কেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চাইছে নতুন প্রজন্ম? নতুন সমীক্ষা যে প্রশ্ন তুলে দিল

Indian Politics: যুবসমাজ আগ্রহ হারাচ্ছে রাজনীতিতে, সমীক্ষায় উঠে আসছে বিস্ফোরক তথ্য।

Arnab Dutta
৪ মিনিট
কেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চাইছে নতুন প্রজন্ম? নতুন সমীক্ষা যে প্রশ্ন তুলে দিল

রাজনীতি গঠনমূলক হলে তা সমাজ ও মানুষের পক্ষে মঙ্গলের। তবে সে আশায় গুড়ে বালি। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৭৫ বছর পেরিয়ে ভারতীয় রাজনীতি মানেই নেতা-নেত্রীর পারস্পরিক লড়াই। দিনেদিনে আদর্শ গৌণ হচ্ছে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে রাজনীতির পরিসরে লাগাতার দুর্নীতি অথবা রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধমূলক কাণ্ডের খতিয়ান, যা সংবাদমাধ্যমে রসালো আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

ভারতীয় রাজনীতির এই বেহাল দশা আদৌ কাটবে কি না তাও বলা মুশকিল। অন্তত তেমন কোনও লক্ষণ চোখে পড়ছে না। কথায় বলে, 'যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ'। এদেশে রাজনীতিকদের সম্পর্কে মানুষের ধারণাও এমনই।

ভারতে প্রায় ১৪০ কোটির কাছাকাছি মানুষ বসবাস করেন। এদের মধ্যে বড় অংশ তরুণ সম্প্রদায়ের। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ৪১ শতাংশ ভারতীয় নাগরিকেরই বয়স ২০ বছরের নিচে।

ভারতীয় নাগরিক যুব সম্প্রদায়ের ইদানীংকালের রাজনীতি নিয়ে কী মনোভাব, ওঁদের সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না, এই নিয়ে হাতে গোনা কয়েকটি সমীক্ষা হয়েছে। সেইসব সমীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, যুব সম্প্রদায় রাজনীতির প্রতি ঘোরতর বীতশ্রদ্ধ। তাই ওঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করে 'সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত' করতে নারাজ।

'কুভিরা' নামে একটি সংস্থার তরফে রাজনীতিতে এই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভূমিকা সম্পর্কে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতা দখল করতে যেভাবে আকচাআকচি করছেন যুব সম্প্রদায় একে অবক্ষয়ের বিপজ্জনক চিহ্ন হিসেবে মনে করছেন। অনলাইনে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে দেশের ২৪টি রাজ্যে।

ওই সমীক্ষায় ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সি নাবালক-নাবালিকারা জানিয়েছে, রাজনীতির খবরাখবর রাখলেও ভবিষ্যতেও রাজনীতির ময়দানে পা রাখার কোনও পরিকল্পনাই ওদের নেই। বর্তমানে দেশের নানা রাজনৈতিক দলের নেতারা যেভাবে পরস্পরের প্রতি যুযুধানরত তাতে বীতশ্রদ্ধ নাবালক-নাবালিকারা পর্যন্ত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাজনীতিতে ভরসা নেই যুবসমাজের, বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল সমীক্ষায়

Indian Politics: সমীক্ষায় এও জানা গিয়েছে, ছেলেদের তুলনায় বেশি সংখ্যক মেয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ বছরের এক তরুণীর কথায়, রাজনীতিকরা নীতি প্রণয়ন করছেন জনগণের মতামতের কোনও তোয়াক্কা না করেই। মানুষ যেন গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে। এদিকে রাজনীতিকরা কুরুচিকরভাবে পরস্পরের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন।

ভারতের রাজনীতিকদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে মোটে ২৯ শতাংশ নাবালক-নাবালিকার। এদের বয়স ১১ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।

'কুভিরা'-র সমীক্ষায় উঠে এসেছে আরও কিছু আকর্ষণীয় তথ্য। যেমন, কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যের দোরগোড়ায় পা রাখা ছেলেদের চেয়ে রাজনীতিতে যোগ দিতে বেশি মাত্রায় আগ্রহী মেয়েরা। আর প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের মধ্যে ৩২ শতাংশ পুরুষ এবং মোটে ২০ শতাংশ মহিলা ভবিষ্যতে প্রত্যক্ষ রাজনীতি করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।

সমীক্ষকরা জানাচ্ছেন, যারা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন এদের মধ্যে প্রায় সকলেই স্কুল-কলেজে পড়াকালীন ছাত্র রাজনীতি করেছেন। এমনকী, ছাত্র সংসদের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। অন্যদিকে, রাজনীতিতে অনাগ্রহীরা স্কুল-কলেজে পড়াকালীন সন্তর্পণে এড়িয়ে গিয়েছেন রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পাট।

