থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ
Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।
আমরা প্রতিদিন যা খাচ্ছি, তা কি সত্যিই খাদ্য? নাকি ধীরে ধীরে আমরা বিষপান করেই চলেছি? বিপন্ন খাদ্য নিরাপত্তা, সরকারি কৃষি নীতি ও বহুজাতিক কর্পোরেট আধিপত্যের ত্রিমুখী চাপে মানুষের খাবারের থালা আজ বিষময়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু খাদ্যই নয়, খাদ্য উৎপাদনের সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটিই আজ সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। বিশ্বখ্যাত পরিবেশকর্মী ড. বন্দনা শিবা তাঁর "দ্য ফিউচার অফ ফুড" প্রতিবেদনে বলেছেন, মানব সভ্যতার সামনে দুটি পথ খোলা আছে—একটি জীবনের পথ, আরেকটি মৃত্যুর। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা দ্বিতীয় পথেই হাঁটছি।
ভারতের খাদ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






