১০ মিনিটের প্রতিশ্রুতি বাতিল: গিগ কর্মীদের সমস্যার সমাধানে যথেষ্ট?

Gig worker: ডেলিভারি কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে এবং তাদের আন্দোলনের ধরন পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, অ্যাপগুলো কর্মীদের উপর যে চরম মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে, তা কেবল একটি নিয়ম বদলে দূর হওয়ার নয়।

inscript
৫ মিনিট
১০ মিনিটের প্রতিশ্রুতি বাতিল: গিগ কর্মীদের সমস্যার সমাধানে যথেষ্ট?

​অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলো সম্প্রতি তাদের বহুচর্চিত '১০ মিনিটের ডেলিভারি'র প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, কিন্তু 'গিগ ইকোনমি' বা অ্যাপ-ভিত্তিক অর্থনীতির গভীরে যে সমস্যাগুলোর শিকড় বাসা বেঁধে আছে, তার সমাধান কি এতেই সম্ভব?

ডেলিভারি কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে এবং তাদের আন্দোলনের ধরন পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, অ্যাপগুলো কর্মীদের উপর যে চরম মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে, তা কেবল একটি নিয়ম বদলে দূর হওয়ার নয়।

​ডেলিভারি অ্যাপগুলো তাদের কর্মীদের কাছে সবচেয়ে বড় যে স্বপ্নটি বিক্রি করে, তা হলো 'কাজের স্বাধীনতা' বা ফ্লেক্সিবিলিটি। বলা হয়, আপনি যখন খুশি লগ-ইন করবেন, যখন খুশি কাজ করবেন, যখন খুশি কাজ থেকে ছুটি নেবেন। কিন্তু বাস্তবের মাটিতে এই স্বাধীনতা কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ। ​একজন কর্মীর আয় তার পছন্দের উপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে অ্যাপের অ্যালগরিদম, টার্গেট এবং ইনসেনটিভের উপর। পিক-আওয়ারে (যখন অর্ডারের চাপ বেশি) লগ-ইন না করলে বা একটি অর্ডার মিস করলে তাদের সারা দিনের উপার্জনের অঙ্ক ওলটপালট হয়ে যায়। ফলে তারা বাধ্য হন অ্যাপের বেঁধে দেওয়া সময়েই কাজ করতে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সুইগি, জোমাটো কর্মীদের জন্য সুখবর! বঞ্চনা ঘোচাতে দেশকে দিশা দেখাল রাজস্থান

Social Security to Gig Workers: এমন বিল সম্ভবত বিশ্বে প্রথম। এর আগে পৃথিবীর কোনও দেশ, কোনও রাজ্য এমন বিল আনতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই বিল আনার পথে এগোনোর আগে বেশ কয়েকটি সমীক্ষা চালিয়েছে রাজস্থান সরকার।

ডেলিভারি পার্টনারদের মতে, 'ইনসেনটিভ' কোনো উপরি পাওনা বা বোনাস নয়। মূল বেতন বা বেসিক পে এতটাই কম যে, সংসার চালাতে গেলে ইনসেনটিভের লক্ষ্য পূরণ করা ছাড়া উপায় থাকে না। ​এই ইনসেনটিভ পাওয়ার জন্য, তাদের দিনে ১০-১১ ঘণ্টা একটানা কাজ করতে হয়। অ্যাপগুলো এমনভাবে সিস্টেম তৈরি করেছে যে, ভোরবেলা বা গভীর রাতে ইনসেনটিভ বেশি, আর দুপুরে কম। যদি কোনো কারণে ট্রাফিক জ্যাম, ভুল লোকেশন বা গ্রাহকের ফোন না ধরার কারণে একটি অর্ডারে দেরি হয়, তবে সারা দিনের হিসেব নিমেষেই বদলে যায়। অর্থাৎ, ইনসেনটিভের পদ্ধতিটি এমনভাবে তৈরি, যেখানে ভুলের কোনো জায়গা নেই।

​অ্যাপ কোম্পানিগুলো কাজকে একটি 'ভিডিও গেম'-এর মতো সাজিয়েছে। এখানে কর্মীদের 'নিঞ্জা' বা 'সুপারহিরো'র তকমা দেওয়া হয়। কিন্তু পর্দার আড়ালে চলে রেটিং, পয়েন্ট এবং র‍্যাঙ্কিংয়ের খেলা। অ্যাপগুলো চিৎকার করে বকা দেয় না, কিন্তু সব মনে রাখে। দেরি হলে বা ভুল হলে অ্যালগরিদম চুপিসারে তাদের রেটিং কমিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কাজ কমিয়ে দেয় বা অর্ডার অ্যাসাইন করা বন্ধ করে দেয়।

