কোটি কোটি টাকা নয় ছয়! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের নামে আসলে কী চলছে দেশে?

Ayushman Bharat Scam: ২.২৫ লক্ষ ক্ষেত্রে, অস্ত্রোপচার করার তারিখটি দেখানো হয়েছে 'ডিসচার্জের' অনেক পরে!

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
কোটি কোটি টাকা নয় ছয়! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের নামে আসলে কী চলছে দেশে?

দরিদ্র মানুষদের কাছে স্বাস্থ্যসেবার অর্থই বদলে দিয়েছে আয়ুষ্মান ভারত! অন্তত বিজেপি এই কথাটি প্রচারে কোনও কসুর করে না। ভারতের স্বাস্থ্যপরিষেবাতে দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষ যাতে সুবিধা পান, বঞ্চিতরা সমানাধিকার পান, তাই জন্যই তো আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প! আসলে কি তাই? প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা বা PMJAY - আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের দু'টি উপাদানের একটির মূল্যায়ন করে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) জানিয়েছে, দুর্নীতিতে ভরে রয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য প্রকল্পটি! PMJAY-এর এটিই প্রথম CAG রিপোর্ট। এই প্রকল্পের টাকা ভাগ হয় কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ৬০:৪০ অনুপাতে। কেন্দ্রীয় সরকার-স্তরে, জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বা NHA প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। রাজ্যগুলিতে কাজ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (SHAs) এবং জেলার ইউনিটগুলি। এই প্রকল্পের লক্ষ্যই হচ্ছে পরিবার প্রতি চিকিৎসার খাতে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া। NHA-এর তথ্য বলছে, এখনও অবধি ২৪.৪২ কোটি মানুষ এই প্রকল্পে নাম লিখিয়েছেন এবং এদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এখনও অবধি ৬৭,৪৫৬.২১ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

ক্যাগের এই মূল্যায়ন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর ২০২১ সালের মার্চ অবধি করা হয়েছে। অর্থাৎ এর মধ্যে COVID-19 মহামারীর সময়টিও রয়েছে। সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১৬১টি জেলার ৯৬৪টি হাসপাতালের উপর এই মূল্যায়ন হয়েছে৷ উল্লেখ্য, দিল্লি, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ এই প্রকল্পের আওতা থেকে বেরিয়ে এসেছে।

এই মূল্যায়নে দেখা গিয়েছে, ইনসিওরেন্সের নিষ্পত্তিতে বড় আকারের দুর্নীতি ঘটেছে। টাকা দেওয়ার আগে এই প্রকল্পের অধীনে থাকা হাসপাতালগুলি পর্যাপ্ত নিয়ম মেনে কাগজপত্র অবধি খুঁটিয়ে দেখেনি। ২.২৫ লক্ষ ক্ষেত্রে, অস্ত্রোপচার করার তারিখটি দেখানো হয়েছে 'ডিসচার্জের' অনেক পরে! স্রেফ মহারাষ্ট্রেই এই ঘটনাটি ঘটেছে ১.৭৯ লক্ষেরও বেশি! প্রায় ৩০০ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের হিসেব নেই ঠিকঠাক।

অন্যান্য কিছু ক্ষেত্রে, হাসপাতাল যবে টাকা দাবি করেছে এবং SHAs যখন টাকা দিয়েছে, সেই দুই তারিখই এত আগেকার যে তখনও আয়ুষ্মান প্রকল্পের সূচনাই হয়নি! এমনকী 'ক্লেম' করার ঢের আগেই হাসপাতালগুলিকে টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছরের বেশি বয়সী রোগীদেরও নাকি 'পেডিয়াট্রিক স্পেশালিটি প্যাকেজ'-এর অধীনে চিকিত্সা করা হয়েছে!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
উপাচার্য কে হবেন, সেই নিয়েও রাজনীতি! রাজ্যপাল-সরকারের দ্বন্দ্বে গোল্লায় যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা

Vice Chancellor Crisis of West Bengal: এখানে একগাদা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে বটে, কিন্তু পরিকাঠামোগত উন্নয়ন কতটা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

অডিটে আরও দেখা গেছে, ৪৫,৮৪৬টি ক্ষেত্রে রোগী ভর্তির আগেই 'ডিসচার্জ হয়ে গেছেন খাতায় কলমে! এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে একজন রোগীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একাধিক হাসপাতালে ভর্তি দেখানো হয়েছে। 'মৃত' হিসেবে দেখানো হয়েছে এমন কয়েকজনের জন্যও লাখ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। ট্রানজ্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের তথ্যে দেখা গেছে, ৮৮,৭৬০ জন রোগী চিকিৎসার সময়ই মারা গেছেন। তাও এখনও, ২,১৪,৯২৩টি 'ক্লেম' রয়েছে যাতে এই মৃত রোগীদের নাকি নতুন করে চিকিত্সার করানো হচ্ছে। ২৪টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই দাবি নিষ্পত্তিতে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কেরল এবং মধ্যপ্রদেশে এই ধরনের ঘটনা সবথেকে বেশি ঘটেছে।

