স্বদেশি সিগারেটের প্যাকেটে অভয় দিতেন দেবী, যুগে যুগে কালীকে যেভাবে দেখেছে বাঙালি

স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে মা কালীকে জুড়ে দেওয়া যদি অপরাধ না হয়ে থাকে, তাহলে পরিচালক লীনা কীভাবে অপরাধ করে বসলেন? শিল্প তো সমাজের দর্পণ।

tiasa gupta
৪ মিনিট
স্বদেশি সিগারেটের প্যাকেটে অভয় দিতেন দেবী, যুগে যুগে কালীকে যেভাবে দেখেছে বাঙালি

'কালী’ ছবির পোস্টারে মা কালীর মুখে সিগারেট গুঁজে দিয়েছেন পরিচালক লীনা মনিমেকলেই। ২ জুলাই ট‍্যুইটারে এই ছবি পোস্ট করেন। এরপর এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হতে সময় লাগেনি। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তবে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন তাঁর নামে এফআইআর করেছে। তাঁর ছবি নিষিদ্ধ করার দাবিও উঠেছে। তবে এসব তো সাম্প্রতিক ঘটনাবলি। স্বদেশি আন্দোলনে দেশ যখন উত্তাল, তখন দেখা যায়, সিগারেটের প্যাকেটে মা কালীর ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন। এটা ১৯ শতকের স্বদেশি আর্টের কথা। অর্থাৎ, কালের সঙ্গে সঙ্গে মা কালীকে নিজেদের মতো করে দেখেছেন শিল্পীরা। আর সিগারেটের সঙ্গে মা কালীকে জুড়ে দেওয়ার ইতিহাস যে আরও প্রাচীন, তা বলাই বাহুল্য। তাই মা কালীকে ধূমপান করিয়ে পরিচালক লীনা কোনও অপরাধ করেছেন কি না, তা সময়ই বলবে।

১৯ শতকের স্বদেশি আর্ট শো। ২০১৭ সালে দিল্লির আকারপ্রকার গ্যালারি এই স্বদেশি আর্ট শোয়ের আয়োজন করে। অর্থাৎ, স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা শিল্পের প্রদর্শন। সেখানে দেখা যায় সিগারেটের প্যাকেটে মা কালীর বিজ্ঞাপন। এই বিজ্ঞাপন যে কোনও শিল্পীকে ভাবাতে পারে যে, ধর্ম, পরিচয়, রাজনীতি এবং ব্যবসা কীভাবে শিল্পের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে।

এই শিল্পী এই সিগারেটের বিজ্ঞাপন বাংলায় অনুবাদ করেন। সিগারেটের ব্র‍্যান্ড কালী। স্বদেশি দ্রব্য হিসেবে একে উল্লেখ করা হয়। তখন দেশ স্বদেশি আন্দোলনে উত্তাল। ধর্ম নিয়ে গোঁড়ামি যে সমাজকে ছেড়ে যায়নি, তা বলাই বাহুল্য। এই অবস্থায় সিগারেটের প্যাকেটে মা কালী। এই নিয়ে সেই সময় আদৌ বিতর্ক হয়েছে কে জানে! না কি স্বদেশি দ্রব্য বলে ছাড়া পেয়ে গিয়েছিল। এই বিজ্ঞাপনের আরও চমক- এই সিগারেট ক্রেতাদের আশ্বস্ত করছে, এতে মা কালীর আশীর্বাদ আছে, তাই এই সিগারেটে সুখটান দিলে তা নিয়ে আশঙ্কা বা ভয়ের কোনও কারণ নেই। সিগারেটের বিজ্ঞাপনে সবসময় লেখা থাকে It Causes Cancer, এক্ষেত্রে এমনটা হয়নি। বরং উল্টোটাই হয়েছে, এতে উল্লেখিত- “It is not injurious to health.”

তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বিজ্ঞাপন কি প্রমাণ করে না যে মা কালী সিগারেট বিক্রি করেছেন, তাই তা নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই। সেটা ছিল ১৯ শতক, তখন সিগারেটের বিজ্ঞাপনে মা কালীর ছবি। আর এখন সময় পাল্টেছে। সমাজ আধুনিক হয়েছে। কিন্তু হিন্দুবাদীদের দাপট যে কমেনি, তা দেখাল তথ‍্যচিত্রর পোস্টারে মা কালীর ধূমপানের ঘটনা। শিল্পীমহলে এই ছবি বহু-আলোচিত এবং আলোড়িত। এই ছবি সম্পর্কে বলা হয়, ২১ শতকে এই নিয়ে আলোড়ন পড়তে পারত, তখন, অর্থাৎ ১৯ শতকে এই নিয়ে কোনও আলোড়ন হয়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারও বিরুদ্ধে এফআইআর হয়নি সম্ভবত। কারণ তখন ভাববার মতো অনেক বিষয় ছিল, কারণ দেশ পরাধীন। চলছে স্বদেশি আন্দোলন। কাজেই একটা ঠুনকো সিগারেটের বিজ্ঞাপন হয়তো ঝড় তুলে সময় নষ্ট করেনি। তবে এই সিগারেটের সেলস এজেন্ট ছিলেন এ এইচ জহর। তিনি চেয়েছিলেন স্বদেশি আন্দোলনকে সমর্থন করে যাতে বাংলার দরিদ্র শ্রমিকরা এই সিগারেট কেনেন। সেই কারণে মা কালীকে এর মডেল করে তোলা হয়। তবে কোথাও কোথাও নাকি ক্ষীণ প্রতিবাদ ওঠে। এই সিগারেট তৈরি করে ইস্ট ইন্ডিয়া সিগারেট ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি। তবে তা স্বদেশি দ্রব্য হিসেবে বাজারে ছড়ায়। তখন দেশের ভেতরে বিদেশি দ্রব্য বয়কটের রমরমা। তাই কি ব্রিটিশ সংস্থার তৈরি সিগারেট স্বাদেশিকতার মোড়কে জুড়ে বিজ্ঞাপনের কৌশল নেওয়া হয়? এর উত্তর ইতিহাসেই রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তারাপীঠে দেবীকে উৎসর্গ করা হয়..., মহুয়া-বিতর্কে ফিরে দেখা কালীসাধনার উপাচার

পরিচালক লীনা মা কালীকে ধূমপান করিয়ে যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন, তার রেশ চলতে পারে আরও কিছু দূর। তবে তন্ত্রমতে একটা কথা সিদ্ধ যে, মদ, মাংস ছাড়া মা কালীর নৈবেদ্য অসম্পূর্ণ।

এখানেই শেষ নয়। আকারপ্রকার গ্যালারিতে ১৯ শতকের আরও অনেক অয়েলপেন্টিং, লিথোগ্রাফ এবং ওলিওগ্রাফ যেভাবে প্রদর্শিত হয়েছে, তাতে অতীত সমাজের ঝাঁকিদর্শন হয়। সেই সময় পৌরানিক দেবদেবী ও ঘটনা-পরম্পরাকে কীভাবে দেখা হয়েছে, তাও বোঝা যায়। যেমন, মা সরস্বতীর একটা ছবি। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যার দেবী শুভ্রবসনা, তাঁর একহাতে বীণা, অন্যহাতে বই। সাধারণভাবে বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবীকে এভাবেই দেখতে অভ্যস্ত বঙ্গবাসী। কিন্তু একসময় তাঁকে বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে তুলে ধরা হয়। ১৯ শতকে মা সরস্বতীকে অন্যভাবে সাজিয়ে তুলেছেন শিল্পী। যেমনভাবে তিনি তাঁর আরাধ্য দেবদেবীকে দেখতে চেয়েছেন, সেইভাবেই তাঁকে রূপ দিয়েছেন। ১৯ শতকের এক বিজ্ঞাপনে মা সরস্বতীকে আয়ুর্বেদ প্রোডাক্টের মডেল হিসেবে দেখানো হয়। মা সরস্বতী বিক্রি করছেন কেশতেল এবং ম্যালেরিয়ার মেডিসিন। তখন চারিদিকে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, তাই তা সামলাতে মা সরস্বতীকে মডেল করে আয়ুর্বেদিক ওষুধ বিক্রি করা হয়।

