ভোটের আগেই রাজ্যে রাজ্যে কল্পতরু মোদি! 'বঞ্চনা'-র ভাগ্য বদলাবে বাংলার?

PM-JANMAN Scheme: দেশের প্রান্তিক এবং বিপন্ন জনজাতি (পার্টিকুলারলি ভারনারেবল ট্রাইবাল গ্রুপস)-র কাছে সমস্ত ধরনের সুবিধা পৌঁছে দিতে বিপুল বরাদ্দের একাধিক কর্মসূচী নিল কেন্দ্র। যার নাম দেওয়া হয়েছ 'প্রধানমন্ত্রী জনমন' প্রকল্প।

Sohini Das
৪ মিনিট
ভোটের আগেই রাজ্যে রাজ্যে কল্পতরু মোদি! 'বঞ্চনা'-র ভাগ্য বদলাবে বাংলার?

অযোধ্যায় রামমন্দির গড়া হচ্ছে। আসছে সপ্তাহেই তার উদ্বোধন। দেশ জুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে। রামমন্দিরের উদ্বোধন বলে কথা। নেতামন্ত্রীদের চোখের ঘুম উড়েছে। উদ্বোধনে জমায়েত হতে পারে কয়েক লক্ষ লোকের। নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই পুলিশ-প্রশাসনের। এরই মাঝে নিন্দুকরা বলছেন, রামের গৃহ গড়ে দিতে দেশে এত সাজো সাজো রব। এদিকে গরিব প্রজার জন্য কোনও প্রকল্পের ঘোষণা নেই! তার মধ্যে এ বছরই আবার লোকসভা ভোট। তবে নিন্দুকদের সেই কথা হাটের মাঝে পড়ার আগেই তড়িঘড়ি সেই পথ বন্ধ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রান্তিক এবং বিপন্ন জনজাতি (পার্টিকুলারলি ভারনারেবল ট্রাইবাল গ্রুপস)-র কাছে সমস্ত ধরনের সুবিধা পৌঁছে দিতে বিপুল বরাদ্দের একাধিক কর্মসূচী নিল কেন্দ্র। যার নাম দেওয়া হয়েছে 'প্রধানমন্ত্রী জনমন' প্রকল্প। ঘর গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় কেন্দ্র প্রথম ধাপে বরাদ্দ করেছে প্রায় ৫৪০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই এক লক্ষ সুবিধাভোগীর জন্য বরাদ্দের প্রথম কিস্তি দিয়েও দিয়েছে কেন্দ্রসরকার। তা দিয়ে গড়া হবে পাকা ঘর।

চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ওই কর্মসূচি পালিত হবে কেন্দ্রীয় ভাবে। তেমনটাই জানানো হয়ে কেন্দ্র সরাকের তরফে। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। ইতিমধ্যেই দেশের ক্যাবিনেট সচিব ভার্চুয়াল বৈঠক করে কর্মসূচিটি বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। সে বৈঠকে ছিলেন নানা রাজ্যের শীর্ষ আমলারাও। জানা গিয়েছে, বিপুল টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে এই কর্মসূচীর পিছনে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ সমস্ত রাজ্যগুলিকেই যুক্ত করা হয়েছে এই কর্মসূচীর আওতায়। ভার্চুয়াল বৈঠকে হাজির ছিলেন এ রাজ্যের আমলারাও।

রামমন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত দিয়ে। রাষ্ট্রপতি দেশের শীর্ষতম পদ হলেও সে দায়িত্বটি সারবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এ ব্যাপারটি নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। কেউ কেউ বলছেন, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী সম্প্রদায়ের হওয়ার জন্যই কি এই বাধা। এই বিতর্কের মধ্যেই দেশের পিছিয়ে থাকা প্রান্তিক ও জনজাতির জন্য় নতুন কর্মসূচী গ্রহণ করে ফেলল কেন্দ্র। বুঝতে অসুবিধা হয় না, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, ভোটে জনজাতি গোষ্ঠীভুক্ত ভোটারদের মন পেতে আগে থেকেই কোমর বেঁধেছে বিজেপি সরকার। ইতিমধ্যেই তার একটি ধাপের কাজ সেরে ফেলেছে তারা। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে জনজাতিভুক্ত ও পিছিয়ে পড়া মানুষজনকে তুলে এনেছে তারা। এবার শুরু হতে চলেছে দ্বিতীয় ধাপের কাজ। আর সেটা হচ্ছে এই শ্রেণির মানুষের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণ প্রকল্পের সূচনা। যার শুরুটা হয়ে যেতে চলেছে এ মাস থেকেই। ফলে লোকসভা ভোটের আগে এই কর্মসূচি যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝাই যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোটি কোটি টাকা নয় ছয়! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের নামে আসলে কী চলছে দেশে?

Ayushman Bharat Scam: ২.২৫ লক্ষ ক্ষেত্রে, অস্ত্রোপচার করার তারিখটি দেখানো হয়েছে 'ডিসচার্জের' অনেক পরে!