১১.০৪ লক্ষ জালি সুবিধাভোগীদের বিষয়ে কেন্দ্র রাজ্যকে সতর্ক করেছে। তবে রাজ্য মোটে ৭.০৭ লক্ষ আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়েই তদন্ত করেছে। গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয় এবং উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের প্রতারণা সবচেয়ে বেশি হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২ ঘণ্টা ২০ মিনিটের ভাষণে ১০ মিনিট ঠাঁই মণিপুরের! মোদির মূল্যবান সময় যাচ্ছে কোথায়?

PM Modi On Manipur: প্রধানমন্ত্রী মোদি বিকেল ৫টায় বক্তৃতা শুরু করেন। ঘড়িতে যখন সন্ধা ৬ টা ৪২, তখন তিনি প্রথমে মণিপুরের কথা উল্লেখ করেন!

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি ঘটেছে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায়। প্রকল্প অনুযায়ী, একবার যাচাই হয়ে গেলে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের একটি অনন্য PMJAY আইডি জারি হওয়া উচিত। অডিট করতে গিয়ে দেখা গেছে, অসংখ্য নকল আইডি রয়েছে। অর্থাৎ যারা প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন তারাও সুবিধা পেয়েছেন এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আধার নম্বর ছাড়াও, সুবিধাভোগীদের ফোন নম্বরও ব্যবহার করা হয়েছে। দেখা গেছে, একই বা অবৈধ মোবাইল নম্বর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। ৭.৫ লাখ মানুষ ‘9999999999' মোবাইল নম্বর দিয়ে রেখেছেন, ১.৪ লাখ মানুষ '8888888888' নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছেন। আধার কার্ডও যাচাই হয়নি ঠিক করে। একই আধার নম্বরে একাধিক রেজিস্ট্রেশন হয়েছে।

প্রকল্পের নির্দেশিকা অনুসারে, রাজ্যকে এই সুবিধাভোগীদের যোগ্যতা যাচাই করার জন্য প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে এসএমএস বিজ্ঞপ্তি পাঠাতে হবে। সুতরাং এত সব ভুয়ো নম্বর, ভুল নম্বরে আদৌ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল কিনা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

NHA-এর তথ্য অনুসারে, এই প্রকল্পের অধীনে ভারত জুড়ে ২৭,৬৪৯টি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ক্ষমতা সম্পন্ন সমস্ত কমিউনিটি হেলথ সেন্টারকেও তালিকাভুক্ত বলে গণ্য করা হয়। এই হিসাবে, ১৫,০০০টি সরকারি এবং ১২,০০০টি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাও এই প্রকল্পের অংশ। ফার্মাসি, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ল্যাবরেটরি, ডায়ালিসিস ইউনিট, পোস্ট অপারেটিভ পরিষেবা, আইসিইউ ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় সবসময়ের সহায়তার জন্য এমপ্যানেলড হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার থাকতে হবে। বিহার, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অসম, চণ্ডীগড়, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, পুদুচেরি, ত্রিপুরা এবং উত্তর প্রদেশে এমন ঘটনা ভূরি ভূরি যেখানে চিকিৎসার পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, আইপিডি বেড, অপারেশন থিয়েটার, ভেন্টিলেটর সাপোর্ট সিস্টেম সহ আইসিইউ, ফার্মাসি, ডায়ালিসিস ইউনিট, ব্লাড ব্যাঙ্ক, সবসময়ের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার মতো মৌলিক পরিকাঠামোর অভাব সত্ত্বেও হাসপাতালগুলি তালিকাভুক্ত হয়েছে৷

ক্যাগের রিপোর্ট বলছে, ১১ টি রাজ্যে ২৪১ টি হাসপাতালের বিরুদ্ধে অসৎ আচরণের অভিযোগ আছে। রাজ্য একেবারেই হাসপাতালগুলি পরিদর্শনও করে না। একেবারেই নজর না দেওয়াতে রাজ্য হাসপাতালগুলিতে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করেছে। অডিটে দেখা গেছে চারটি রাজ্য- অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ু ৫৭.৫৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত দিয়ে ফেলেছে।

গত বছর রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের উত্তরে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রাজ্য মন্ত্রী ভারতী প্রবি পাওয়ার বলেছিলেন ২১০ টি হাসপাতালকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং আরও ১৮৮ টি হাসপাতালে PMJAY পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। তাদের ২১ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছিল ঠিকই কিন্তু মাত্র ৯.৫ কোটি টাকার পুনরুদ্ধার করা গিয়েছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।