রবীন্দ্রসঙ্গীতের শব্দ বদলাতে চান মমতা! কী যুক্তি তাঁর?

West Bengal Day: ভারতের অধিকাংশ রাজ্যেরই রয়েছে রাজ্যদিবস। অনেকেরই রয়েছে রাজ্যসঙ্গীতও। তবে এতদিন পর্যন্ত তেমন কিছু ছিল না পশ্চিমবঙ্গের।

Sohini Das
৪ মিনিট
রবীন্দ্রসঙ্গীতের শব্দ বদলাতে চান মমতা! কী যুক্তি তাঁর?

রবীন্দ্রনাথের গানের উপর বিশ্বভারতীর কপিরাইট উঠেছে বছর কুড়ি হল। তাই বলে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে বাঙালির স্পর্শকাতর মন যে একেবারে বদলে গিয়েছে, তা ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। আজও রবীন্দ্রসঙ্গীতে একটুআধটু কালোয়াতি ঢুকে গেলে রে রে করে ওঠেন বিশুদ্ধবাদীরা। একটা সময় গিটার বাজিয়ে রবীন্দ্রনাথের গান গাওয়াকে রীতিমতো 'অপরাধ' হিসেবে দেখতেন কেউ কেউ। সেই গোঁড়ামির লাল চোখ কাটলেও এখনও যে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে একটা আবেগের জায়গা রয়েই গিয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সেই রবীন্দ্রসঙ্গীতের উপরেই এবার কলম চালাতে চান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

তবে এই বিতর্কের গোড়ায় আদতে রয়েছে অন্য একটি বিতর্ক। দেশের প্রায় সব রাজ্যেরই আলাদা আলাদা রাজ্যদিবস রয়েছে। তবে বাংলা এতদিন যাবৎ সে রসে বঞ্চিত! এবার সেই বিষয়টি নিয়েই সরব হয়েছেন রাজ্যের একটি মহল। এরই মধ্যে আবার ২০ জুন রাজভবনের তরফে পালন করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। আর সেই ব্যাপারটিকে ভালো চোখে দেখেননি ইতিহাসবিদ, বুদ্ধিজীবীদের বড় অংশই। তাতে সায় নেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

১৯৪৭ সালে ওই দিনটিতে আইনসভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সিলমোহর পড়েছিল বাংলা ভাগের সিদ্ধান্তে। অবিভক্ত বাংলার বুকে গেঁথে দেওয়া হল কাঁটাতার। সম্ভবত কোনও বাঙালির কাছেই এই দিনটি গৌরবের নয়, বরং লজ্জার। বাংলার শাসকদলের অভিযোগ, বিজেপি সরকার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল মিলে বাংলার সেই কাটা ঘায়েই নুনের ছিটে দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্বাভাবিক ভাবেই সে নিয়ে গর্জে উঠেছে তৃণমূল। আর এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করেছেন বুদ্ধিজীবীদের একাংশও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের 'রাজ্যসঙ্গীত' থাকা কতটা জরুরি?

State Song of West Bengal: তবে কি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই লিখবেন রাজ্যের সঙ্গীত?

এ নিয়ে সর্বসম্মত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নবান্নে সর্বদল বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে উপস্থিত ছিলেন, ইতিহাসবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ডাকা হয় বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদেরও। যদিও সেখানে গড়হাজির ছিল সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি। অবশ্য সভায় যোগ দেন এসইউসি এবং সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-র প্রতিনিধি।

ভারতের অধিকাংশ রাজ্যেরই রয়েছে রাজ্যদিবস। অনেকেরই রয়েছে রাজ্যসঙ্গীতও। তবে এতদিন পর্যন্ত তেমন কিছু ছিল না পশ্চিমবঙ্গের। এদিনের সভায় তার প্রয়োজন নিয়েও সওয়াল করেন ইতিহাসবিদ সুগত বসু। রাজ্যসঙ্গীতের পক্ষে এর আগে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেও। কোন গান হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসঙ্গীত, তা নিয়ে জল্পনাও কিছু কম হয়নি। রাজ্যের নাম পরিবর্তন নিয়েও দাবি রয়েছে দীর্ঘদিনের। এদিনের সভাতে উঠে আসে সেই প্রসঙ্গও। পশ্চিমবাংলার পরিবর্তে রাজ্যের নাম 'বাংলা' রাখার পক্ষে অনেকেই। ক্ষমতায় আসার পর পরই মুখ্যমন্ত্রী খোদ সওয়াল করেছিলেন তার পক্ষে। এতে বর্ণানুক্রমিক তালিকাতেও উপরের দিকে উঠে আসবে রাজ্য। কারণ ওয়েস্ট বেঙ্গল শব্দটি শুরু ইংরেজি ডব্লিউ বর্ণটি দিয়ে। যা বর্ণক্রমে থাকে বেশ পিছনে। এর ফলে সর্বত্রই বাংলা পিছিয়ে থাকে, যা পরিবর্তনের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে একটি পক্ষ। অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশ নামে একটি দেশ যেখানে বর্তমান, সেখানে 'বাংলা' নামটি পশ্চিমবঙ্গের জন্য যথাযথ নয়। তবে এমন দাবি অমূলক বলেই মনে করছেন বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ। বাংলাদেশ রয়েছে বলেই পশ্চিমবঙ্গের নাম 'বাংলা' হলে সমস্যা হবে, এমনটা মনে করছেন না তাঁরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'জয় বাংলা'-ই অস্ত্র! স্কুলে বাংলা বাধ্যতামূলক করে কতটা এগিয়ে রইলেন মমতা?

