প্রবীণ সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহঠাকুরতাকে বারবার হেনস্থা, কীসের মাশুল?

NewsClick Journalists Harassed : পরঞ্জয় সাম্প্রতিক অতীতে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন করে দাবি করেন যে, তাঁর ফোন পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে হ্যাক করা হয়েছে।

inscript
৪ মিনিট
প্রবীণ সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহঠাকুরতাকে বারবার হেনস্থা, কীসের মাশুল?

দিল্লিজুড়ে হুলুস্থূল! ভোরবেলা একাধিক সাংবাদিকদের বাড়িতে অভিযান ও জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করার ঘটনায় আরও একবার যেন স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, নির্বাচন আসছে, আর তাই 'পথের কাঁটা' উপড়ে ফেলতে মরিয়া কেন্দ্র। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মঙ্গলবার ভোরে শহরের ৭ সাংবাদিকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। অভিযোগ? এই সাংবাদিকরা নাকি অবৈধ বিদেশি অনুদান ব্যবহার করছেন। বেশিরভাগ সাংবাদিকই নিউজ পোর্টাল নিউজক্লিকের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ এখানে একেবারে মোক্ষম অস্ত্র ব্যবহার করেছে! এই নিউজ পোর্টালের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, বা ইউএপিএ-এর অধীনে মামলা দায়ের করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই।

নিউজক্লিক নিউজ পোর্টালে কর্মরত এক সাংবাদিককে আটকও করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিউজক্লিকের সঙ্গে যুক্ত ওই ৭ সাংবাদিকের বাসভবন সহ ৩৫টি জায়গায় এই বিশেষ সেল অভিযান চালিয়েছে। এই সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন সম্পাদক, প্রবীর পুরকায়স্থ, সাংবাদিক অভিসার শর্মা, অনিন্দ্য চক্রবর্তী এবং ভাষা সিং, রয়েছেন কৌতুকাভিনেতা সঞ্জয় রাজৌরা। সাংবাদিক ভাষা সিং, সাংবাদিক অভিসার শর্মার বাড়ি থেকে তাঁদের ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় দিল্লি পুলিশ। ইডি এর আগে অভিযোগ করেছিল যে, এই নিউজ পোর্টালটি চিনের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে এবং এই এত টাকা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে। যারাই নিউজক্লিক থেকে বেতন বা পারিশ্রমিক পেয়েছেন তাদের নজরে রাখা হয়েছে। তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, ল্যাপটপ এবং ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Finally last tweet from this phone. Delhi police seizure my phone.

— bhasha singh (@Bhashak)

হঠাৎ একটি পোর্টালের বিরুদ্ধে এত কেন তৎপর পুলিশ? কোন অবৈধ টাকার লেনদেনের কথাই বা বলা হচ্ছে? নিউজক্লিকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরে অনেকদিন থেকেই রয়েছেন সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নিউজক্লিক টাকা নিয়েছে নেভিল রায় সিংঘমের কাছ থেকে। এই নেভিল রায় সিংঘম আসলে চিনের সরকারি মিডিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। ইডি, নিউজক্লিকের প্রবর্তক এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে নেভিল রায় সিংঘমের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলি থেকে নিউজক্লিক স্টুডিও প্রাইভেট লিমিটেডে ৮৬ কোটি টাকারও বেশি বিদেশি অনুদান আসার অভিযোগ তদন্ত করছে। ইডি আরও দাবি করে যে, ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা প্রবীর পুরকায়স্থ এবং ট্রাইকন্টিনেন্টাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিজয় প্রসাদকে নেভিল রায় সিংঘম একটি ইমেল পাঠান যেখানে একটি চিনা প্রচারমূলক চলচ্চিত্রের সাবটাইটেলিংয়ের কথা বলা হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিজের দলের সাংসদকে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ, তবু কেন চুপ মায়াবতী?

Ramesh Bidhuri vs Danish Ali : গোলওয়ালকর বলেন, "থ্রি বিগেস্ট ইন্টারনাল এনিমিস অফ হিন্দুস আর মুসলিমস, ক্রিশ্চানস অ্যান্ড কমিউনিস্টস"। এই ভদ্রলোক মোদিজির গুরু।

