রাজ্যে রাজ্যে আসছে রাহুলের 'মহব্বত কি দুকান'! চড়তে পারেন আপনিও

Bharat Jodo Nyay Yatra: জাতিহিংসায় ছাড়খার মণিপুর দিয়েই এবারের ভারত জোড়ো যাত্রার সূচনা করছেন রাহুল। আর সেই গোটা যাত্রায় সঙ্গে থাকছে রাহুলের 'মহব্বত কি দুকান'।

Sohini Das
২ মিনিট
রাজ্যে রাজ্যে আসছে রাহুলের 'মহব্বত কি দুকান'! চড়তে পারেন আপনিও

লোকসভা ভোট আসতে আর দেরি নেই। তার আগে শাসক দলের তুরুপের তাস যেমন অযোধ্যায় রামমন্দির, দেশের প্রান্তিক মানুষের মন পেতে প্রধানমন্ত্রী জনমন প্রকল্প, তেমন ভাবেই পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও। সামনের রবিবার থেকেই রাহুল গান্ধী বেরিয়ে পড়ছেন তাঁর ভারত জোড়ো যাত্রা। যাত্রা শুরু হচ্ছে সেখান থেকে, ২০২৩ সালকে সরগরম করে রেখেছিল যে রাজ্য। জাতিহিংসায় ছাড়খার মণিপুর দিয়েই এবারের ভারত জোড়ো যাত্রার সূচনা করছেন রাহুল। আর সেই গোটা যাত্রায় সঙ্গে থাকছে রাহুলের 'মহব্বত কি দুকান'।

বিজেপির 'ঘৃণা'-র বিরুদ্ধে বারবার ভালোবাসার দোকান খোলার কথা বলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এবার ভারত জোড়ো যাত্রায় সেই 'মহব্বত কে দুকান' নিয়েই পথে নামছেন রাহুল। গোটা ভারত জোড়ো যাত্রার সময় রাহুলের সঙ্গে সঙ্গেই থাকবে তাঁর এই 'মহব্বত কি দুকান'।

আসলে এটি একটি ভলভো বাস। তবে যে সে বাস নয় এটি। ভারত জোড়ো যাত্রার জন্য বিশেষ ভাবে বানিয়ে তোলা হয়েছে। তাক লাগানো রূপ তার। পনেরোটি রাজ্য জুড়ে এই ভারত জোড়ো যাত্রা করবেন রাহুল। সব মিলিয়ে প্রায় ৬৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব ওই বাসে করেই যাত্রা করবেন কংগ্রেস নেতা। প্রচারের কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি সমাবেশে যাতে গাড়ি থেকেই ভাষণ দিতে পারেন রাহুল গান্ধী, তার জন্য থাকছে বাসে একটি হাইড্রোলিক লিফট। বাসের পিছনে থাকছে রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধি এ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুল খাড়্গের ক্য়ারিকেচার ছবি। আর বাসের গায়ে বড় বড় লেখা রয়েছে 'মহব্বত কি দুকান' কথাটি। বাসের সামনে লেখা থাকছে 'ভারত জোড়ো যাত্রা' কথাটিও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারত ন্যায় যাত্রা: মণিপুর থেকে মহারাষ্ট্র, কেন এই রুটম্যাপ বাছলেন রাহুল গান্ধী?

Bharat Nyay Yatra: নির্বাচনকে সামনে রেখেই রাহুল গান্ধী পরিকল্পনা করেছেন 'ভারত ন্যায় যাত্রা'র। ১৪ জানুয়ারি থেকে ২০ মার্চ অবধি চলবে এই যাত্রা। চলবে ৬২০০ কিলোমিটার জুড়ে। ১৪ টি রাজ্য ও ৮৫টি জেলার উপর দিয়ে যাবে যাত্রাটি

भारत जोड़ो न्याय यात्रा में

जिस 'मोहब्बत की दुकान' बस से चल रहे हैं, यह उस बस की टिकट है। पिछले 10 साल के अन्याय काल के ख़िलाफ़ न्याय की इस यात्रा में जो लोग राहुल गांधी से मिलना चाहते हैं और उनसे बातचीत करना चाहते हैं, उन्हें ऐसी टिकट देकर बस में बुलाया है।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা: কোন পথে মন জিততে চাইছেন রাহুল?

Bharat Jodo Nyay Yatra: বৃহস্পতিবার এই যাত্রার নাম আবার পরিবর্তিত করে রাখা হয়, 'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা'। অরুণাচলপ্রদেশ সহ ১৫টি রাজ্য জুড়ে এই যাত্রা চলবে।

— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh)

ইতিমধ্যেই নাগাল্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছে এই 'মহব্বত কি দুকান' বাসটি। আপাতত কোহিমাতে নিজেদের প্রচারকর্মসূচি সারছেন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। উত্তরপূর্ব থেকে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বিহারে প্রবেশ করবে কংগ্রেসের এই ভারত জোড়ো যাত্রা। সেখান থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে যাবে মুম্বইয়ের দিকে। তবে শুধু কংগ্রেস নেতা-কর্মীরাই নয়। এই বাসে চাইলে কিন্তু উঠতে পারেন আপনিও। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই। শুধু বাসে চড়াই নয়, দেখা হতে পারে খোদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও। এমনকী কংগ্রেস নেতার সঙ্গে একই বাসে চড়ে বেশ কিছুটা রাস্তা ভ্রমণও করতে পারেন আপনি।

তেমনই পরিকল্পনা নিয়েছে দল। ইতিমধ্যেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের জন্য বিশেষ টিকিটেরও ব্যবস্থা করেছে কংগ্রেস। যোগাযোগের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ সম্প্রতি সোশ্যাল মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্স-এ নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাঁর হাতে রাহুল গান্ধীর ছবিযুক্ত একটি বাদামী রঙের টিরিট দেখা যাচ্ছে। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, গত দশ বছরের অন্য়ায় বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের এই যাত্রায় যাঁরা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে বা কথা বলতে চান, তাঁদের জন্য এই টিকিট। তাঁরা বাসে উঠে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

ইতিমধ্যেই দুর্দান্ত ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে রাহুল গান্ধীর বলা এই মহব্বত কি দুকান কথাটি। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরে চালু হয়েছিল কংগ্রেসের উদ্যোগে 'মহব্বত কা দুকান' নামে একটি স্টল। যেখানে যুব কংগ্রেসের নেতা ও সদস্যেরা পাইকারি দামে সবজি-আনাজ বিক্রি শুরু করেছিলেন। মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদেই মূলত খোলা হয়েছিল ওই দোকান। দোকানের পর এবার খোদ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের আয়োজনে রাজ্য থেকে রাজ্যে সফর করবে 'মহব্বত কি দুকান' বাস। এবার সেই ভালোবাসার দোকান 'ভারত জোড়ো যাত্রা'-তে ভালোবাসা বিলোতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।