ ভার, সেই বিশ্বাসটিই তিনি বিশ্বের সামনে তুলে ধরলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রবীন্দ্রনাথের আদর্শ গ্রহণ করবে বিজেপি?

রবীন্দ্রনাথের 'গোরা' উপন্যাসের অন্তিমকালে যখন সে জানতে পারছে যে, সে হিন্দু নয়, তার শরীরে বইছে আসলে বিধর্মীর রক্ত। উপন্যাসের শেষে গোরা যে কথা বলছে, তা আসলে রবীন্দ্রনাথেরই কথা। সারা জীবন ধরে তাঁর লেখায় তিনি এ কথাই বলে গিয়েছেন, পালন করেছেন কর্মে। এইরকম একটি মানুষকে বিজেপি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারে বারে ব্যবহার করেছে।

৩. বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ: মোদি নিজে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে বাংলায় প্রচার করেছেন। তারপর বাংলা জয় করেছে মোদির সরকার। আর সেই জয়ের কারিগরকে সম্মানিত করে তিনি প্রমাণ করলেন, দিল্লির কাছে বাংলার গুরুত্ব অপরিসীম।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির জয়ে নিতিন নবীনের ভূমিকা

বাংলার রাজনীতিতে এবারের লড়াই ছিল অস্তিত্বের। সেখানে বিজেপি যেভাবে জয় ছিনিয়ে নিল, তার মূলে ছিল নিতিন নবীনের বুথ-লেভেল মাইক্রো প্ল্যানিং।

১. বুথ ভিত্তিক মাইক্রো-ম্যানেজমেন্ট

নিতিন নবীন বিহার থেকে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বাংলায় কাজে লাগিয়েছিলেন। তিনি জানতেন, বাংলা জিততে গেলে কেবল বড় জনসভা যথেষ্ট নয়। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি পশ্চিমবঙ্গ সফর করেন এবং রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক কৌশলগত বৈঠক করেন।

বুথ লেভেল মাইক্রো-প্ল্যানিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। প্রতিটি বুথে শক্তিশালী টিম গঠন ও দরজায় দরজায় প্রচারের উপর জোর দেন।

প্রবাসী নেতাদের পরিবর্তে স্থানীয় কর্মীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

২. বাঙালি আবেগের মেলবন্ধন

বিহারি নেতা হওয়া সত্ত্বেও নিতিন নবীন বাংলার সংস্কৃতি ও স্থানীয় অনুভূতিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বাংলায় একাধিক সফর করেছেন এবং দলীয় স্ট্র্যাটেজিতে স্থানীয় ইস্যু ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার উপর জোর দিয়েছেন। মোদির উত্তরবঙ্গ ও মেদিনীপুর সফরের রুট ম্যাপ এবং সাংস্কৃতিক থিম তৈরিতে তাঁর টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

৩. কোন্দল দমন ও ঐক্য

বঙ্গ বিজেপির দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নিতিন নবীন জাতীয় সভাপতি হওয়ার পর দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও ঐক্যের উপর বিশেষ জোর দেন। পুরনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। ৪ঠা মে’র ঐতিহাসিক জয় এই ঐক্য প্রচেষ্টারই ফল।

৪. সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেলের সক্রিয়তা

নিতিন নবীন বাংলার প্রতিটি ছোট খবর বা ইস্যুকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে আইটি সেলকে নতুনভাবে সাজিয়েছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগ থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানের অভাব—প্রতিটি পয়েন্টকে ডেটা এবং গ্রাফিক্সের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল তাঁরই নির্দেশে।

৫. রণকৌশল তৈরি

তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে “পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার”—এই ন্যারেটিভ তিনিই তৈরি করেন। দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ, অর্থনৈতিক অবনতি, সিন্ডিকেট রাজ ও সন্ত্রাসের ইস্যুকে সামনে আনেন প্রচারে। মোদির গ্যারান্টি ও “বিকশিত বাংলা” ভিশনকে যুক্ত করে প্রচার চালান।