তদন্তকারী এই সংস্থা নিউজক্লিক থেকে কর্মী তিস্তা শীতলাবাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ফান্ড ট্রান্সফার, সাংবাদিক ও লেখক পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা, নিউজক্লিকের কিছু কর্মচারী এবং আরও কয়েকজনকে প্রায় ৭২ লক্ষ টাকা পাঠানোর অভিযোগও তদন্ত করছে। অভিযোগ, নিউজক্লিক জেলবন্দি কর্মী গৌতম নাভলাখাকে বেতন হিসাবে ১৭.০৮ লক্ষ টাকা, নিউজক্লিকের শেয়ারহোল্ডার এবং সিপিআই(এম)-এর আইটি সেলের সদস্য বাপ্পাদিত্য সিনহাকে ৯৭.৩২ লক্ষ টাকা দিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, পরঞ্জয় সাম্প্রতিক অতীতে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন করে দাবি করেন যে, তাঁর ফোন পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে হ্যাক করা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে টানা লিখে গেছেন পরঞ্জয়। হিন্ডেনবার্গও তাঁর নাম উল্লেখ করেছে আদানির কীর্তিফাঁসে। মিডিয়া এথিক্স, ফেসবুক মুখ ও মুখোশের মতো বিতর্কিত বইয়ের লেখক সাংবাদিক পরঞ্জয় দীর্ঘকাল ধরেই আদানি গোষ্ঠী, ও তাদের শাসক ঘনিষ্ঠতার বিরুদ্ধে সরব। রবি নায়ার ও পরঞ্জয়ের বই 'দ্য রাফাল ডিল: ফ্লাইং লাইজ?’ নিয়েও প্রভূত তর্ক হয়। শাসকের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়েও নিবিড় কাজ করেছেন তিনি। ইনস্ক্রিপ্টে নিয়মিত লেখালিখি এবং 'বাংলা যা ভাবছে' অনুষ্ঠানেও নিয়মিত নিজের বক্তব্য রাখেন পরঞ্জয়।

Delhi police landed at my home. Taking away my laptop and Phone...

— Abhisar Sharma (@abhisar_sharma)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সারা বিশ্বের সামনে স্পষ্ট হয়ে গেল নরেন্দ্র মোদির নির্বুদ্ধিতা

Narendra Modi on Manipur: নরেন্দ্র মোদি ভোট এলে তিনি ছোট রাজ্য, বড় রাজ্য সর্বত্র ঘন ঘন চলে যান ঠিকই, তবে এবারে তিনি আর মণিপুরের পথে যাননি।

পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা নিজেই জানিয়েছিলেন ২০১৮ সালের মে মাস থেকে নিউজক্লিক পোর্টাল পরিচালনা, মালিকানা এবং পরিচালনাকারী সংস্থার পরামর্শদাতা (কনসালট্যান্ট) ছিলেন তিনি। এই পাঁচ বছর ধরে তাঁর সাম্মানিকই তিনি গ্রহণ করেছেন। তিনি করও দেন, নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। পরঞ্জয়ের দাবি, তিনি PPK নিউজক্লিক স্টুডিও প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মচারী নন, সম্পাদক মণ্ডলী বা পোর্টালে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার অংশও তিনি নন।

The PCI stand in solidarity with the journalists and demand the government to come out with details.

— Press Club of India (@PCITweets)

নিউজক্লিকের অফিস এবং এর প্রধান সম্পাদক প্রবীর পুরকায়স্থর বাড়িতে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অভিযান চালায়। গত বছর, দক্ষিণ দিল্লির সাকেত এলাকায় অবস্থিত ৪.৫২ কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট এবং ৪১ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ঘিরে অভিযোগ ওঠে প্রবীর পুরকায়স্থর বিরুদ্ধে। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) অনুযায়ী, এই সাড়ে চার কোটি টাকার সম্পত্তি সোজা পথে উপার্জিত আয়ের অংশ নয় বলে অভিযোগ। ইডির মতে, ২০১৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত নিউজক্লিক জাস্টিস অ্যান্ড এডুকেশন ফান্ড ইনক ইউএসএ, দ্য ট্রাইকন্টিনেন্টাল লিমিটেড ইনক ইউএসএ, জিএসএএন এলএলসি ইউএসএ, সেন্ট্রো পপুলার, ডি মিডাস থেকে ৭৬.৮৪ কোটি, ১.৬১ কোটি, ২৬.৯৮ লাখ এবং ২.০৩ লাখের 'এক্সপোর্ট রেমিট্যান্স' গ্রহণ করেছে। অথচ এই সংস্থাগুলিতে নিউজক্লিক কোনও পরিষেবাই দেয়নি। ইডির সন্দেহ, জাস্টিস অ্যান্ড এডুকেশন ফান্ড ইনকর্পোরেটেড ইউএসএ-এর মাধ্যমে পাঠানো অনুদানগুলি আসলে সিংঘমের। সিংঘম প্রবীর পুরকায়স্থের 'ঘনিষ্ঠ' এবং 'চিনের বিশ্বস্ত'। ইডির অভিযোগ, সিংঘম এই নিউজ পোর্টালের বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করছে এবং 'পেইড নিউজ' প্রচার করা হচ্ছে। সাকেতের ওই ফ্ল্যাটের রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কারের জন্য বিপুল অনুদানও চিনেরই সৌজন্যে।

এবার নিউজক্লিকের সাংবাদিকদের উপর এমন অভিযান ও আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া। সাংবাদিকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এবং সরকারকে এই ধরপাকড়ের বিস্তারিত জানানোর দাবিও করেছে প্রেসক্লাব।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।