Bengali Language Mandatory in Schools: রাজ্য শিক্ষানীতি অনুযায়ী, চাকরি পাওয়ার পর প্রথম পাঁচবছর শিক্ষকদের গ্রামের স্কুলে পড়াতেই হবে।

এদিনের বৈঠকে রাজ্য দিবস হিসেবে বেশ কয়েকটি দিনের কথা প্রস্তাব করা হয়। তবে সর্বমত গিয়েছে পয়লা বৈশাখের পক্ষেই। তবে এই দিনটিই পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বিধানসভায়। তবে রাজ্যসঙ্গীত নিয়ে দ্বিধা কাটল না এক বৈঠকে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসঙ্গীত হিসেবে সভা থেকে উঠে এসেছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'বাংলার মাটি বাংলার জল' গানটির প্রস্তাব। এ ব্যাপারে মোটামুটি সকলে একমতও হয়েছিলেন। সেই মতো সভায় গাওয়াও হল সেই গান। কিন্তু এর মধ্যেই এমন একটি প্রস্তাব তুললেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে বেঁধে গেল দ্বন্দ্ব।

'বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন-- এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান'- রবিঠাকুরের লেখা এই পঙক্তির যে নির্যাস, তা এই মুহূর্তে পশ্চিমবাংলার প্রতিটি কোণায় কোণায় পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন বলেই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাকে শুধু বাঙালির মধ্যে বেঁধে ফেলতে নারাজ তিনি। তাই তিনি প্রস্তাব তোলেন, রবীন্দ্রনাথ লিখিত গানটির 'বাঙালি' শব্দটি সামান্য বদলে 'বাংলা' করে দেওয়া হোক রাজ্যসঙ্গীতের ক্ষেত্রে। তাতে রাজ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখতে সুবিধা হবে বলেই মনে করেন তিনি। তাতে সব ধরনের, সব ভাষার, সব মতাদর্শের মানুষকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা যাবে বলেই জানান তিনি। আর তাতেই আপত্তি জানায় সভায় উপস্থিত একটি পক্ষ। যদিও অপর পক্ষ সমর্থন করেছেন দিদিকেই। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এই প্রেক্ষিতে তুলে ধরেন অতীতের একটি ঘটনা। তিনি জানান, কে এল সায়গলের গাওয়া একটি ছবিতে সামান্য বদল করা হয়েছিল রবীন্দ্রসঙ্গীতের শব্দে। যা জানতে পেরে রবীন্দ্রনাথ নাকি তাঁকে সমর্থনই করেছিলেন।"

তবে এত যুক্তিতর্কের পরেও সভায় উপস্থিত অনেকেই রবীন্দ্রগানের শব্দ পরিবর্তনকে মুক্তমনে গ্রহণ করতে পারেননি। বিতর্ক হতে পারে এমন যুক্তি দিয়ে নিজেদেক মতানৈক্য জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত 'ধনধান্যে পুষ্পে ভরা' গানটির কথা প্রস্তাব করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এ গানের মূল বক্তব্য দেশকে আশ্রয় করে, এমন যুক্তি দিয়েই গোড়াতেই বাতিল হয়ে যায় সেই প্রস্তাব। আপাতত রবীন্দ্রনাথের গানে শব্দ পরিবর্তন উচিত কি নয়, বিতর্ক এসে ঠেকেছে সেই প্রশ্নের গোড়াতেই। এ নিয়ে আরও একটি সর্বদলের দাবি জানিয়েছেন সভার কেউ কেউ।

২০০১ সালে রবীন্দ্রসঙ্গীতের উপর থেকে উঠে গিয়েছে বিশ্বভারতীর কপিরাইট। সেই বাঁধা কাটিয়ে জনগণের হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। আজকের দিনে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে নানা পরীক্ষানিরিক্ষা চলছে। বদলাচ্ছে লয়, বদলাচ্ছে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারও। সিনেমা. চলচ্চিত্র থেকে রাস্তার সিগন্যালে যথেচ্ছচার ব্যবহার হচ্ছে রবীন্দ্রসঙ্গীতের। বিকৃত না করে সব ধরনের পরীক্ষানিরিক্ষাতেই একপ্রকার সায় দিয়েছে বিশেষজ্ঞমহল। তাই বলে রবীন্দ্রনাথের কলমের উপর খোদগিরি, কতটা যথাযথ! উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, আদৌ তাঁর লেখা গানে নিজের শব্দ বসিয়ে দেওয়া যায় কি, এই বিতর্কেই আপাতত দ্বিধাবিভক্ত বাংলা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক মঞ্চে মমতার লেখা তাঁর সুরারোপ করা অনেক গানই বাজতে শুনেছে বঙ্গবাসী। তবে কি এবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রবীন্দ্রনাথের গানও কিঞ্চিৎ অদলবদল-সহ শুনতে হবে রাজ্যবাসীকে?

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।