বারবার অন্ধকারেই হামলা, হোক কলরব থেকে চাকরিপ্রার্থীদের অনশনে কাঠগড়ায় পুলিশ
TET Protest: মনে পড়ছে হোক কলরবের কথা! রাতে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে উপাচার্যের ডাকে ক্যাম্পাসে ঢুকল পুলিশ। বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের হঠাতে চলল লাঠি।

আসমুদ্রহিমাচল। দেশের কোণায় কোণায়, স্বাধীনতা পূর্ববর্তী কিম্বা পরবর্তী, বারবার কড়া নেড়েছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। শাসকের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দাবদাহ দেখেছে দেশ। আর ঠিক সেই প্রেক্ষাপটকে নিজেদের কার্যকারিতা প্রয়োগের মাপকাঠি হিসেবে বিক্ষোভরতদের ব্যবহার করেছে পুলিশ। প্রশাসনের নির্দেশ রাখতে অচিরেই আঘাত নেমে এসেছে একের পর এক আন্দোলনের গায়ে। ব্যতিব্যস্ত হয়েছে রাষ্ট্র। সমালোচনার পারদের ওঠা-নামার থিতিয়ে পড়ার সুযোগে ফের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে নিরন্তর।
দেশিয় প্রেক্ষাপট, স্বাধীনতা আন্দোলন, ব্রিটিশ শাসনকাল, ইন্দিরা গান্ধী আমলের জরুরি অবস্থা ছাড়িয়ে এ রাজ্যের দিকে যদি আমরা তাকাই, বারবার উঠে আসে নকশাল সময়কাল, খাদ্য আন্দোলন, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের পুলিশ, জ্যোতি বসুর নেতৃত্বের বাম, পরবর্তীতে বাম সরকার! একের পর এক আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়েছে বাংলা। পুলিশের মারে ফেটেছে মাথা, মমতার আন্দোলন, পুলিশের অত্যাচারের অভিযোগও উঠেছে বারবার। জেলবন্দি হয়েছেন একের পর এক নেতা, আন্দোলনকারী। গুলিয়ে গিয়েছে রাজনীতি। অরাজনৈতিক আন্দোলনেও চলেছে একই কাণ্ড! এবারও তার অন্যথা হয়নি, মধ্যরাতে পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়েছে স্বপ্ন! একরাশ বিরক্তি আর বিপ্লবের আশা নিয়ে বন্দি হয়েছেন ওঁরা। প্রশ্ন উঠেছে। রাষ্ট্রের রক্তচক্ষু, পুলিশি অভিযান নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বিরোধীরা। কিন্তু...
৯০-এর দশক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব কংগ্রেস নেত্রী। গেরিলা কায়দায় তাঁর নেতৃত্বের আন্দোলন বিপদে ফেলছিল জ্যোতি বসুর সরকার-পুলিশকে। মহাকরণ পর্যন্ত পৌঁছে গেছিলেন মমতা। বিক্ষোভ, আন্দোলনে সোচ্চার হন তিনি। সেদিন জ্যোতি বসু সরকারের পুলিশ টেনে হিঁচড়ে বের করে দিয়েছিল তাঁকে। অভিযোগ উঠল বিস্তর। কণ্ঠরোধ, মৌলিক অধিকার, ব্যক্তি স্বাধীনতার দিকে আঙুল তুললেন নেত্রী। কিন্তু পুলিশ করল নিজের কাজ।
২০০৬ সাল। তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ড। মমতার অনশন, সিঙ্গুর আবহে উত্তপ্ত হয় রাজ্য। সিঙ্গুরে ছড়ায় উত্তেজনা। কিন্তু সেদিন পুলিশ আর নন্দীগ্রামের মতো ভূমিকা পালনে ব্যস্ত হয়নি!
২০০৭, মার্চ। নন্দীগ্রাম আবহে উত্তপ্ত হল রাজ্য। মমতার নেতৃত্বে বিক্ষোভ। উত্তেজনা। কিন্তু বদলে গেল পুলিশ!
২০০৮, অগাস্ট। কলকাতায় রাস্তার উপর অনশন মঞ্চের পর ফের সিঙ্গুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাস্তায় বসলেন মমতা। সাংসদ, বিরোধী নেত্রীর মঞ্চ তৈরি হল জাতীয় সড়কে। দিনের পর দিন চলল আন্দোলন, অবস্থান। সেদিন রাজ্যে ক্ষমতার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী তুলে দেননি মমতাকে। জ্যোতি বসুর বিপরীত কাজ করলেন তিনি। চুপচাপ রইলেন শান্ত।
এরপর বঙ্গের রাজনৈতিক আবহে তৈরি হয়েছে একের পর এক পটভূমি। ক্ষমতায় এসেছেন মমতা। মহাকরণ দখলের ইতিহাস পৌঁছে দিয়েছেন নবান্নে। কিন্তু...
