রোটি-বেটি’‌র সম্পর্ক নিয়ে যা ভাবছে দিল্লি

Roti-Beti relationship: নেপালের এই পট পরিবর্তনের আবহে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়টি হল ভারতের ভূমিকা। কেপি শর্মা ওলি বরাবরই রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্র থেকে ভারত-‌বিরোধী অবস্থান নিয়ে চলেছিলেন।

Rajib Dey
৪ মিনিট
রোটি-বেটি’‌র সম্পর্ক নিয়ে যা ভাবছে দিল্লি

রুটির অর্থ জীবনধারণ, আর বেটি মানে তো আত্মীয়তা, সামাজিক মর্যাদা ও পারস্পরিক বিশ্বাস। তাই ‘‌রোটি-‌বোটির সম্পর্ক’‌ এই সংক্ষিপ্ত বাক্যেই লুকিয়ে আছে ভারত ও নেপালের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও সহমর্মিতার এক দীর্ঘ অধ্যায়। এই দুই উপাদানই ভারত ও নেপালের সম্পর্কের ভিত্তি। সীমান্তের ওপারে যে সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য, পারিবারিক যোগাযোগ, বাণিজ্য, শ্রমবিনিময় এবং ধর্মীয় ঐক্য বহু দশক ধরে বজায় রয়েছে, তা এই বন্ধনকে শুধু রাজনৈতিক নয়, মানবিক সম্পর্কের গভীরতায় পৌঁছে দিয়েছে। তবে কাঠমান্ডুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সেই ঐতিহ্যকে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। শুধু নেপাল নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈকি। নেপালের তরুণ সমাজের নেতৃত্বে যে গণআন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে, তা এখন শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতের সীমায় আটকে নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা, সংসদ ভবনে আগুন, বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ এবং অবশেষে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ। এই সব ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন তুলেছে। দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে চিন্তার কালো মেঘ। কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে, নেপথ্যে কে, কারা করাচ্ছে -‌ এমন শত শত প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

ওলি ছিলেন চিনের গুণমুগ্ধ বন্ধু। অন্তত গত এক দশক ধরে ভারত তা-‌ই মনে করে আসছে। সম্প্রতি চিনে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে তা আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি। ওই সম্মেলনে ভারতের বিরোধিতা করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। কালাপানি ও লিপুলেখ অঞ্চল নিয়ে ছিল বিরোধিতা। এই বিতর্কিত ভূখণ্ড নেপাল দাবি করছে তাদের অংশ, অথচ ভারতের মানচিত্রেও তা অন্তর্ভুক্ত। ভারত ও চিন এই পথ ব্যবহার করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে চাইলে নেপালের সম্মতি প্রয়োজন। এই যুক্তিতে তিনি আপত্তি তুলেছেন। দ্বিতীয়ত, পৌরাণিক চরিত্র রামচন্দ্রের জন্মভূমি নিয়ে তাঁর বক্তব্য ভারতীয় ধর্মীয় অনুভূতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর দাবি, আসল অযোধ্যা নেপালেই অবস্থিত, ভারতের অযোধ্যা নকল। যেমন জনকপুরে সীতার জন্মের তত্ত্ব সকলে মেনে নিয়েছেন, রামচন্দ্রের জন্মভূমি যে নেপালের অযোধ্যায় তা-‌ও মেনে নিক ভারত। ওলির এই বক্তব্য ভারতকে কত মাত্রায় নাড়া দিতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। সদ্য গদিচ্যুত হয়ে সেনার হেপাজতে থাকাকালীন ওলি তাঁর দলের সাধারণ সম্পাদককে লেখা চিঠিতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন যে, ভারতের বিরোধিতার কারণেই তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং এহেন পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। অর্থাৎ,নেপালের অশান্তির জন্য পরোক্ষে ভারতকেই দায়ী করেছেন তিনি। এই বক্তব্য ভারত-নেপাল সম্পর্কে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে বটে। তবে, আন্তর্জাতিক মহলে এখনও পর্যন্ত নেপালের অশান্তির পিছনে ভারতের হস্তক্ষেপের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই আলোড়নের মধ্যে থেকেই উঠে এসেছে নেপালের নতুন অন্তর্বর্তী নেত্রী সুশীলা কার্কির নাম।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যেন একই চিত্রনাট্যে পুনরাভিনয়, বাংলাদেশের মতোই নেপালে জেল ভাঙল অপরাধীরা

Nepal Prisoners Escape: বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৫টি কারাগার ১৫ হাজারেরও বেশি বন্দি পালিয়েছে। খুব অল্প সংখ্যক বন্দি স্বেচ্ছায় ফিরে এসেছে বা ধরা পড়েছে।

নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দেশের বিচার বিভাগে একটি গ্রহণযোগ্য মুখ তিনি। তাঁর জীবনের নানা অধ্যায় ভারতের সঙ্গে তাঁর সংযোগ বেশ স্পষ্ট। ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পড়াশোনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এমনকী, ভারতের সঙ্গে সখ্যর পক্ষে অবিরাম সওয়াল করেছেন সুশীলা। এইসবই তাঁকে নেপালের ভারত-‌কন্যা করে তুলেছে। সাম্প্রতিক কালে ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি সৌহার্দ্যমূলক মন্তব্য কূটনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিচারপতি পদে আসীন থাকাকালীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় কঠোর রায় ঘোষণার ফলে জনমানসে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েছে। যদিও বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ মনে করে, সুশীলা যা করেছেন তা কোনও ভাবেই সরাসরি রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়, বরং নেপালের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার এক রাজনৈতিক কৌশল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপালে যা কিছুই ঘটেছে, তা সে দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটের প্রতিফলন। যেখানে লাগামছাড়া দুর্নীতি, তরুণ সমাজের ক্ষোভ, বিচারবিভাগে আস্থাহীনতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নেপাল ২০০৮-২০২৫ || কী ভাবে পড়ব এই সময়কে?

Nepal's mass movement: সারা পৃথিবী জুড়ে যখন কমিউনিস্ট পার্টিগুলি হারের সম্মুখীন হচ্ছিল, তখন নেপালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে শাসন ক্ষমতা দখল করা বামপন্থীরা নতুন আশার সঞ্চার ঘটিয়েছিল।

এদিকে, নেপালের এই পট পরিবর্তনের আবহে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়টি হল ভারতের ভূমিকা। কেপি শর্মা ওলি বরাবরই রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্র থেকে ভারত-‌বিরোধী অবস্থান নিয়ে চলেছিলেন। সীমান্ত নিয়ে আপত্তি, বাণিজ্যে বাধা, ধর্মীয় বিতর্ক -‌ এই সবই তাঁর ভারতের বিরুদ্ধে ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে দেখেছেন অনেকে। মনে রাখতে হবে, ২০১৪ সালে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় ভারত পণ্য সরবরাহে নেপালকে চাপ দেয়। ২০১৫ সালের খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের সময় ভারতীয় নীতির কঠোরতা নেপালের সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বাড়ায়। তলে তলে রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন শুরু হয়। পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র কমিউনিস্টদের হাতে চলে যাওয়ায় ভারতের হিন্দুত্ববাদী মহলে অস্বস্তির সঞ্চার হয়। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের ভেতরে অখুশির কারণ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

এমতাবস্থায় ভারতের জন্য পড়শি দেশের এই পরিস্থিতি একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জের, তেমনই সুযোগেরও বটে। নেপালের অচলাবস্থার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সীমান্ত বাণিজ্যে। রুপাইদিহা, জগবানি-‌সহ বিভিন্ন সীমান্ত শহরে ট্রাক চলাচল বন্ধ, পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে এবং মানুষের যাতায়াতে বাধা তৈরি হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে প্রতিদিনের লোকসান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সমস্যা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতকে একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় হতে হচ্ছে, অন্যদিকে নেপালের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে অযাচিত হস্তক্ষেপ এড়িয়ে চলতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক অতীতে পড়শি দেশ শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সংকটে চিনের প্রভাব বাড়লেও ভারত সাহায্য দিয়ে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করেছে। গতবছর আগস্টের পর সম্পর্কে বরফ জমলেও ইদানিং বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সংযোগ বাড়ছে। তবে, সীমান্ত ইস্যু এখনও আলোচনার স্তরে রয়ে গিয়েছে। নেপালের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংবেদনশীল ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সাহায্য, পরিকাঠামো উন্নয়ন — এই সবকে কেন্দ্র করে রোটি-‌বেটির সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তরুণ সমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নেপালের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপালের বর্তমান সংকট দীর্ঘমেয়াদি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক পালাবদলেই সীমাবদ্ধ নয়। এই অশান্তির পিছনে রয়েছে গভীরতর সামাজিক অসন্তোষ। সেই অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে মাত্র। সুশীলা কার্কির মতো গ্রহণযোগ্য মুখ সাময়িকভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারেন, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ নির্বাচন, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এবং বাস্তবসম্মত ও মানবিক সীমান্তনীতি।

তাহলে ভারতের কী করণীয়?‌ প্রমাণভিত্তিক কূটনীতি, সহযোগিতার হাত বাড়ানো এবং সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ে তোলা। অযাচিত হস্তক্ষেপের পরিবর্তে বিশ্বাসযোগ্য সহযোগিতা তৈরি করাই হবে নেপালের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখার একমাত্র পথ। তবেই ‘‌রোটি-বেটি’‌ র ঐতিহ্য নতুন যুগেও অবিচল থাকবে। অন্যথায় সন্দেহ, বিভেদ আর অস্থিরতা দুই দেশের দীর্ঘ সম্পর্ককে বিপন্ন করে তুলবে। এমন এক সময়ের বাঁকে এসে ভারতের রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা, অর্থনৈতিক সহানুভূতি এবং মানবিক দায়িত্ববোধই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ইতিহাস।

লিখেছেন
Rajib Dey
Rajib Dey
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।