ধর্ম এবং পুরাণের বিভিন্ন চরিত্র সেই সময় সমাজকে বার্তা দেওয়ার জন্য শিল্পীদের বড় হাতিয়ার ছিল। এই শো-এর তত্ত্ববধায়ক অসিত পাল নিজে একজন শিল্পী। তাঁর মতে, যদি সেই সময় সিগারেটের প্যাকেটে মা কালীর ছবি দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ হয়ে থাকে, তা নিয়ে ব্রিটিশদের মাথা ব্যথার সময় ছিল না। ১৯ শতকে শিল্পীদের শিল্পকর্মে বারেবারে ঠাঁই পেয়েছে পুরাণ, ধর্ম, সমাজ।

পাল বলেন, ১৮৫৭ সালের পরে বাংলার স্থানীয় শিল্পীরা তাঁদের বিষয়ভাবনায় নিয়ে আসেন রামায়ণ, মহাভারত এবং পুরাণ। অনেকেই ক্যালকাটা স্কুল অফ আর্ট থেকে প্রশিক্ষণ নেন। তাঁরা এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে মহাভারত, রামায়ণের বিভিন্ন ঘটনা নিজেদের কল্পনায় জারিত করে বাস্তবে রূপ দেন।

বাংলার ১৯ শতক মানে কী? ধর্ম, শিক্ষা, শিল্প, সমাজ যখন অন্ধকূপে নিমজ্জিত, তখন সমাজকে একটা সজোরে ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। বাংলা নবজাগৃতি দেখল, বাংলা পেল রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ প্রমুখ‌কে। এই অধ্যায় সাক্ষী থাকে ব্রাহ্মসমাজ গঠনের, সমাজ সাক্ষী থাকে সতীদাহ রদ, বাল্যবিবাহ রদ, মহিলাদের শিক্ষা এবং বিধবাবিবাহের মতো ঘটনার। সমাজের পরিবর্তনে সজোরে ধাক্কা দিলেন এই মহাপুরুষরা। তাই শিল্পীদের কলমের আঁচড়ে চিত্রায়িত হয়েছে এই সময় এবং মহাপুরুষরা। এইসব ঘটনা ফুটে উঠেছে সেসময়ের শিল্পকলায়।

কালীঘাটের পটচিত্র সেই সময় বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। ব্রাশস্ট্রোক, ভাইব্র‍্যান্ট কালার ব্যবহার করে পটুয়ারা সেই সময়ের শহরজীবন তুলে ধরতেন। আবার তাঁরা তুলে ধরতেন পুরাণের চরিত্র, সামাজিক অবক্ষয়ের মতো ঘটনা। কোনও এক পটুয়ার পটে ফুটে ওঠে মা কালীর মাথায় মুকুট। অর্থাৎ, স্থানীয় শিল্পকলায় মা কালী শিল্পীর চোখে এভাবেই রূপ পেয়েছেন। আসল কথা হল শিল্পমাধ্যম বদলেছে, তাই শিল্পীরা তাঁদের নিজেদের মতো করে তাঁদের শিল্পীসত্তার সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছেন মা কালীকে।

স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে মা কালীকে জুড়ে দেওয়া যদি অপরাধ না হয়ে থাকে, তাহলে পরিচালক লীনা কীভাবে অপরাধ করে বসলেন? শিল্প তো সমাজের দর্পণ। শিল্পী যেভাবে তাকে দেখে, তাই রূপ দেন। তা লীনা হোন, কিংবা ১৯ শতকের কোনও শিল্পী, শুধু দেখার চোখ আলাদা।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।