বদলে গেলেন মমতা? বদলে গেল পুলিশ? এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এর ইতিহাস যদি খতিয়ে দেখি, তাহলে যা দাঁড়ায়;
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Karunamoyee TET Operation: মহিলা চাকরিপ্রার্থীদের মহিলা পুলিশ টানতে টানতে নিয়ে গেল বাসের কাছে। ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে গেল গাড়ি। তোলা হল অ্যাম্বুল্যান্সেও। সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হল সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের।
হোক কলরব
২০১৪ সাল। সেপ্টেম্বর মাস। এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা এবং সেই সংক্রান্ত অভিযোগের সঠিক তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভে সরব হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ক্রমশ বাড়তে থাকে উত্তেজনা। বিক্ষোভ স্লোগানের আবহে তখন বিশ্ববিদ্যালয় সামলাচ্ছেন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী। উঠল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযোগ। ১৬ সেপ্টেম্বর ঘেরাও হলেন তিনি। ওই দিন রাতে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে উপাচার্যের ডাকে ক্যাম্পাসে ঢুকল পুলিশ। বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের হঠাতে চলল লাঠি। মধ্যরাতে, ততক্ষণে তারিখ বলছে ১৭ সেপ্টেম্বর। টেনে হিঁচড়ে বিক্ষোভরতদের সরানোর ছবি দেখল গোটা দেশ।
উত্তাল হল পরিস্থিতি। অবশেষে কয়েকমাস এমন চলার পর ২০১৫ সালের জানুয়ারির ১৩ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গেলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। বিধি ভেঙে তিনিই ঘোষণা করলেন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার কথা।

এই প্রসঙ্গে সেই সময়ের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক গীতশ্রী সরকার ইনস্ক্রিপ্টকে বলেন, “সেই সময় আমাদের দাবি ছিল মূল ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক। কিন্তু সেটা না করে উপরন্তু পুলিশ ডেকে আমাদের মারা হয়েছিল। ফল ভুগেছেন ওঁরা। পড়ুয়াদের আন্দোলন দেখেছিল দেশ। এদিনও ফের দেখলাম তেমনই। আমরা চেয়েছিলাম তদন্ত। সঠিক বিচার। কিন্তু যে পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া হয়েছিল তার প্রতিবাদেই হয়েছিল হোক কলরব। খানিকটা পুরনো স্মৃতি যেন উঠে এল প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার ছবিতে।”
বিজেপির নবান্ন অভিযান
২০১৭ থেকে খানিকটা চাঙ্গা হওয়া বঙ্গ বিজেপির অভিযোগ ছিল পুলিশের বিরূদ্ধে। বারবার নবান্ন অভিযান, মমতা-বিরুদ্ধে আন্দোলনেই আক্রান্ত হতে হয়, দাবি করেন বিজেপি নেতারা। এমনকী গত সেপ্টেম্বরের নবান্ন অভিযান, পুলিশের জল কামান, লাঠিচার্জ নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ নিয়ে শুভেন্দু, দিলীপ ঘোষরা সরব হন ফের।
বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের ডাকে নবান্ন অভিযান
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Social Media Surveillance: গুজরাত বিধানসভায় একটি আইন পাশ করা হয়েছে। সমস্ত হাউসিং কমপ্লেক্সের মধ্যে যত ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরা আছে, সেগুলোকে আঞ্চলিক থানার সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
ফেব্রুয়ারি, ২০২১। বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের ডাকে নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকায় ওঠে প্রশ্ন। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু করে কলতান দাশগুপ্ত, আক্রান্ত হন বহু। বাম বিক্ষোভরতদের উপরে জল কামান, লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেদিনও প্রশ্ন উঠেছিল ফের। আক্রান্ত আন্দোলনকারীদের ছবিতে পুলিশের ভূমিকায় সরব হয়েছিল বিরোধীরা।
এই প্রসঙ্গে বাম যুব সংগঠনের নেতা কলতান দাশগুপ্ত ইনস্ক্রিপ্টকে বলেন, “এই কাজ আমাদের সঙ্গে সেদিনের নবান্ন অভিযান তো বটেই, বারবার করে চলেছে মমতার পুলিশ। বিরোধী হলেই অত্যাচার। পুলিশ দিয়ে পেটাও! এই ঘটনা ঘটছে। সরকারকে-পুলিশকে মনে রাখতে হবে, এই দিন আজীবন থাকবে না, দিন বদলাবে, সেদিন এর ফল ভুগতে হতে পারে!”
