পরিবেশ ও নিজেকে বাঁচাতে নজর দিন বাতিল হওয়া মোবাইল, কম্পিউটার. ল্যাপটপে

Susen
৪ মিনিট
পরিবেশ ও নিজেকে বাঁচাতে নজর দিন বাতিল হওয়া মোবাইল, কম্পিউটার. ল্যাপটপে

সুসেন: বাড়িতে অনেকদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে অন্তত তিনটি স্মার্ট ফোন। না, যেগুলি সম্ভবত আর কোনওদিনই কাজে লাগবে না।। কিন্তু কলকাতার একটি প্রথম সারির কলেজের সমাজতত্ত্বের অধ্যাপিকা ডঃ বসু এখনও ঠিক করে উঠতে পারছেন ফোনগুলির কি বন্দোবস্ত করবেন? সম্প্রতি অবশ্য শহরে কয়েকটি সংস্থার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে যারা ই-ওয়েস্ট রিসাইক্লিংয়ের কাজ করে। কিন্তু নানা ব্যস্ততার ফাঁকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে ওঠাও একটা সমস্যা। একই অসুবিধার মুখোমুখি ব্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা আইটি বিশেষজ্ঞ পূষণ চ্যাটার্জি বা মুম্বাইয়ে বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত অভিষেক রায়। ডিজিটাল যুগে বাস করছি আমরা। কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবের এখন আকছাড় ব্যবহার হয়। এর ফলে কাগজের ব্যবহার অনেকটাই কমেছে। তার জেরে হয়তো খানিকটা কমেছে গাছ কাটার সংখ্যাও। কিন্তু, পরিবেশে এক নতুন সঙ্কট তৈরি হয়েছে। ‘ডিজিটাইজেশন’-এর হাত ধরে ইলেক্ট্রনিকস দ্রব্যের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হচ্ছে এক নতুন ধরনের বর্জ্য পদার্থ যাকে আমরা ই-বর্জ্য বলছি। পুরনো, ব্যবহারের অযোগ্য ইলেক্ট্রনিকস দ্রব্যকে ‘ই-ওয়েস্ট’ বা ইলেক্ট্রনিকস বর্জ্য বলা হয়। জেট গতির জমানায় যা এক অনাহুত বিপদ।

প্রতিদিন বৈদ্যুতিন দ্রব্যের নিত্যনতুন মডেল বাজারে আসার ফলে পুরনো জিনিসগুলি আর তেমন ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। তার ফলে দ্রুত গতিতে বাড়ছে বৈদ্যুতিন বর্জ্যের পরিমাণ। পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের উদ্যোগে ২০১৬ সালে খ্যাতনামা মার্কেট রিসার্চ সংস্থা আইএমআরবি-কে দিয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালের মধ্যে শুধু এরাজ্যেই ই-ওয়েস্টের পরিমাণ হতে পারে ৭১২৫ মেট্রিক টন। যা অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজির গবেষক সোহম সেনগুপ্তের কথায়, " বৈদ্যুতিন বর্জ্যে থাকে তামা, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা, রুপো, প্যালাডিয়াম, প্লাটিনাম, নিকেল, টিন, লেড (দস্তা), লোহা, সালফার, ফসফরাস, আর্সেনিক, রোডিয়াম প্রভৃতি। পরিবেশের সঙ্গে এগুলি মিশলে তা যথেষ্ট ক্ষতি করতে পারে।" জৈবরসায়নের অধ্যাপিকা ডঃ তিস্তা দাশগুপ্ত জানাচ্ছেন, এই ই-বর্জ্যে থাকা অ্যান্টিমনি মৌলটির কারণে চোখ, ত্বক, হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার তার সঙ্গে থাকা বিসমাথ থেকে শ্বাসকষ্ট, ত্বকের ক্ষতি, অনিদ্রা, হতাশা, হাড়ের যন্ত্রণা প্রভৃতি বাড়ে। ক্যাডমিয়ামের মতো ধাতু ফুসফুসের ক্যানসার, কিডনি ও লিভারের সমস্যা, পাকস্থলীর সমস্যা, আলসার, অ্যালার্জি প্রভৃতির জন্য দায়ী। বেশি পরিমাণে দেহে আসলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

