ইজরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে 'গণহত্যা'র নালিশ! কবে ফিরবে গাজায় শান্তি?

Israel-Gaza war: আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত মামলা গড়ালেও গাজায় আগ্রাসন কমাতে চাইছে না কোনওভাবেই ইজরায়েল। এরই মধ্যে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে গাজায়।

Sohini Das
৪ মিনিট
ইজরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে 'গণহত্যা'র নালিশ! কবে ফিরবে গাজায় শান্তি?

কোনও মতেই রোখ টানা যাচ্ছে না ইজরায়েলের আগ্রাসনে। গাজা যেন মৃত্যুপুরী। এত মৃত্যু, এত লাশ, তার পরেও যুদ্ধের অবস্থান থেকে টলানো যায়নি ইজরায়েলকে। তার পরেও দ্বিগুণ আগ্রাসন নিয়ে গাজা জুড়ে হামলার পর হামলা চালিয়েই যাচ্ছে নেতানিয়াহু সরকার। এবার সেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধেই ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (ICJ)-র কাছে গণহত্যার অভিযোগ আনল দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। ইতিমধ্যেই চব্বিশ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে গাজায়। যার মধ্যে অন্তত ৮ হাজার নাবালক ও শিশু। জখম কম করে হলেও ৬০ হাজার। গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ঢুকে পড়ে হামলা চালিয়েছিল প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। তার পরেই হামাসের বিরুদ্ধে কার্যত গাজার বিরুদ্ধেই যুদ্ধঘোষণা করে দেয় ইজরায়েল। মধ্যিখানে বন্দিবদলের জন্য় চারদিনের যুদ্ধবিরতি থাকলেও অক্লান্ত ভাবে যুদ্ধ চলছে তার পর থেকেই। স্কুলবাড়ি, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির, ধর্মস্থান কোনও কিছুকেই বাদ দেয়নি ইজরায়েলি সেনা। একের পর এক মিসাইল, বোমা, ড্রোন হামলায় ধুলোয় মিশে গিয়েছে গোটা গাজা। বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশের যুদ্ধশান্তির প্রস্তাবে কান পর্যন্ত দেয়নি নেতানিয়াহু সরকার।

আন্তর্জাতিক আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকা জানিয়েছে, গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের উপরে নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে ইজরায়েল। আর ইজরায়েল, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দেশ সেই সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলছে, এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ও উচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস অর্থাৎ আইসিজে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই আন্তর্জাতিক আদালত।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (ICC)-র মতো কোনও ব্যক্তিমানুষের বিচার করা হয় না এই আদালতে। বরং বিভিন্ন দেশের আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার হয় এই আদালতে। যেমন ভাবে এবার সেখানকার কাঠগড়ায় উঠেছে ইজরায়েল। এর আগে রাষ্ট্রপুঞ্জে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সংখ্য়াগরিষ্ঠতা এলেও তাতে আমল দেয়নি নেতানিয়াহু সরকার। এ বারও কি একই ভাবে আন্তর্জাতিক আদালতে দায় এড়াবে ইজরায়েল? গা থেকে ঝেড়ে ফেলবে গণহত্যার অভিযোগ?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নেই চিকিৎসার ন্যূনতম সুযোগ! কেন গাজায় মেডিক্যাল ত্রাণ বন্ধ করে দিচ্ছে WHO?

Gaza-Hamas Conflict: গাজায় ত্রাণ দেওয়া থেকে এবার সরে এল বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থা (WHO)। সব ধরনের মেডিক্যাল সরবরাহ করার কথা রবিবারই ঘোষণা করে দিয়েছে তারা।

যদিও ইজরায়েলের গা-ছাড়া ভাব অবশ্য সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত মামলা গড়ালেও গাজায় আগ্রাসন কমাতে চাইছে না কোনওভাবেই ইজরায়েল। এরই মধ্যে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে গাজায়। বিশেষত বাসিন্দাদের নিশানা করেই ধেয়ে এসেছে ইজরায়েলি রকেট, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। গাজার উত্তরে রাফাহ এলাকায় ইজরায়েলের সাম্প্রতিকতম হামলায় অন্তত তেরো জনের মৃত্যর খবর মিলেছে। তার মধ্যে অনেকেই শিশু বলে জানা গিয়েছে। আর এই ঘটনা ঘটেছে সেদিন, যেদিন আন্তর্জাতিক আদালতে প্রথম শুনানি হতে চলেছে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ। শুধু রাফাহতেই নয়, মধ্য গাজার ডের এল বালাহর আল আকসা শহিদ হাসপাতালে ইজরায়েলি বোমায় অন্তত আট জনের খবর মৃত্যুর খবর মিলেছে। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। খাতায় কলমে সংখ্যাটা এখন ২৩,৩৫৭-র আশপাশে ঘুরছে। জখম অন্তত ৫৯,৪১০।

