গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের নির্বাচনে জেন জেড কতটা প্রভাব ফেলবে?

Bangladesh election 2026: ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে গিয়েছে। সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সি ভোটাররা, যাদের আমরা সাধারণত ‘জেন জেড’ নামে চিনি। এবারের নির্বাচন তাই কেবল দলবদলের লড়াই নয়; এটি এক নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, হতাশা এবং রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশেরও মুহূর্ত।

inscript
৫ মিনিট
গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের নির্বাচনে জেন জেড কতটা প্রভাব ফেলবে?

বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন কি সত্যিই জেনারেশন জেডের রাজনৈতিক শক্তির পরীক্ষা? দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণ, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং বিরোধী রাজনীতির সংকটের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে গিয়েছে। সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সি ভোটাররা, যাদের আমরা সাধারণত ‘জেন জেড’ নামে চিনি। এবারের নির্বাচন তাই কেবল দলবদলের লড়াই নয়; এটি এক নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, হতাশা এবং রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশেরও মুহূর্ত।

বাংলাদেশের মোট ভোটারের একটি বড় অংশ এখন তরুণ। জনসংখ্যার হিসাবে বাংলাদেশে তরুণ ও কাজ করার বয়সি মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশের বড় একটি অংশই এখন কাজ করার মতো বয়সে রয়েছে। কিন্তু কাজের তেমন সুযোগ নেই। সেই ক্ষোভে বাংলাদেশে তরুণরা আন্দোলনও করেছে।

তবে তরুণরা তখনই আসল রাজনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠে, যখন তারা একসঙ্গে সংগঠিত হয়ে এবং ভোটের মাধ্যমে নিজেদের দাবি প্রকাশ করতে পারে। ২০২৪ সালের বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান দেখিয়েছে, বাংলাদেশের তরুণরা শুধু অনলাইন অ্যাক্টিভিজমে সীমাবদ্ধ নেই; প্রয়োজনে তারা রাজপথেও নামতে পারে। সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার ইস্যু থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুতই বৃহত্তর শাসনব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নে রূপ নেয়। এই অভিজ্ঞতা তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশ নির্বাচন: ডিজিটাল গুজবের দিন শেষ হবে?

Bangladesh election 2026: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কেবল একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই (X) বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে অন্তত ৭ লাখ ভুয়ো পোস্ট করা হয়েছে, যার ৯০ শতাংশই বিদেশের মাটি থেকে পরিচালিত। বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়াতে পারে এমন অন্তত ১৭০,০০০ ভুয়া অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে, যা সমাজে দাঙ্গা বা অস্থিরতা তৈরির জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

জেন জেড প্রজন্মের রাজনৈতিক চেতনা আগের প্রজন্মের তুলনায় আলাদা। তারা স্বাধীন মতপ্রকাশ, ডিজিটাল অধিকার, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সংযোগকে গুরুত্ব দেয়। তাদের অনেকেই উচ্চশিক্ষিত, প্রযুক্তি-সচেতন এবং আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সঙ্গে যুক্ত। তাই তারা শুধু দল দেখে ভোট দিতে চায় না; নীতি, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সঠিকভাবে দেশ চালানোর প্রতিশ্রুতি চায়। এই প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখনকার বাস্তব সমস্যা— চাকরি আছে কি না, দ্রব্যমূল্য কত বেশি, আর ব্যবসা বা আয়ের সুযোগ কতটা।

বেকারত্বের কারণে বাংলাদেশের তরুণদের অনেকেই বিদেশে কাজের সুযোগ খুঁজছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের মূল প্রশ্ন হচ্ছে, কে তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবে? কে তরুণদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ দেবে, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের পরিবেশ তৈরি করবে, প্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেবে এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ নিশ্চিত করবে?

তবে জেন জেডের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্সে এখন রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রচার এমনভাবে চলছে যে তা মূলধারার সংবাদমাধ্যমের মতোই প্রভাব ফেলছে। রাজনৈতিক দলগুলিও বুঝে গিয়েছে তরুণদের কাছে পৌঁছাতে হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় হতে হবে। ছোট ভিডিও, লাইভে আলোচনা, ইনফ্লুয়েন্সারদের অংশগ্রহণ— এসব এখন নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ঝুঁকি। ডিজিটাল প্রজন্ম যেমন দ্রুত সংগঠিত হতে পারে, তেমনি দ্রুত বিভ্রান্তও হতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিএনপি না জামায়ত: পায়ের তলায় মাটি কার বেশি শক্ত?

Bangladesh 13th National Election: বিএনপির একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিজেদের নতুনভাবে উপস্থাপন করা। কীভাবে দেশ চালাবে, সে কথা বলাই জরুরি। একইভাবে জামায়াতেরও দরকার, শুধু আদর্শের কথা নয়— দেশ চালানোর সক্ষমতা আছে, সেটাও দেখানো।

রাজনীতিতে নতুন পরিবর্তন আসায় এবারের বাংলাদেশের নির্বাচন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এই নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তরুণরা শুধু নতুন মুখ বা নতুন দল খুঁজছে না; তারা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি খুঁজছে। দুর্নীতি, দলীয় প্রভাব আর প্রশাসনের পক্ষপাত থেকে বেরিয়ে এসে তারা এমন এক গণতন্ত্র চায়, যেখানে সবাই অংশ নিতে পারে এবং মত প্রকাশের সুযোগ পায়। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলগুলি কি সত্যিই নিজেদের সংস্কার করতে প্রস্তুত, নাকি তারা কেবল তরুণদের ভাষা ব্যবহার করে পুরনো রাজনীতিকেই নতুন মোড়কে উপস্থাপন করছে?

জেন জেডের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো তারা পরিচয় রাজনীতির চেয়ে ইস্যুভিত্তিক রাজনীতিতে বেশি আগ্রহী। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সুরক্ষা, নারীর অধিকার, সংখ্যালঘু নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিশেষ করে উপকূলের তরুণরা নিজের চোখে এর প্রভাব দেখছে। ফলে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নীতিও তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নও তাদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে জেন জেডের রাজনৈতিক শক্তি কতটা কাজ করবে, তা কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করবে। প্রথমত, তাদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও ভোটদানে অংশগ্রহণের হার কত। অনেক দেশে দেখা যায়, তরুণরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলেও ভোটদানে তুলনামূলকভাবে কম অংশ নেয়। দ্বিতীয়ত, তারা কতটা ঐক্যবদ্ধ।

ফলে এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য যেমন একটি বড় পরীক্ষা, তেমনই জেন জেডের জন্যও নিজেদের অবস্থান জানানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। তারা কি কেবল পরিবর্তনের স্লোগান দেবে, নাকি সংগঠিতভাবে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তাদের সিদ্ধান্ত শুধু সরকার গঠন করবে না, আগামী দশকের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নির্ধারণ করবে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে, বাংলাদেশের এই নির্বাচন তার একটি তাৎপর্যপূর্ণ উত্তর দিতে পারে।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে এই প্রজন্ম কতটা সচেতনভাবে, সংগঠিতভাবে এবং দায়িত্বশীলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তার উপর।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?