চিত্রঋণ : Googleচিকিৎসক পার্থসারথি ভট্টাচার্য অনা একটি সমস্যার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন, কোবাল্ট থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড ও চোখ। থাইরয়েডের সমস্যা, অ্যাজমা প্রভৃতির জন্যও কোবাল্ট দায়ী। ই-বর্জ্যের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিকর উপাদান হল মলিবডেনাম। অস্থি বিশেষজ্ঞ চন্দ্রশেখর কুণ্ডর বক্তব্য, এটি থেকে হাত, পা, হাঁটু, কনুই প্রভৃতি অঙ্গে ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে। বহু ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যে লেড বা সিসা ব্যবহার হয়। এই উপাদানটি জীবজগৎ ও পরিবেশের পক্ষে সবচেয়ে ক্ষতিকর। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শান্তনু বসুমল্লিকের মতে, এই উপাদানটি কোনও ভাবে দেহে প্রবেশ করলে মস্তিষ্ক, কিডনির যথেষ্ট ক্ষতি হতে পারে। দেখা দিতে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও। সন্তান উৎপাদন ও ধারণক্ষমতার বিশেষ ক্ষতি হয় আবার শিশুদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশও ব্যাহত হতে পারে সিসার কারণে। এ ছাড়াও বহু ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যে টিন ব্যবহার করা হয়। টিন থেকে ত্বক ও চোখের চুলকানি, মাথার যন্ত্রণা, বদহজম, শ্বাসকষ্ট ও মূত্রাশয়ের রোগ দেখা দেয়। ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যে অনেক সময় নিকেলের প্রলেপ লাগানো হয়ে থাকে। এই নিকেল থেকে ফুসফুস, নাক, প্রস্টেট প্রভৃতি অঙ্গে ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে। জানাচ্ছেন ক্যানসার চিকিৎসক সুবীর গাঙ্গলী। হৃৎপিণ্ডের অনিয়মিত গতির জন্যও নিকেলকে দায়ী করা হয়ে থাকে।

শুধু আমাদের শরীরেই নয়, ই- ওয়েস্ট-এ থাকা ধাতব উপাদান মাটি ও ভূ-গর্ভস্থ জলকেও দূষিত করে। পরিবেশবিদ সোমশুভ্র দাশগুপ্তের বক্তব্য, ক্যাডমিয়ামের প্রভাবে গাছেদের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে ইকো সিস্টেমের খাদ্যশৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সমস্যা মেটাতে হলে প্রয়োজন সঠিক ব্যবস্থাপনার (ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট)। যার মাধ্যমে একমাত্র ই-বর্জ্য পদার্থের ক্ষতিকর প্রভাবকে অনেকটা কমিয়ে আনা যায়। ডঃ দাশগুপ্তের পরামর্শ, ধাতব এবং অধাতব যে উপাদানগুলি ই-বর্জ্যে থাকে তা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আলাদা করে সেগুলিকে নতুন করে ব্যবহার করা যেতে পারে। এজন্য ই-বর্জ্য জমা ও বাছাই করে স্তূপ আকারে রাখা হয়। তার পরে ভেঙে বা গলিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করা হয়। তবে এই পদ্ধতিতে ঝুঁকিও রয়েছে। ই-বর্জ্য পদার্থ গলানোর সময় বাতাসে প্রচুর দূষিত গ্যাস মেশার আশঙ্কা থাকে। এই ডাই-অক্সিন মানবদেহে ক্যানসার রোগের সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া বর্জ্য পদার্থ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের ডিএনএ-র গঠনে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আশঙ্কা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ কাজলকৃষ্ণ বনিকের। তিনি জানাচ্ছেন, বৈদ্যুতিন দ্রব্যের কেসিং-এর মধ্যে থাকা পলিভিনাইল ক্লোরাইড পরিবেশের ক্ষতি করে। ফলে ঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে এই বর্জ্যের প্রক্রিয়াকরণও বড় ধরনের বিপদ ডেকে নিয়ে আসে।

ই-বর্জ্য পদার্থ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি নেওয়া যায়। সফটওয়্যার বিশেষজ্ঞ সুমন মিত্রের মতে, প্রথমত, যন্ত্র ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি শেখা। এতে মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব বেশি দিন ধরে ব্যবহার করা যাবে। গুরুত্ব দিতে হবে পুরনো জিনিসের ব্যবহার বাড়ানোর উপরে। একই যন্ত্র একাধিক কাজ করবে এমন মাল্টিপারপাস ইলেক্ট্রনিকস যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে পারলে ভাল হয়। একই চার্জারে সব সংস্থার সব মডেলের মোবাইল চার্জ করা যায়, এমন চার্জারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা জরুরি। আইনের মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিকস পণ্যের উৎপাদনকারী সংস্থাগুলিকে রিসাইকেলিং বা পুনরুৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলায় উৎসাহিত করতে পারলে ভাল হয়। ই-ওয়েস্ট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ আর নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

সবশেষে আশার কথা, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, পুরসভা, পঞ্চায়েত এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি ক্রমশ ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগী হচ্ছে। বিভিন্ন মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বিক্রয়কারী সংস্থাগুলি পুরনো যন্ত্র সংগ্রহ করে তা রিসাইক্লিং-এর ব্যবস্থা করেছে। এটা জরুরি, পরিবেশবিদ ডঃ দাশগুপ্তের কথায়, এখন থেকে সচেতনতা না বাড়ালে ভবিষ্যতে ই-বর্জ্য দৈনন্দিন জীবনে একটি অভিশাপে পরিণত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য প্রতিবেদকের নেওয়া

লিখেছেন
Susen
Susen
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।