ইউক্রেনে ভিটেমাটি হারাল কয়েক লক্ষ, কোথায় যাবেন শরণার্থীরা

Sindhu Som
৪ মিনিট
ইউক্রেনে ভিটেমাটি হারাল কয়েক লক্ষ, কোথায় যাবেন শরণার্থীরা

ভিটেমাটি বড় প্রিয়। ছাড়তে চায় না কেউ। তবু নিরাপত্তা বড় দোহাই। তাই প্রাণটুকু বাঁচাতেই সন্তান কোলে ইউক্রেন ছাড়ছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এ শতকটা রিফিউজির শতক, শরণার্থীর শতক। এর আগেও মায়ানমারে রোহিঙ্গানিধন পর্বের পরে ইউরোপের দেশগুলির সীমান্তে ভিড় করেছেন উদ্বাস্তুরা। আফগানিস্তান থেকে রাতারাতি পালিয়েছেন লক্ষ বাসিন্দা। আরও একবার যুদ্ধের দামামা, ঘরছাড়া হচ্ছেন ইউক্রেনিয়রাও। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত প্রায় ছয় লক্ষ মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছেন। আশঙ্কা সংখ্যাটা চল্লিশ লক্ষে দাঁড়াতে পারে। গত সপ্তাহে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকেই ক্রমাগত বেড়ে চলেছে রিফিউজির সংখ্যা। পশ্চিমের দেশগুলির সীমা পেরিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে রিফিউজি ঢুকে পড়ছে পোল্যাণ্ড, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, মলদোভা প্রভৃতি দেশগুলিতে।

এ পর্যন্ত পোল্যান্ড আশ্রয় দিয়েছে ৩৭৭০০০ জন রিফিউজিকে। পোলিশ সরকার জানিয়েছে তারা প্রতিদিন ৫০ হাজার রিফিউজিকে আশ্রয় দিতে রাজি। একটি মেডিক্যাল ট্রেইনও চালু করছে পোল্যান্ড ইউক্রেনিয়ানদের নিয়ে আসার জন্য। এই বিষয়ে তারা ১২৩০ টি হাসপাতালের তালিকা তৈরি করেছে। আহতদের সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে ট্রেনটির মাধ্যমে। এ পর্যন্ত দশ লক্ষেরও বেশি ইউক্রেনিয়ান উদ্বাস্তু পোল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছেন। বিশেষত ২০১৪তে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর থেকেই এই সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

বাকি দেশের হিসেব পয়লা মার্চ রাত একটা পর্যন্ত যা ঘোষণা করেছে ইউএন–

  • হাঙ্গেরি আশ্রয় দিয়েছে ৮৯৫৬১ জনকে

  • মলদোভা আশ্রয় দিয়েছে ৬৫৩৯১ জনকে

  • স্লোভাকিয়া আশ্রয় দিয়েছে ৫৪৩০৪ জনকে

  • রোমানিয়া আশ্রয় দিয়েছে ৩৮৪৬১ জনকে

  • বেলারুশ আশ্রয় দিয়েছে ৩২৯ জনকে

৫১৭৯৭ জন ছড়িয়ে গিয়েছেন ইউরোপের বাকি দেশগুলিতে।

ইতিমধ্যে উদ্বাস্তুদের জানানো হয়েছে, যে প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রবেশের জন্য তাদের কোনও রকম নথিপত্রের প্রয়োজন হবে না। তবে আভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক ট্রাভেল পাসপোর্ট, সঙ্গে থাকা বাচ্চাদের বার্থ সার্টিফিকেট এবং মেডিক্যাল রিপোর্ট কাছে রাখা ভাল। রিফিউজি হিসেবে তারাই গণ্য হবেন যারা ইউক্রেনের নাগরিক অথবা সরকার স্বীকৃতভাবে ইউক্রেনে বসবাস করেন। যেমন অনেক বিদেশী ছাত্রই পড়াশোনার জন্য ইউক্রেনে থাকেন। তবে রিফিউজি সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলায় নানা রকম সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বহু মানুষকে পোল্যান্ডে প্রবেশের জন্য প্রায় ষাট ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে সীমানায়। চারিদিকে প্রচণ্ড শীত। বরফ। তার মধ্যে ১৫ কিলোমিটার ব্যপী লাইন লেগে রয়েছে উদ্বাস্তুদের। এই অবস্থা সত্যিই ভয়াবহ। রোমানিয়াতে প্রবেশের জন্যও প্রায় ঘন্টা কুড়ির লাইন দিতে হচ্ছে। অনেকেই ইউক্রেন থেকে বেরনোর জন্য যে ট্রেইনগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলিতে চড়তে পারছেন না।

