রাজনীতির অভিধানে ‘পিতৃতন্ত্র’ ঢুকছে? রাহুলের বক্তৃতা কি নতুন কোনো শুরু?
Rahul Gandhi patriarchy: পুনের ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর বক্তৃতা সম্পূর্ণ নতুন বয়ান তৈরি করল। এই প্রথম কোনো মূলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সরাসরি “পিতৃতন্ত্র নিপাত যাক” এই স্লোগান তুললেন। লক্ষ্য করার মতো বিষয়, এই কথাগুলি তিনি বলেছিলেন সরাসরি তরুণী জেন জি শ্রোতাদের সামনে দাঁড়িয়ে।
একবিংশ শতাব্দীর আগে অবধিও সমাজ-সচেতন প্রগতিশীল মানুষের আলোচনায় আকছার ব্যবহৃত শব্দগুলি ছিল ‘সমাজতন্ত্র’, ‘সাম্রাজ্যবাদ’, ‘শ্রেণি-সংগ্রাম’, ‘বুর্জোয়া’ ইত্যাদি। রাজনীতির কারবারিরা এইসব শব্দের কেরামতিতেই সভা গরম করতেন। তখনকার রাজনীতিতে সক্রিয় পুরুষদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিকাঠামো তৈরি হতো পরিবারের নারীদের অদৃশ্য শ্রমের উপর দাঁড়িয়ে। সেই শ্রমকে ‘শ্রম’ হিসেবে গণ্য করা হতো না। তা ছিল ‘স্বাভাবিক’। প্রশ্নাতীতভাবে তাকে নারীর ‘ভালবাসা’ বা ‘কর্তব্য’ বলে দেখা হতো। ফলে নারীর শোষণ বা ক্ষমতার সম্পর্কের প্রশ্...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







