'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব'! ট্রাম্পের খেয়ালখুশি সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছেন বিশ্লেষকরা

Trump: ইরান আক্রমণ থেকে শুরু করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-কে আক্রমণ সবটাই ছিল অপ্রত্যাশিত। এই সিদ্ধান্তগুলিকে 'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব' বলছেন বিশ্লেষকরা।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব'! ট্রাম্পের খেয়ালখুশি সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছেন বিশ্লেষকরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইচ্ছেমতো একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এমনটাই দাবি করছেন বিশ্লেষকরা। ইরান আক্রমণ থেকে শুরু করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-কে আক্রমণ সবটাই ছিল অপ্রত্যাশিত। এই সিদ্ধান্তগুলিকে 'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব' বলছেন বিশ্লেষকরা। খবর বিবিসি-র।

ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুই করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের আক্রমণ করে। কানাডা-র বিরুদ্ধে বলেছিলেন, কানাডা-কে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তির ব্যবহার করা হতে পারে। গ্রিনল্যান্ড হলো আমেরিকার মিত্র ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।

ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আবার পানামা খালের মালিকানা ফিরিয়ে নিতে হবে। নেটো সনদের অনুচ্ছেদ ৫-এ বলা হয়েছে, প্রতিটি সদস্য দেশকে অন্য সদস্য দেশের প্রতিরক্ষায় সাহায্য করতে হবে। তবে ট্রাম্পের একের পর এক বক্তব্য এই প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Trump Big beautiful bill: ট্রাম্পের নতুন বিগ বিউটিফুল বিল কী?

Trump: জো বাইডেন যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তিনি পরিবেশবান্ধব যানবাহন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে কর ছাড় চালু করেছিলেন। কিন্তু নতুন বিলে তা প্রায় নেই।

অন্যদিকে, সম্প্রতি ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের সময় ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি এই সংঘাতে ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরান আক্রমণ করবেন কিনা? ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমি এমনটা করতে পারি আবার না-ও করতে পারি। কেউ জানে না আমি কী করব।" হোয়াইট হাউস বিবৃতি দিয়ে জানায়, ইরানের সঙ্গে বোঝাপড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সে পথে হাঁটবেন কি না, তা আগামী দু-সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে। কিন্তু সেই ঘোষণার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

অতীতের ঘটনাগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ট্রাম্প যে কোনো সময় তাঁর মত বদলান। নিজের কথাই আবার অস্বীকারও করেন। ট্রাম্প তাঁর খামখেয়ালি আচরণকে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন। তিনি এটিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই ব্যবহার করছেন। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোও এভাবেই নিচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন যিনি অনিশ্চয়তায় কাজ করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান করতে, তিনিও ইচ্ছে মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নিক্সন যখন দেখলেন উত্তর ভিয়েতনামের শত্রুরা অপ্রতিরোধ্য, তখন এই সিদ্ধান্ত নেন। নটর ডেম ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মাইকেল ডেশ বিবিসি-কে বলেন, "এক সময় নিক্সন তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার-কে বলেছিলেন, তোমার উচিত উত্তর ভিয়েতনামী আলোচকদের বলা যে নিক্সন একজন বদ্ধ উন্মাদ, কেউ জানে না সে কী করবে, তাই উচিত হবে দ্রুত একটা চুক্তিতে আসা, নাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে'।" এই কৌশলকেই 'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব' বলে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
India-US trade: ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তি! কেন সমস্যায় ভারত?

Trump's Trade Deal: ট্রাম্প আগেও একাধিকবার এ কথা বলেছেন। আবার স্পষ্ট করে বলেছেন, ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে ঢুকতে দিলেই এই চুক্তি করা হবে।

বিবিসি বলছে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটিকে 'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব' বলে উল্লেখ করছেন। একজন বিশ্বনেতা তাঁর প্রতিপক্ষকে বোঝাতে চাইছে, তিনি তাঁর খেয়াল খুশি মতো যেকোনো কিছু করতে পারেন। লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স-এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক পিটার ট্রুবোভিট্‌জ বিবিসি-তে দাবি করেছেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তগুলি অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর পছন্দ এবং মেজাজের উপর।

এই কৌশলেই ট্রাম্প তাঁর শত্রুদের উপর একধরনের চাপ সৃষ্টি করছেন। তাঁর মর্জি মতো কাজ করতে বাধ্য করছেন। প্রশ্ন উঠছে, শত্রুদের মধ্যে কি এর প্রভাব পড়ছে? বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এমন খেয়াল খুশি সিদ্ধান্তে প্রতিপক্ষও এখন আর বিভ্রান্ত হচ্ছে না বরং তারাও বুঝতে পারছে ট্রাম্প কী করতে পারেন।

যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ওভাল অফিসে আসার পর ট্রাম্প খুব অপমান করেছিলেন। এই নিয়ে বিতর্কেরও তৈরি হয়েছিল। পরে দেখা যায়, জেলেনেস্কি যুক্তরাষ্ট্রকে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ দিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের ইরান আক্রমণে উল্টো প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্প তাঁর সমর্থকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেবেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত। আর এটি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে আরও বেশি আগ্রহী করে তুলবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে বারবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগের নেতাদের বৈদেশিক সংঘাতে জড়ানোর নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি নিজেকে ‘শান্তির দূত’ বলেও দাবি করেন। ট্রাম্পের হামলার পর ইরানের কাতার হামলায় আরও উদ্বেগ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে তিনি যদি আবার হামলা চালাতেন তাহলে দলের ভেতরেই তাঁকে বিদ্রোহের মুখে পড়তে হতো। এই সকল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন।

এইভাবেই তিনি খেয়ালখুশি মতো একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর কী হবে, তাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।