পোল্যান্ড এবং অন্যান্য আশ্রয়দাতা দেশগুলি উদ্বাস্তুদের সুবিধার জন্য নানা ব্যবস্থা নিয়ে চলেছে। প্রথমত সেখানে বহু রিসেপশন সেন্টার তৈরি হয়েছে। যে সব রিফিউজির কোনও পরিচিত ব্যক্তি এইসব দেশে বাস করেন না, যাদের কোনও রকম মাথা গোঁজার জায়গা নেই, তারা এই রিসেপশন সেন্টারগুলিতে থাকবেন। তাদের খাবার দাবার এবং চিকিৎসার সমস্ত রকম সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাঙ্গেরি এবং রোমানিয়া নগদ ভাতা দিচ্ছে খাদ্য-বস্ত্রের জন্য। স্থানীয় স্কুলগুলিতে শিশুদের জায়গা দেওয়া হচ্ছ। এর আগে রিফিউজিদের রিসেপশন ক্যাম্পে আশ্রয় দেওয়ার একটা সময়সীমা বেঁধে দিত আশ্রয়দাতা দেশগুলি। কিন্তু এবারে সে সব কিছুই মানা হচ্ছে না। বেশিরভাগ দেশই জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেনের উদ্বাস্তুরা যতদিন প্রয়োজন থাকতে পারবেন রিসেপশন ক্যাম্পগুলিতে। চেক রিপাবলিক তাদের ‘মাইগ্রেশন ওয়েভ প্রিপেয়ার্ডনেস প্ল্যান’ চালু করেছে। এই পরিকল্পনা প্রয়োজনে এক বিশেষ ধরনের ভিসা পেতে উদ্বাস্তুদের সাহায্য করবে। সমস্ত ব্যবস্থাপনা হবে অত্যন্ত সহজ সরল। এই ভিসার মাধ্যমে দীর্ঘদিন চেক রিপালবিকে থাকতে পারবেন উদ্বাস্তুরা।

ব্রিটিশ-র প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, ২ লক্ষ ইউক্রেনিয়ান রিফিউজিকে জায়গা দিতে পারবেন তাঁরা। এছাড়াও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে যারা পালিয়ে আসছেন তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এমনকি প্রত্যেক রিফিউজির অর্থনৈতিক দায়ভার বহন করতে পারে ইউ কে। এ ব্যাপারে তাঁদের স্বরাষ্ট্র কার্যালয় আরো বিশদে জানাবে বলে খবর। প্রসঙ্গত, পূর্বে ইউনাইটেড কিংডম জানিয়েছিল, একমাত্র কোনও আত্মীয় স্বজন ব্রিটেনে থাকার ভিত্তিতেই তারা ইউক্রেনিয়ান উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিতে সম্মত হবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিটেন ‘টেম্পোরারি ভিসা কনসেশনস’ ঘোষণা করে। এই নীতি অনুসারে উদ্বাস্তুরা একটি বিনামূল্যে পারিবারিক মাইগ্রেশন ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারে, যদি তাদের ব্রিটিশ আত্মীয়–

  • সম্পর্কে স্বামী / স্ত্রী বা নাগরিক সহাবস্থানের সঙ্গী হয়।

  • অবিবাহিত সঙ্গী (এক্ষত্রে অন্তত বছর দুয়েকের লিভ ইন সম্পর্ক বাধ্যতামূলক)

  • অভিভাবকাদি (এক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়েস ১৮-র কম হওয়া বাধ্যতামূলক)

  • আঠেরো বছরের কম বয়েসী কিশোর

  • প্রাপ্ত বয়স্ক আত্মীয়, যার দেখভাল করেন আবেদনকারী বা স্বাস্থ্যজনিত কারণে যদি তাঁর সাথে থাকতে হয় আবেদনকারীকে।

  • ঠাকুমা ঠাকুর্দা, দাদু দিদা

  • প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান সন্ততি

  • ভাইবোন

  • খুব কাছের পারিবারিক সম্পর্কের কেউ

কিয়েভের ভিসা প্রোসেসিং সেন্টারটি বর্তমানে বন্ধ। তবে লিভিভের কার্যালয়টি খোলা রয়েছে। এবং মানুষজন প্রতিবেশী দেশগুলি থেকেও এই ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকেই যায়, ব্রিটেনের যা ক্ষমতা, সে অনুযায়ী যথাসাধ্য সাহায্য তারা করছে কি?

সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ জানিয়েছে ইউক্রেনের ভিতরেই নিজের বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার। দেশের ভিতরেই উদ্বাস্তু এই মানুষেরা। ই ইউ আশঙ্কা করছে সংখ্যাটা বেড়ে ৭০ লক্ষে দাঁড়াতে পারে। এবং প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ ইউক্রেনিয়ান যুদ্ধের বিষময় ফল ভোগ করবে। হিউম্যানিটারিয়ান এইড এবং ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের ইউরোপিয়ান কমিশনার জেনেজ লেনারিক জানান, “সংখ্যাগুলি যদিও খসড়ার পর্যায়ে, তবু সামগ্রিক অঙ্কটা নেহাত কম নয়। বিপুলাকারের এই ঐতিহাসিক উদ্বাস্তু সঙ্কটের জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।” ইউ এনের হাই কমিশন জানিয়েছে তারা এই ইউক্রেনের ভিতরেই থাকা উদ্বাস্তুদের সাহায্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধের পরিস্থিতি উদ্ধারকর্মীদেরও নিরাপত্তা ব্যহত করছে পদে পদে। তাই ইউএন আপাতত ইউক্রেনের পশ্চিম ভাগে উদ্ধারকার্য পরিচালনাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি, কারণ এই অঞ্চলে কাজ চালানো তুলনামূলক ভাবে সহজ।

লিখেছেন
Sindhu Som
Sindhu Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।