১০ মিনিটের ডেলিভারি বন্ধ হলেও, 'মাল্টি-অর্ডার' (এক ট্রিপে একাধিক অর্ডার) ডেলিভারির চাপ কমেনি। এবং সেই ডেলিভারিগুলিতে যে পরিমাণে মানসিক চাপ বহন করতে হয়, সেই মানে পারিশ্রমিক জোটে না। কোম্পানিগুলো প্রায়ই দাবি করে যে তারা 'অপ্টিমাইজেশন' বা প্রযুক্তির উন্নয়ন করছে। কিন্তু বাস্তবে তারা খরচ চাপাচ্ছে কর্মীদের ঘাড়ে। রেস্তোরাঁয় খাবারের জন্য অপেক্ষা করা, অর্ডার প্যাক হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা, বা ডেলিভারি শেষে খালি হাতে হাবে ফিরে আসা—এই সময়গুলোর জন্য কর্মীরা কোনো টাকা পান না। বাইকের তেল খরচ, মেরামতি, এবং ফোনের ইন্টারনেট বিল—সবই কর্মীকে বহন করতে হয়। ডেলিভারির সময় হওয়া দুর্ঘটনা বা অসুস্থতাকেও কোম্পানির দায় হিসেবে দেখে না বরং কর্মীর ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে গণ্য করা হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পুজো পরিক্রমা

Gig workers during Kolkata Durgapujo: কোম্পানি বলেছে, কম কথায় সারতে, বচসায় না জড়াতে। রিপোর্ট করলে কাজ যাবে। তাই পঞ্চমীর সন্ধ্যায় চুপ করে নেমে আসেন ডেলিভারি কর্মীটি।

​কোম্পানিগুলো প্রায়ই বলে, গিগ ওয়ার্ক হলো 'পকেট মানি' বা সাময়িক আয়ের উৎস। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে, অধিকাংশ কর্মীর কাছে এটিই আয়ের প্রধান উৎস। তারা এর উপর ভিত্তি করেই সংসার চালান, ভাড়া দেন এবং ঋণ শোধ করেন। ​অথচ 'পার্টনার' তকমা দিয়ে তাদের শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তাদের কোনো প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) নেই, চিকিৎসার সঠিক বিমা নেই, এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই যখন-তখন আইডি ব্লক করে দেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ জানানোর কোনো স্বচ্ছ জায়গাও নেই।

এছাড়া ১০ মিনিটে ডেলিভারির চাপ তো ছিলই আগে। সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিতে না পারলে, ডেলিভারি বয় সমস্যায় পড়বে। যেকোনো অবস্থাতেই তাদের সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছতে হবে। গিগ ওয়ার্কারদের ১০ মিনিটের ডেলিভারির চাপে পথ দুর্ঘটনা ও ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অ্যাপ যাতে সকলের চোখে পড়ে এবং পণ্য বিক্রির হয় বেশি তাই বিভিন্ন ব্র্যান্ড এই বাণিজ্যিক এক কৌশল অবলম্বন করে।

আমরা কলকাতায় বিভিন্ন উদাহরণ পেয়েছি পথ দুর্ঘটনায় ডেলিভারি বয়ের মৃত্যুর। সময়ে পৌঁছনোর চাপে, অসাবধানে নিয়ন্ত্রনহীন গাড়ি চালানোর কারণে এইসব দুর্ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের তথ্য অনুসারে ট্রাফিক লঙ্ঘনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডেলিভারি কর্মীদের বিরুদ্ধে আইন ভাঙার মামলা ২০২৩ সালে ৩০,৯৬৮ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে সংখ্যাটি ৫২,১৫৩-এ পৌঁছেছে, অর্থাৎ ৬৮% বেড়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসেই এই সংখ্যা ৬৩,৭১৮-এ পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় আরও বেশি। এই আইন ভাঙার মধ্যে রয়েছে সিগন্যাল অমান্য করা, ফুটপাতে চগাড়ি চালানো, অতিরিক্ত গতি ইত্যাদি। গত তিন বছরে বেঙ্গালুরুতে ডেলিভারি কর্মীদের কমপক্ষে ২৭টি দুর্ঘটনা রেকর্ড হয়েছে, যার বেশিরভাগই দ্রুত ডেলিভারির চাপের কারণে ঘটেছে। হায়দরাবাদে ২০২৬-এর জানুয়ারিতে এক জেপটো ডেলিভারি বয়ের মৃত্যু এই সমস্যার আরেক উদাহরণ। গিগ কর্মীরা রাতের বেলা ডেলিভারি করতে গিয়ে চুরি, হামলারও সম্মুখীন হয়েছেন।

২০২৬-এ কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ১০ মিনিটের প্রতিশ্রুতি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মীরা ধর্মঘট করে সময়সীমা শিথিল করার দাবি তুলেছেন। কর্ণাটকের গিগ ওয়ার্কার্স অ্যাক্ট ২০২৫ নিরাপত্তা প্রোটোকল চালু করেছে, কিন্তু বাস্তবায়ন অসম্পূর্ণ। ​১০ মিনিটের ডেলিভারি বন্ধ হওয়া কেবল প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু যতদিন না গিগ কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট আইন, স্বচ্ছ বেতন কাঠামো, এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন এই 'আধুনিক দাসত্ব' চলতেই থাকবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর যেমন নিয়মকানুন প্রয়োজন, তেমনি লেবার প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্যও কঠোর নিয়ন্ত্রণ দরকার। ডেলিভারি কর্মীরা দয়া বা চ্যারিটি চান না; তারা চান তাদের শ্রমের মর্যাদা। তারা চান, অ্যাপের অ্যালগরিদম যেন তাদের মানুষ হিসেবে দেখে, কেবল একটি 'ডেটা পয়েন্ট' বা রোবট হিসেবে নয়। গতি বা সুবিধার নামে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও মর্যাদা বিসর্জন দেওয়া কখনোই উন্নয়নের লক্ষণ হতে পারে না।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।