কেমন রাজনীতিক হলে ভালো হতো, সে-ব্যাপারে তরুণ প্রজন্মের মত হলো, রাজনীতি যাঁরা করছেন, মানুষের দুর্দশায় তাঁদের মানুষের পাশে থাকা অবশ্য কর্তব্য। রাজনীতিকদের সর্বতোভাবে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকেও দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব উঠে আসা উচিত। এতে মানুষের কঠোর বাস্তব সমস্যাগুলির খানিক সুরাহা হতে পারে বলে সমীক্ষকদের কাছে অভিমত জানিয়েছেন অনেকেই।

রাজনীতিকদের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনের সাধারণ সমস্যাগুলো বছরের পর বছর ধরে না মিটলে জনগণ কী ধরনের পদক্ষেপ করতে পারে, সে-সম্পর্কে লিখেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অ্যালবার্ট ও হির্শম্যান। এ-বিষয়ে লেখা ওই বইটির নাম 'এক্সিট, ভয়েস অ্যান্ড লয়ালটি'।

হির্শম্যান দেখিয়েছেন, ক্ষমতাসীন রাজনীতিকরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হন অধিকাংশ ক্ষেত্রে। এতে জনগণও ওঁদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনীতিকরা ভোটের আগে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোট মিটলে সেসবের ধারকাছ মাড়ান না।

ভারতে আগামী দিনের রাজনীতিকদের কোন কোন কাজে গুরুত্ব দিতে হবে? সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এসম্পর্কিত তথ্যও। যেমন, ৭৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের কাজ হল দারিদ্র্য এবং বৈষম্য দূরীকরণ। স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ যাতে নাগরিকদের কাছে সহজলভ্য হয়, এও গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। তাছাড়া পরিবেশকে নির্বিচারে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেই মনে করেন যথাক্রমে ৭০ শতাংশ এবং ৬৯ শতাংশ ভারতীয় নাগরিক। বলাই বাহুল্য, গণতন্ত্রের বিকাশে জনগণের কাছে সুযোগ-সুবিধাগুলো পৌঁছে দিতে জরুরি কাজ পরিকাঠামোগত উন্নয়নও।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরী থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত নাগরিকদের চিন্তাভাবনা নিয়ে ভারতেও নানা গবেষণা হয়েছে। ভারতে বিপুল সংখ্যক নাগরিকই যুব সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ রাজনীতিকের স্বার্থপরতা এবং অসামাজিক আচরণ দেশের ভবিষ্যতের নাগরিকদের চলতি রাজনীতি সম্পর্কে কেবল বীতশ্রদ্ধই করছে না, একইসঙ্গে চোখে আঙুল দিয়ে যেন দেখাচ্ছে, আত্মত্যাগ করে কি হবে? এর চেয়ে যথোপযুক্ত কাজ স্রেফ নিজের চাহিদাগুলি যে কোনও প্রকারে চরিতার্থ করা।

এই আবহে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁরা মেধাবী এবং উচ্চশিক্ষিত তাঁরা স্বদেশ ত্যাগ করে বিদেশমুখী হচ্ছেন। ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে এতই বিষিয়ে গিয়েছে যে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে যদি কেউ স্বতন্ত্রভাবে দেশসেবা করতেও যান স্রোতের বিরুদ্ধেই সাঁতার কাটতে হবে সেই মানুষটিকে।

একারণে শিক্ষিত ও মেধাবী যুব সম্প্রদায় ভারত ছেড়ে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলিতে পাড়ি দিচ্ছেন। আর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী রাজনীতি সম্পর্কে উদাসীন। কারণ বর্তমানে গোটা ভারতে যে ধরনের রাজনীতি চলছে তাতে সমাজ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য গৌণ হয়ে উঠেছে।এদিকে ভারতে মোট জনসংখ্যার মধ্যে ৬৫ শতাংশ নাগরিকেরই বয়স ৩৫ বছরের চেয়ে কম। অথচ ভারতের রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের মধ্যে মোটে ৬ শতাংশের বয়স ৩৫ বছরের চেয়ে কম।

পরাধীন ভারতকে অত্যাচারী ব্রিটিশ শাসকদের হাত থেকে মুক্ত করতে এদেশের যুব সম্প্রদায় যে ভূমিকা পালন করেছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সেই কাহিনি স্বর্ণাক্ষরে্ লেখা রয়েছে। তবু স্বাধীনতার ৭৫ বছরে ভারতীয় রাজনীতি থেকে অন্তর্হিত হয়েছে আদর্শ। এই নিয়ে ভাবার সময় এসেছে জাতীয় স্বার্থেই।

লিখেছেন
Arnab Dutta
Arnab Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।