এ রাজ্যেও লোধা, টোটোর মতো প্রান্তিক জনজাতি গোষ্ঠী রয়েছে। সব ঠিক মতো চললে তাঁরাও এই সুবিধার মধ্যে আসার কথা। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত বাংলা। এ রাজ্যের সরকারের সঙ্গে বনিবনার অভাব নাকি অবিজেপি রাজ্য বলেই বঞ্চনা, এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। তবে সে যাই হোক না কেন, প্রধানমন্ত্রীর এই নয়া যোজনার আওতায় কি শেষপর্যন্ত খরা কাটতে চলেছে এ রাজ্যের কেন্দ্রীয় বরাদ্দের। তা নিয়ে অবশ্য আশাবাদী এ রাজ্যের প্রশাসনিক মহলের একাংশ। প্রধানমন্ত্রী আবাস ও সড়ক যোজনায় দীর্ঘদিন ধরেই বরাদ্দ মিলছে না পশ্চিমবঙ্গ। সূত্রের খবর, 'প্রধানমন্ত্রী জনমন' প্রকল্পের মধ্যে এই দু'টি অংশই থাকতে চলেছে।

যতদূর জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্শ থেকেই আগামী ৩ বছরের জন্য ২৪ হাজার ১০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে 'প্রধানমন্ত্রী জনমন' কর্মসূচির জন্য। যেখানে কেন্দ্র ১৫,৩৩৬ কোটি টাকা করে দিতে চলেছে। রাজ্যগুলির ভাগে থাকছে ৮৭৬৮ কোটি টাকা। প্রাথমিক ভাবে একশো জেলার প্রান্তিক জনজাতিগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা ওই প্রকল্পের সুবিধা পাবে। একাধিক কর্মসূচি রয়েছে ওই প্রকল্পে। প্রাথমিক বাবে আধার কার্ড, জনধন অ্যাকাউন্টের মতো কিছু পরিষেবা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মানবিধি, কিসান ঋণ কার্ডের আওতায় আনা হবে তাদের। এখানেই শেষ নয়। পরিকল্পনা দীর্ঘ। পরে ধাপে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা বাড়ি, সড়ক, পরিস্রুত পানীয় জল-বিদ্যুতের সংযোগ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য পরিষেবা, সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন প্রকল্প, কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদি পরিষেবা পাবে তাঁরা। কেন্দ্রীয় একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১৮টি রাজ্যে ৭৫টি বিপন্ন প্রান্তিক জনজাতি গোষ্ঠী রয়েছে। তাতে আট লক্ষ পরিবারের ৩২ লক্ষ মানুষ ছড়িয়ে রয়েছেন ২০০টি জেলার ৮০০টি ব্লকে। তাদের এক এক করে এই সমস্ত সুবিধার আওতায় আনা হবে। যদিও এ রাজ্যে এখনও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পটি গৃহীত হয়নি। ফলে এই প্রকল্পের আওতায় আসা এ রাজ্যের বিপন্ন জনজাতিরা আদৌ সেই পরিষেবা পাবেন কিনা তা বলা যাচ্ছে না এখনই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সরকারি প্রকল্পেই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি অসমে! কেন প্রশ্নের মুখে পিএম কিসান?

এই বিপুল পরিমাণ দুর্নীতির পর, সম্প্রতি কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি পিএম-কিসান প্রকল্পের এক্তিয়ার বর্ধিত করেছে।

ইতিমধ্যেই গুজরাত, রাজস্থান, তেলঙ্গনা, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের তথ্য সংগ্রহ-সহ যাবতীয় কাজ শেষ বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ক্যাবিনেট বৈঠকে। শ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, কর্নাটক, কেরল, তামিলনাড়ু, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। তবে বিহার এবং মণিপুরে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। প্রতিটি রাজ্যে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি করে কমিটি তৈরি হবে। যারা ওই প্রকল্পের বাস্তবায়নের ব্যাপারে কড়া নজর রাখবে। জেলাশাসকদেরও এই প্রকল্প রূপায়ণে বড় ভূমিকা নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

২০২৩-র শেষেই হয়ে গিয়েছে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার মধ্যে তিন রাজ্যে জিতলেও ছত্তীসগঢ় ও তেলঙ্গানায় জিততে পারেনি বিজেপি। ২০১৮ সালেও ছত্তীসগঢ়, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপির ফলাফল খারাপ হয়েছিল। আদিবাসী অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে বিজেপির ফলাফল ধারাবাহিক ভাবেই খারাপ। তবে কি আদিবাসী ভোট ঠিক করে টানতে পারছে না বিজেপি। এই সব ব্যাপারগুলো মাথায় রেখেই এবার গোড়া থেকেই তৎপরতা দেখাচ্ছে বিজেপি।

বাংলায় তৃণমূল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই বনিবনা নেই বিজেপির। কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরেই দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত পশ্চিমবঙ্গ। যদিও এ রাজ্যের সরকার ইতিমদ্যেই জনজাতিভুক্ত মানুষজনের জন্য বহু প্রকল্প, বহু পদক্ষেপ করেছে। তাদের জন্য নানা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, নানা ভাতা, বৃত্তি ও পেনশন পরিষেবার ব্যবস্থা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রাজ্যের তরফে। রয়েছে স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধুর মতো সুবিধাও। তবে এবার কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের লাভ কি পাবেন এ রাজ্যের প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ। কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের উর্ধ্বে উঠে কাটবে কি বাংলার বঞ্চনার ভাগ্য? ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এ রাজ্যের মানুষ? তার উত্তর পাওয়া যাবে জলদিই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।