মার্চ, ২০২১। কালীঘাটে পৌঁছে যান এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। ফের নেমে আসে পুলিশের চোখরাঙানি। অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের জোরে সরতে হয় বিক্ষোভকারীদের।
৩০ জানুয়ারি, ২০২২। দিনের পর দিন চাকরির দাবিতে আন্দোলন করছিলেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা। দুর্নীতি-বিরোধী স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে বিকাশ ভবন অভিযান, এসএসসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ, অবস্থানের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থানে ছিলেন ওঁরা। মহাত্মা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে উৎসবের দোহাই দিয়ে তাঁদের টেনে হিঁচড়ে সরাল পুলিশ। তোলা হল প্রিজন ভ্যানে। চাকরির দাবিতে আন্দোলনে নামা প্রার্থীরা আটক হলেন পুলিশের হাতে।
এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিষেক সেন। তিনি ইনস্ক্রিপ্টকে জানালেন, “প্রথম দিকে বারবার পুলিশের অত্যাচার চলত। প্রচ্ছন্ন হুমকি আসত। নজর রাখা হতো। কীভাবে আমাদের সরিয়ে দেওয়া যায় এই ব্যবস্থা করছিল পুলিশ। এবার ২০১৪-র চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে যা ঘটল তা বর্বরোচিত। কিন্তু আমাদের সঙ্গেও বারবার এমনই করেছে রাজ্যের সরকার আর পুলিশ।”
মার্চ, ২০২২। দাবি করা হয়, এদিন সল্টলেকের এসএসসি ভবনের সামনে চলতে থাকা বিক্ষোভে হাত বাড়ায় পুলিশ। বিক্ষোভরতদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। একের পর আন্দোলনকারীর অভিযোগ ছিল, পুলিশের নির্যাতনের বিরুদ্ধে।
জুন, ২০২২। ফের কালীঘাটে পৌঁছে যান চাকরিপ্রার্থীরা। এবার হাতে পায়ে চেন বেঁধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। সেবারও পুলিশ তুলে দিয়েছিল ওঁদের। সরতে হয়েছিল হয়েছিল পুলিশের তোড়ে।
অগাস্ট, ২০২২। বিধানসভার ৬ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন চাকরিপ্রার্থীদের কয়েকজন। সেদিনও একই অবস্থায় ছিল পুলিশ, দাবি করা হয় এমনই।
জুলাই, ২০২২। ধর্মতলায় তৃণমূলের সভামঞ্চ। সেদিন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। অভিযোগ, ঘটনাস্থল থেকে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের ৫ জনকে গ্রেফতার করে লালবাজার নিয়ে যায় পুলিশ।
সেই দলে ছিলেন অভিষেক সেন নিজেও। তিনি ইনস্ক্রিপ্টকে জানান, “উৎসাহের বশে দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের চিনে ফেলে আচমকা গ্রেফতার করে নিয়ে চলে যায়। টানা হ্যাঁচড়া করে সেদিনও।”
সেপ্টেম্বর, ২০২২। শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে উচ্চপ্রাথমিকে স্বচ্ছ নিয়োগ, চাকরির দাবিতে বিক্ষোভরতদের মিছিল শুরু আগেই আটক হতে দেখেছিল রাজ্য। নেপথ্যে ছিল সেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
২১ অক্টোবর, ২০২২। মধ্যরাতের পুলিশি অভিযান দেখল দেশ। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল একের পর এক চাকরিপ্রার্থীকে। প্রায় ৮৪ ঘণ্টার অবস্থান হঠিয়ে দেওয়া হল মাত্র ১০ মিনিটে! বিরাট লোক লস্কর নিয়ে আটক করে নেওয়া হল ‘চাকরি চাই’ দাবিতে সরব হওয়াদের। অভিযোগ উঠল একের পর এক। সরব হলেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। মুখ খুললেন অপর্ণা সেন, ঋদ্ধি সেনের মতো কয়েকজন বুদ্ধিজীবী!
এই ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী, আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী সুজিত সরকার ইনস্ক্রিপ্টকে জানান, “রাতে আচমকা এই অত্যাচার চলেছে। মহিলাদের উপর বর্বরভাবে অত্যাচার করেছে পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লাঠিপেটা করেছে আমাদের।” তাঁর দাবি, আন্দোলনের সামনের সারির তিন জনের খোঁজ নেই। প্রায় ১৫০ জনের বেশি বিক্ষোভরত প্রার্থীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না!”

আন্দোলন, বিক্ষোভ এবং পুলিশের ভূমিকার ইতিহাস বারবার বিরচিত হলেও ক্রমশ যেন এই বঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘুরে ফিরে আসছে এ কথায়। কেন?
রাজনীতিক কারবারিদের একাংশের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী নেত্রী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই দুই সত্তার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। বিরোধী আসনে বসে সরকারের বিরোধিতা করা অন্য বিষয় আর সরকারে, ক্ষমতায় থেকে বিরোধিতা সহ্য করা কঠিন! সেখানে দাঁড়িয়ে যে কাজ তাঁর পূর্বসূরি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য করেছেন, কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া, বারবার পুলিশের আচরণের ক্ষেত্রে, নির্দেশের ক্ষেত্রে নজর দিয়েছেন। নন্দীগ্রাম-পর্ব বাদ দিলে, জ্যোতি বসুর জমানার মতো হতে দেননি। সেই অবস্থায় মমতার প্রশাসন বেশ অসহিষ্ণু! কারণ হিসেবে ওই অংশের দাবি, মমতা যে বাধা পেয়েছেন, তাঁকে লড়াইয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে আসার পরেই ভূমিকা বদলে যাচ্ছে। পুলিশের কাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উঠছে প্রশ্ন। যা অত্যাচারের ইতিহাস যেমন তুলে ধরছে, বিপরীতে রাষ্ট্রের, শাসকের বিদায় ঘণ্টাও বাজিয়ে দিচ্ছে কী না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।







