শাপলা-গিরিশাকের প্রত্যন্ত দ্বীপে শিক্ষার আলো, ৫০ বছর লড়ছেন এই মাস্টারমশাই
মেদিনীপুরের কাঁথির বাসিন্দা সুকুমার পয়ড়া ১৯৭৭ সালে প্রথম পা রাখেন সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের বালি দ্বীপে। উদ্দেশ্য ছিল মাত্র তিন মাসের জন্য ইংরেজি পড়ানো। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে গিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। কিন্তু সেই তিন মাসই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গতিপথ।
কখনও শাপলা সেদ্ধ করে খেয়ে দিন কেটেছে। কখনও নদীর চরে জন্মানো গিরিশাকই ছিল একমাত্র ভরসা। আশ্বিন-কার্তিক মাসে বহু পরিবার ভাতের মুখও দেখত না। সুন্দরবনের এমনই এক প্রত্যন্ত দ্বীপে শিক্ষার স্বপ্ন দেখেছিলেন কয়েকজন মানুষ। আর সেই স্বপ্নকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাঁচিয়ে রেখেছেন একজন শিক্ষক—সুকুমার পয়ড়া। আর সেই পথচলায় যেভাবে পথিক হয়ে গেল নেক্সভ্যাল। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ইউনিফর্ম থেকে জুতো, স্কুল ব্যাগ হোক বা স্কুলের কাজে প্রয়োজনীয় প্রিন্টার। নানাভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে থাকে নেক্সভ্যাল। এই...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