গত ডিসেম্বরেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। যেখানে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়। পাশাপাশি ফিলিস্তিনির বিরাট ভূখণ্ড জুড়ে দানবিক অত্যাচার চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। দক্ষিণ আফ্রিকা সেই অভিযোগও করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার এই পদক্ষেপে পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। যারা গাজায় যুদ্ধশান্তির পক্ষে সওয়াল করে আসছে গোড়া থেকেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গাজার মৃতদেহ থেকে হৃদপিণ্ড, যকৃত সত্যিই সরিয়ে নিচ্ছে ইজরায়েল? কারণ জানলে শিউরে উঠবেন

Israel-Hamas War: এরই মধ্যে আবার ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর এক অভিযোগ করেছে ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপ। তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনি শরীরগুলি থেকে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চুরি যাচ্ছে অহরহ।

মজার ব্যাপার, দক্ষিণ আফ্রিকার এই আবেদনে সই করেছে ছ'শোর বেশি ইজরায়েলিও। যারা মানবিকতার খাতিরে চান যুদ্ধটা শেষ হোক। সেই ছ'শো জনের মধ্যে রয়েছেন অসংখ্য শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, বুদ্ধিজীবী মানুষজন। যে কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই তো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। তেমনটাই হওয়া উচিত। ফলে ইজরায়েল-গাজা দ্বন্দ্বেও তার অন্যথা হয়নি।

ফিলিস্তিনিদের প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার সমর্থন আজকের নয়। ১৯৯৭ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা যখন রাষ্ট্রপতি, তখন থেকেই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সুসম্পর্কের শুরু। নেলসনের বক্তৃতায় একাধিক বার উঠে এসেছে প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতার কথা। ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ, এমনটাই মনে করতেন তিনি। ২০১৩ সালে নেলসনের মৃত্যুর পর ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের রামাল্লা শহরে তাঁর বিরাট মূর্তিও বসেছিল। ফলে প্যালেস্টাইনের এই সঙ্কটে যে দক্ষিণ আফ্রিকা পাশে এসে দাঁড়াবে, তাতে আর নতুন কী!

যদিও আন্তর্জাতিক আদালতের সামনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাদের প্রতিরোধ হামাসের বিরুদ্ধে। হামাস ইজরায়েলের অস্তিত্বের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে আদালতে। পাশাপাশি ইজরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী যতটা সম্ভব নৈতিক ভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে ইজরায়েলের তরফে। একই সঙ্গে নাগরিকদের মৃত্যু এড়াতে নানা রকম পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়েছে বাহিনীর তরফে। ইজরায়েলের দাবি, তারা ফোন করে সতর্ক করে বিভিন্ন সময় গাজার বিভিন্ন ভবনের উপরে হামলা চালিয়েছে। এমনকী আকাশপথে হামলা চালানোর আগেও সতর্ক করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় চলাচল করায় বহু হামলা বাতিলও করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতে ইজরায়েলি সরকার বারবার দাবি করেছে, গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনি নয়, হামাসদের শেষ করাই তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য। দক্ষিণ আফ্রিকার সমস্ত অভিযোগের জবাবে নিজেদের নিরপরাধ প্রমাণ করতে কোনও কসুর বাকি রাখেনি ইজরায়েল।

দক্ষিণ আফ্রিকা চায়, ইজরায়েলকে গাজায় অবিলম্বে সমস্ত রকম যুদ্ধ বন্ধ করার নির্দেশ দিক ইজরায়েল। তবে আদৌ কি সেই পরিস্থিতি তৈরি হবে। আর যদি হয়ও বা, ইজরায়েল কি আন্তর্জাতিক আদালতের কথা মানবে। খাতায়-কলমে আন্তর্জাতিক আদালতের সমস্ত নির্দেশ মানতে বাধ্য দক্ষিণ আফ্রিকা, ইজরায়েলের মতো দেশগুলি। বাস্তবে কি তা সত্যিই ঘটে। ২০২২ সালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময় অবিলম্বে যুদ্ধ থামানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে সেই নির্দেশের বাস্তবায়ন হয়নি। আর যদি আন্তর্জাতিক আদালতে প্রমাণও হয়ে যায় ইজরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে, তার পরেও সেই মামলায় চূড়ান্ত রায় সামনে আসতে আসতে আরও কয়েক বছর। ততদিনে কি গাজার মানচিত্রে অস্তিত্বটুকুও থাকবে! সংশয়ে গোটা বিশ্ব।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।