৪ঠা মে’র সেই সন্ধ্যার পর থেকে ভারতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নিতিন নবীনের সেই রসায়ন প্রমাণ করে, বিজেপি এখন কেবল উত্তর ভারতের দল নয়, বরং তা প্রতিটি প্রান্তের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

বাংলার জয়ের নায়ক যদি মোদি হন, তবে সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন নিতিন নবীন। ধুতি-পাঞ্জাবি পরা প্রধানমন্ত্রীর সেই মালা পরানোর দৃশ্যটি তাই কেবল একটি অনুষ্ঠান ছিল না, তা ছিল তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। আগামী দিনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে এবং দলের প্রধান হিসেবে নিতিন নবীন ভারতের রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যান, এখন সেটাই দেখার।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

প্যান্ডেলের ভিতরে অন্ধকার থেকেই বিপত্তি! চোরবাগান দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীর

রিয়াঙ্কার কথায়, তাঁরা ছ’জন বন্ধু মিলে মণ্ডপে গিয়েছিলেন। ভিআইপি লাইনে প্রবেশ করেও তাঁদের প্রায় দু’ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তাঁর দাবি, মণ্ডপের ভিতরে ঢোকার আগে থেকেই ঠেলাঠেলি শুরু হয়েছিল।

ফ্রান্সের গণবিক্ষোভ থেকে কী শিখবে বিশ্ব?

France student protest: বিদ্যালয়ের দুরবস্থা ও পারকুরসুপ ব্যবস্থা থেকে শুরু হয়ে কীভাবে ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়ল দেশব্যাপী তীব্র জনরোষ?

চোরবাগানের দুর্ঘটনা: দায় কার, কী বলছে রাজনৈতিক দলগুলি?

Kolkata pandal Chorbagan stampede: কলকাতার চোরবাগানে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে দুর্ঘটনা ঘিরে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। কী বলছে রাজনৈতিক দলগুলি?

প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে সপ্তমীর চোরবাগান

Chorbagan Durga Puja incident: মণ্ডপের ভিতরে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বাইরে হঠাৎ বৃষ্টি নামায় বাইরের দর্শনার্থীরা ভিতরে ঢুকতে চাইছিলেন কিন্তু ভিতরের দর্শনার্থীরা বাইরে যেতে চাইছিলেন না। প্রবেশ ও প্রস্থান দ্বার ছিল সংকীর্ণ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক হুড়োহুড়ি ও পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৯ জনের, আহত অন্তত ২৫। মণ্ডপে নিরাপত্তা ও ভিড় ব্যবস্থাপনার ফাঁকফোকরগুলি কীভাবে কেড়ে নিল এতগুলি প্রাণ, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে।

পুজোয় বইয়ের স্টলে বুলডোজার, যাদবপুরে রাতভর প্রতিরোধ, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

Durga Puja book stall controversy: উৎসবের আবহে বইয়ের স্টল ঘিরে উত্তেজনা কলকাতায়। যাদবপুরে পুরসভার পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মানববন্ধন বাম কর্মীদের, ভোররাতে ভাঙা হলো এপিডিআর-এর স্টল।

বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই চোরবাগানে ছিলেন সম্পূর্ণা

পুজোর মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতে গিয়ে ভিড় সামলানোর অব্যবস্থা দেখে আগেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল সম্পূর্ণার মনে। হাওড়ার বেলুড়ের বাসিন্দা, ৩০ বছর বয়সি সম্পূর্ণার কথায়, চোরবাগানে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ।

যা ঘটেছিল চোরবাগান দুর্গাপুজো মণ্ডপে

Chorbagan Durga Puja incident: এই ঘটনার পর থেকেই পুজো কমিটির ব্যবস্থাপনা এবং এর পিছনের পট পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক ও তোলপাড় শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, পুজোর ঠিক আগেই চোরবাগান পুজো কমিটির রদবদল হয়েছিল এবং নতুন কমিটি পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিল।

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।